

মহিলা রাজনীতিবিদ হলেই তার প্রেম, যৌনতা বা চুম্বন নিয়ে অনায়াসে বক্তব্য রাখা যায়, যা একজন পুরুষ নেতার সম্পর্কে আমাদের মাথাতেও আসে না। মোদি-মেলোনি মিম, তাদের বারান্দা-সেলফি বা জেলেনেস্কির সাথে আলিঙ্গন আবারও একবার প্রমাণ করিয়ে দেয় যে, আমরা সকলেই আদতে একটা মেল গেজের মধ্যে রয়েছি।
ভিড় সম্পর্কে এক গভীর সত্য উচ্চারণ করেছিলেন জীবনানন্দ– ভিড়ের হৃদয় নেই। সত্যিই নেই। ভিড়ের কোনও বিবেক নেই, কোনও দায়বদ্ধতা নেই, কোনও ব্যক্তিগত নৈতিকতা নেই। একজন মানুষ একা থাকলে যে কাজটি করতে লজ্জা পাবে, যে কাজটি করতে তার বিবেক বাধা দেবে, সেই মানুষই ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে অবলীলায় নিষ্ঠুর হয়ে উঠতে পারে।
কারও চরিত্রের বাহ্যিক আড়ম্বরে মানিয়ে নেওয়ার কথা আদৌ কোনওদিন অভিনেতার ছিলই না। তার কাজ ছিল অভ্যন্তরীণ। অনেক বেশি করে তার কাজ ছিল মননে আর চিন্তায় চরিত্রের কাছাকাছি পৌঁছনো। সে হোক না বায়োপিক, শেষ অবধি তা আরও এক নিতান্ত চরিত্র বাদে কিছু না। কেনই বা অভিনয়ের নামে ‘গো-অ্যাজ-ইউ-লাইক’ খেলতে যাবে এক অভিনেতা!
৭০ বছরের এপার-ওপার মিলিয়ে দিচ্ছে রোজিনা ও টোবা টেক সিং-কে। মিলিয়ে দিচ্ছে জন লেননের ইমাজিন গানটাকে। কত কথা! কত আলোচনা! কিন্তু এই আশ্চর্য সময়ে সব কিছুই বড় ক্ষণস্থায়ী। রোজিনাকে আমরা হয়তো ভুলে যাব। আমাদের হয়তো জানা হবে না, সে তার ‘দেশের বাড়ি’র সন্ধান পেয়েছিল কি না!
সম্প্রতি একটি দু’-অক্ষর বিশিষ্ট শব্দ বাংলার নিউজাকাশে প্রবল উৎসাহে উড়ে বেড়াচ্ছে। বিবিধ জ্ঞানসূত্র অনুযায়ী, তার মানে একটাই। পশ্চাদ্দেশ। অনেকের মতে, সেটি এসেছে ‘সত্য’ থেকে। সোজা ব্যাপার, জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এটি তাপ সংযোগের প্রক্রিয়া অর্থাৎ প্রয়োজনে ঘটি গরম রাখা হবে।
সম্প্রতি এনসিইআরটি প্রকাশিত পাঠ্যপুস্তকে মহেঞ্জোদারোর নগ্ন নৃত্যরতা বালিকার ছবিটি, দেহের ঊর্ধ্বাংশ ছায়া দিয়ে আবৃত করে ছাপা হয়েছে। যাঁরা এ ছবি বিকৃতভাবে উপস্থাপিত করছেন, তাঁরা কি জানেন যে ‘শালীনতা’ বজায় রাখতে গিয়ে তাঁরা সিন্ধু সভ্যতার শিল্পকলা, জীবন, নান্দনিক বোধ তথা ইতিহাসের প্রতি অবিচার করছেন?
প্রথম যুগান্তকারী কাজটি করেছিলেন মেক্সিকান-মার্কিন লেখক অস্কার জেটা অ্যাকোস্টা, ১৯৭৩ সালে। তাঁর ‘রিভোল্ট অফ দি ককরোচ পিপল’ উপন্যাসে আরশোলারা ছিল প্রান্তিক এবং নিপীড়িত মেক্সিকান-আমেরিকান সম্প্রদায়ের প্রতীক– ‘সেই ছোট্ট প্রাণী, সবাই যাকে মাড়িয়ে চলে যায়’।
বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসেবে ভারতে চলবে হাইড্রোজেন ট্রেন। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি দূষণমুক্ত, শান্ত এবং গতিশীল রেল পরিষেবা উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে কি এই সবুজ প্রযুক্তি ভারতের বুকে এক নতুন যুগের সূচনা করতে চলেছে?
আমাদের দেশে গর্ভবতী মায়েদের পরিচর্যায় তৈরি হয়েছে হরেকরকম গার্হস্থ্য রেওয়াজ। কিন্তু সেই সুরক্ষা বলয় ক্রমশই শিথিল হয়ে যায় সন্তান একবার ভূমিষ্ট হয়ে গেলে। গ্রামীণ, অতি সাধারণ বাড়ির মহিলারাই শুধু নয়, যে-মহিলারা অতি সম্ভ্রান্ত পরিবার থেকে আসে, তারাও কি অনুভব করে না গর্ভবতী আর প্রসূতি হওয়ার পার্থক্য?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved