Robbar

সাম্প্রতিকী

সম্পাদকদের জঙ্গলে এক ‘এডিটর’

সম্পাদক দিনগত পাপক্ষয়ের মতো তাঁর দৈনিক-সাপ্তাহিক-পাক্ষিক-মাসিক পত্রটি চালিয়ে যাওয়ার কর্মটি সম্পাদন করেন মাত্র, এডিটর তাকে প্রতিটি সংখ্যায় সামনে আনেন, অগ্রবর্তী করেন। সম্পাদকের সংখ্যা তাই কেবলই বাড়তে থাকে। মুছে যেতে থাকেন আদিম মহাদ্রুমের মতো এডিটররা, অ-শেষ স্মৃতি রেখে।

→

উসকানি জিতে গেল দু’হাজার পঁচিশেও

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ‘রেজ বেট’কে বেছে নিয়েছে এ-বছরের শ্রেষ্ঠ শব্দ রূপে। যা আসলে রাগেরই চাষ। এমন এক ধরনের অনলাইন কন্টেন্ট, যা ক্ষোভ উদ্রেককারী। প্রশ্ন উঠেছে, শব্দ কই? এ যে এক শব্দবন্ধ!

→

মিথ্যে আশা নয়, নোবেল বক্তৃতায় ‘সত্যি হতাশার’ কথা শুনিয়ে গেলেন লাজলো

বক্তৃতার শেষে তিনি আমাদের একটা অবিস্মরণীয় দৃশ্যের সামনে দাঁড় করালেন। তিনি আজও যেন সেই বার্লিনের সাবওয়ে ট্রেনে বসে আছেন। ট্রেন চলছে, স্টেশনগুলো পার হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তিনি কোথাও নামছেন না। ‘আমি কোথাও নামি না... আমি শুধু দেখি স্টেশনগুলো সরে সরে যাচ্ছে।’

→

বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বন্দে মাতরম্‌’ ঘিরে ধর্মীয় সংকীর্ণতার আবাহন দেখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ

‘বন্দে মাতরম্‌’ যেখানে উগ্রজাতীয়তাবাদের সহচর সেখানেই রবীন্দ্রনাথের আপত্তি। বঙ্কিমের প্রতি অশ্রদ্ধা নিয়ে নয়, হিন্দু-মুসলমান-ইংরেজ যেখানে ছোট ও সংকীর্ণ– সেই অংশের প্রতি সচেতনতা থেকেই, এই গানটির অঙ্গচ্ছেদ করে গ্রহণের পক্ষপাতী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ।

→

তুমি একা, সবার চেয়ে আলাদা

রজঃস্বলা নারী বরাবরই একলা। উপচে পড়া ভিড়েও নিঃসঙ্গ সে। জন-সমাগম তার স্পর্শ বাঁচিয়ে পিছলে-পিছলে যায়।

→

দার্জিলিং আমার শীতের বাড়ি

সেই সময়ের কথা মনে পড়ে, যে সময়ে হিমশীতল দার্জিলিং থেকে কুয়াশার পর্দা সরিয়ে ঢুকে যেতাম কেক আর প্যাটিস আর কফি আর মদের গন্ধে মম করা শব্দহীন মগ্ন পানশালায়, যেখানে যে যার নিঃসঙ্গ নিলয় পেত টেবিলে একা কিংবা মুখোমুখি।

→

ডলার-রুপির টানাপোড়েনে ‘অচ্ছে দিন’ ঢাকা পড়ছে মূল্যবৃদ্ধির কুয়াশায়

কাগজে-কলমে উন্নত প্রবৃদ্ধির খাড়া দেওয়াল বেয়ে সবেগে গড়িয়ে নামছে টাকার দর। শক্তিধর ডলার ক্রমেই হয়ে উঠছে বহু-‘রুপি’!

→

প্রচ্ছদ থেকে শিক্ষা নিলে তো মিশনের বই দেখেই মানুষ সন্ন্যাসী হয়ে যেত

শার্লক হোমস কিংবা কিরীটী, এমনকী ব্যোমকেশের প্রচ্ছদেও পাইপ কিংবা সিগারেট এসেছে বারবার। যে বয়সের পাঠক এই বইগুলো পড়ে, তাদের শিক্ষার কথা ভাবলে তো এই প্রচ্ছদগুলো রাখাই যাবে না। এ-ও যেমন হয় না, তেমন দেওয়ালে দেওয়ালে ‘মদের নেশা ছাড়ান’ পোস্টার মারলেই কেউ নেশা ছেড়ে দেয় না।

→

‘মাদার মেরি কামস টু মি’-র বাংলা অনুবাদেও প্রচ্ছদ একই থাকবে

‘মাদার মেরি কামস টু মি’ বইয়ের প্রচ্ছদে অরুন্ধতী রায়ের ধূমপানের ছবি নিয়ে সম্প্রতি সুপ্রিমকোর্টে কেস হয়েছে। এই বইয়ের বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করতে চলেছে দে’জ পাবলিশিং। প্রকাশক হিসেবে প্রচ্ছদের ছবি নিয়ে এই আপত্তি বিষয়ে কী ভাবছেন তাঁরা?

→

প্রচ্ছদে ধূমপানের ছবি কি অরুন্ধতীর নীতিগত অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলে?

অরুন্ধতী রায় একজন সমাজকর্মী। মানবাধিকার নিয়ে লড়াই করেছেন। ‘নর্মদা বাঁচাও’ আন্দোলনে শামিল হয়েছেন মেধা পাটেকরের সঙ্গে। তিনি যুদ্ধবিরোধী; বনসংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষার পক্ষে। এমন একটি অবস্থান নিয়ে নিজের ধূমপানরত ছবি নিজের বইয়ের প্রচ্ছদে দেওয়া কি কোনওভাবে তাঁর অবস্থানের বিরুদ্ধতা করে?

→