Robbar

সাম্প্রতিকী

ইভি বনাম নস্টালজিয়া

সম্ভবত ইলেকট্রিক গাড়িই ভবিষ্যৎ। হয়তো কয়েক দশক পর পেট্রোল-চালিত মোটর-সাইকেলকে মানুষ ঠিক সেইভাবেই দেখবে, যেভাবে আজ স্টিম ইঞ্জিন বা গ্রামোফোনকে দেখে– একটি সুন্দর ইতিহাস হিসেবে।

→

ভবিষ্যতের সিঁদুরে মেঘ

গবেষকদের মতে, অতীতের বহু দুর্ভিক্ষ, সামাজিক অস্থিরতা এমনকী রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গেও ‘এল নিনো’র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। ভারতে উনিশ শতকের দুর্ভিক্ষ, চিনের খাদ্য সংকট এবং ব্রাজিলের দীর্ঘস্থায়ী খরায় লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল। যদিও শুধুমাত্র ‘এল নিনো’ দায়ী নয়, তবে এই জলবায়ুগত অবস্থা পরিস্থিতিকে বহুগুণ জটিল করে তুলেছিল।

→

শেষযাত্রার রিহার্সাল

বিহারের অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মী মোহনলাল নিজের মৃত্যুর রিহার্সাল ও শেষকৃত্য নিজেই সেরে নিলেন! কেন এমন কাণ্ড করেছেন জিজ্ঞেস করায় তাঁর উত্তর– ‘জানতে চেয়েছিলাম মানুষ আমাকে কতটা সম্মান দেয় ও স্নেহ করে।’ তবে কি বর্তমান একাকিত্বের যুগে মানুষ স্বীকৃতি খুঁজছে, এমনকী মৃত্যুর বিনিময়েও?

→

নহ নেতা, নহ চিন্তক, তুমি সামান্য নারী

মহিলা রাজনীতিবিদ হলেই তার প্রেম, যৌনতা বা চুম্বন নিয়ে অনায়াসে বক্তব্য রাখা যায়, যা একজন পুরুষ নেতার সম্পর্কে আমাদের মাথাতেও আসে না। মোদি-মেলোনি মিম, তাদের বারান্দা-সেলফি বা জেলেনেস্কির সাথে আলিঙ্গন আবারও একবার প্রমাণ করিয়ে দেয় যে, আমরা সকলেই আদতে একটা মেল গেজের মধ্যে রয়েছি।

→

মব চরিত্র কাল্পনিক

ভিড় সম্পর্কে এক গভীর সত্য উচ্চারণ করেছিলেন জীবনানন্দ– ভিড়ের হৃদয় নেই। সত্যিই নেই। ভিড়ের কোনও বিবেক নেই, কোনও দায়বদ্ধতা নেই, কোনও ব্যক্তিগত নৈতিকতা নেই। একজন মানুষ একা থাকলে যে কাজটি করতে লজ্জা পাবে, যে কাজটি করতে তার বিবেক বাধা দেবে, সেই মানুষই ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে অবলীলায় নিষ্ঠুর হয়ে উঠতে পারে।

→

পহলে দর্শনধারী?

কারও চরিত্রের বাহ্যিক আড়ম্বরে মানিয়ে নেওয়ার কথা আদৌ কোনওদিন অভিনেতার ছিলই না। তার কাজ ছিল অভ্যন্তরীণ। অনেক বেশি করে তার কাজ ছিল মননে আর চিন্তায় চরিত্রের কাছাকাছি পৌঁছনো। সে হোক না বায়োপিক, শেষ অবধি তা আরও এক নিতান্ত চরিত্র বাদে কিছু না। কেনই বা অভিনয়ের নামে ‘গো-অ্যাজ-ইউ-লাইক’ খেলতে যাবে এক অভিনেতা!

→

বলো কোথায় তোমার দেশ

৭০ বছরের এপার-ওপার মিলিয়ে দিচ্ছে রোজিনা ও টোবা টেক সিং-কে। মিলিয়ে দিচ্ছে জন লেননের ইমাজিন গানটাকে। কত কথা! কত আলোচনা! কিন্তু এই আশ্চর্য সময়ে সব কিছুই বড় ক্ষণস্থায়ী। রোজিনাকে আমরা হয়তো ভুলে যাব। আমাদের হয়তো জানা হবে না, সে তার ‘দেশের বাড়ি’র সন্ধান পেয়েছিল কি না!

→

স্যাটা নিয়ে স্যাটায়ার

সম্প্রতি একটি দু’-অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ বাংলার নিউজাকাশে প্রবল উৎসাহে উড়ে বেড়াচ্ছে। বিবিধ জ্ঞানসূত্র অনুযায়ী, তার মানে একটাই। পশ্চাদ্দেশ। অনেকের মতে, সেটি এসেছে ‘সত্য’ থেকে। সোজা ব্যাপার, জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এটি তাপ সংযোগের প্রক্রিয়া অর্থাৎ প্রয়োজনে ঘটি গরম রাখা হবে।

→

প্রচ্ছদ কাহিনি

সম্প্রতি এনসিইআরটি প্রকাশিত পাঠ্যপুস্তকে মহেঞ্জোদারোর নগ্ন নৃত্যরতা বালিকার ছবিটি, দেহের ঊর্ধ্বাংশ ছায়া দিয়ে আবৃত করে ছাপা হয়েছে। যাঁরা এ ছবি বিকৃতভাবে উপস্থাপিত করছেন, তাঁরা কি জানেন যে ‘শালীনতা’ বজায় রাখতে গিয়ে তাঁরা সিন্ধু সভ্যতার শিল্পকলা, জীবন, নান্দনিক বোধ তথা ইতিহাসের প্রতি অবিচার করছেন?

→

রাজনীতির কীটনীতি

প্রথম যুগান্তকারী কাজটি করেছিলেন মেক্সিকান-মার্কিন লেখক অস্কার জেটা অ্যাকোস্টা, ১৯৭৩ সালে। তাঁর ‘রিভোল্ট অফ দি ককরোচ পিপল’ উপন্যাসে আরশোলারা ছিল প্রান্তিক এবং নিপীড়িত মেক্সিকান-আমেরিকান সম্প্রদায়ের প্রতীক– ‘সেই ছোট্ট প্রাণী, সবাই যাকে মাড়িয়ে চলে যায়’।

→