Robbar

সাম্প্রতিকী

প্রশ্নে নো এন্ট্রি

কর্পোরেট আসলে ‘পরিবার’ হতে চায় না, চায় শুধু এই শব্দের আবেগটা খাবলে ধরতে। না-হলে চাকরির শুরুতেই কেন দুটো স্বাভাবিক ও জরুরি প্রশ্নকে দুরমুশ করে দেবে? তৎক্ষণাৎ শাস্তি দেবে চাকরি বাতিল করে? কর্পোরেট মনে মনে বিড়বিড়াচ্ছে– এক কর্মীকে প্রত্যাখান করে সে মহা ক্ষমতাবান।

→

আমাকে আমার মতো থাকতে দাও

পৃথিবীটা যে স্রেফ মানুষ জাতটার নয়, পৃথিবীটাকে একঘেয়ে তিতকুটে করে দেওয়ার কোনও অধিকারই যে নেই, ‘প্রাইভেসি’ শব্দটা স্রেফ মানুষের নয়, প্রাণীকূলেরও রয়েছে– এই বিষয়টা আন্তরিকভাবে শরীরে-মনে গ্রহণ করা প্রয়োজন।

→

প্রশ্ন নিয়ে কিছু প্রতিপ্রশ্ন

প্রশ্নপত্রের ছাই ঘেঁটে কেউ কেউ যেন খুঁজে পায় ভাষার আগুন। যে আগুন, তারা ছড়িয়ে দিতে পারে উত্তরপত্রে। ভাইরাল জগৎ পারাবার থেকে দূরে, ওই গোপন উত্তরপত্রগুলি যেন ভবিষ্যতের পাণ্ডুলিপির বীজ হয়ে ওঠে, এইটুকু আশা।

→

এই ধর্ষণ উপত্যকা আমার দেশ না

কেউ ধর্ষক হয়ে জন্মায় না। সমাজ, রাষ্ট্র, পরিবার ধর্ষক তৈরি করে। একজন ধর্ষককে পিটিয়ে মারলে বা ফাঁসি দিলেও ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যায় না, যাবে না, যতদিন না ধর্ষক তৈরি হওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটাকে আমরা পালটাতে পারি।

→

ইভি বনাম নস্টালজিয়া

সম্ভবত ইলেকট্রিক গাড়িই ভবিষ্যৎ। হয়তো কয়েক দশক পর পেট্রোল-চালিত মোটর-সাইকেলকে মানুষ ঠিক সেইভাবেই দেখবে, যেভাবে আজ স্টিম ইঞ্জিন বা গ্রামোফোনকে দেখে– একটি সুন্দর ইতিহাস হিসেবে।

→

ভবিষ্যতের সিঁদুরে মেঘ

গবেষকদের মতে, অতীতের বহু দুর্ভিক্ষ, সামাজিক অস্থিরতা এমনকী রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গেও ‘এল নিনো’র প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। ভারতে উনিশ শতকের দুর্ভিক্ষ, চিনের খাদ্য সংকট এবং ব্রাজিলের দীর্ঘস্থায়ী খরায় লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল। যদিও শুধুমাত্র ‘এল নিনো’ দায়ী নয়, তবে এই জলবায়ুগত অবস্থা পরিস্থিতিকে বহুগুণ জটিল করে তুলেছিল।

→

শেষযাত্রার রিহার্সাল

বিহারের অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মী মোহনলাল নিজের মৃত্যুর রিহার্সাল ও শেষকৃত্য নিজেই সেরে নিলেন! কেন এমন কাণ্ড করেছেন জিজ্ঞেস করায় তাঁর উত্তর– ‘জানতে চেয়েছিলাম মানুষ আমাকে কতটা সম্মান দেয় ও স্নেহ করে।’ তবে কি বর্তমান একাকিত্বের যুগে মানুষ স্বীকৃতি খুঁজছে, এমনকী মৃত্যুর বিনিময়েও?

→

নহ নেতা, নহ চিন্তক, তুমি সামান্য নারী

মহিলা রাজনীতিবিদ হলেই তার প্রেম, যৌনতা বা চুম্বন নিয়ে অনায়াসে বক্তব্য রাখা যায়, যা একজন পুরুষ নেতার সম্পর্কে আমাদের মাথাতেও আসে না। মোদি-মেলোনি মিম, তাদের বারান্দা-সেলফি বা জেলেনেস্কির সাথে আলিঙ্গন আবারও একবার প্রমাণ করিয়ে দেয় যে, আমরা সকলেই আদতে একটা মেল গেজের মধ্যে রয়েছি।

→

মব চরিত্র কাল্পনিক

ভিড় সম্পর্কে এক গভীর সত্য উচ্চারণ করেছিলেন জীবনানন্দ– ভিড়ের হৃদয় নেই। সত্যিই নেই। ভিড়ের কোনও বিবেক নেই, কোনও দায়বদ্ধতা নেই, কোনও ব্যক্তিগত নৈতিকতা নেই। একজন মানুষ একা থাকলে যে কাজটি করতে লজ্জা পাবে, যে কাজটি করতে তার বিবেক বাধা দেবে, সেই মানুষই ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে অবলীলায় নিষ্ঠুর হয়ে উঠতে পারে।

→

পহলে দর্শনধারী?

কারও চরিত্রের বাহ্যিক আড়ম্বরে মানিয়ে নেওয়ার কথা আদৌ কোনওদিন অভিনেতার ছিলই না। তার কাজ ছিল অভ্যন্তরীণ। অনেক বেশি করে তার কাজ ছিল মননে আর চিন্তায় চরিত্রের কাছাকাছি পৌঁছনো। সে হোক না বায়োপিক, শেষ অবধি তা আরও এক নিতান্ত চরিত্র বাদে কিছু না। কেনই বা অভিনয়ের নামে ‘গো-অ্যাজ-ইউ-লাইক’ খেলতে যাবে এক অভিনেতা!

→