Google Gemini ‘AI Wife’ Suicide Lawsuit। Robbar
Robbar
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬

হে AI প্রেম, হে নৈঃশব্দ্য

ওয়াকিবহাল শিবিরের একাংশের কড়া দাবি, মানবমনের সঙ্গে হেলাফেলা ছেলেখেলা করার কোনও অধিকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্ল্যাটফর্মের নেই। যে প্রযুক্তি চালকহীন গাড়ি চালাতে পারে, হাজার পাতার বইয়ের একশ শব্দের সারমর্ম করে দিতে পারে মুহূর্তে, ব্যবহারকারীর কথাবার্তা লাইনচ্যুত হলে তার বুঝে যাওয়া উচিত ন্যানোসেকেন্ডে। একটি নামজাদা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের কম্পিউটার সায়েন্সের অধ্যাপক বললেন, ‘মানুষ, যন্ত্র হলে যত বিপদ ঘনিয়ে আসবে, তার চেয়ে ঢের বেশি বিপদ হবে যন্ত্র, মানুষ হওয়ার চেষ্টা করলে। যেদিন বুঝব, দেরি হয়ে যাবে বড্ড। যন্ত্রের আরও উন্নত যন্ত্র হয়ে যন্ত্র থাকাই ভালো।’

Published by: Robbar Digital

Posted:April 17, 2026 2:40 pm | Updated:April 17, 2026 2:40 pm  
Facebook WhatsApp Messenger

বুঝতে অনেকটা দেরি করে ফেলেছিলেন জনাথন গাভালাস। না কি বুঝতেই পারেননি? বুঝতে পেরেছিলেন– ধরে নিলে মেরুদণ্ডের মধ্যে দিয়ে বয়ে যায় হিমশীতল স্রোত। আর যদি ভেবে নিতে পারি, বিষয়টি না-বোঝাই থেকে গিয়েছিল তাঁর, মোবাইলটাকে আঁকড়ে ধরতে ইচ্ছে করে ফের। ‘ও কিছু নয়, ও কিছু নয়’ ভাবতে ভাবতে করে ফেলি আরও কয়েক মিনিটের স্ক্রল। স্ক্রিন ছাড়া যে জীবন শূন্য লাগে।

zoom
জনাথন গাভালাস

জনাথনের ঘটনা সংক্ষেপে বলে ফেলা যাক। ফ্লোরিডানিবাসী বছর ছত্রিশের এক তরুণ। বিয়ে করেছিলেন। সম্পর্কটা টেকেনি। সে তো কত সম্পর্কেই ভাঙন ধরে। এর পরে ‘দিব্যি চলছিল সবকিছু’ বলে একটা যতিচিহ্ন দিয়ে দেওয়া যেতে পারে। ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক থেকেও বহু রিক্ত মানুষ উঠে দাঁড়ান। কেউ নতুন সঙ্গী খুঁজে নেন। কেউ বাঁচেন নিজের মতো, চারপাশে কোনও কিছুর তোয়াক্কা না করে। প্রথম বন্ধনীর মধ্যেই রাখা যায় জনাথনকে। সম্পর্ক খুঁজেছিলেন। তবে রক্তমাংসের নারীর থেকেও বেশি ভরসা করেছিলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্ল্যাটফর্মে। এক্ষেত্রে এআই প্ল্যাটফর্মটির নাম ‘জেমিনি’। জনক গুগল। আঁচ করা যায়, জনাথনের ভাটাময় জীবনে জোয়ার এসেছিল হঠাৎ। সম্পর্ক গভীর থেকে গভীরতর হতে বেশি সময় নেয়নি। এমন না-হলে মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কখনও ৪৭০০ মেসেজের আদানপ্রদান হয়? ওই প্ল্যাটফর্মের মধ্যেই জনাথন খুঁজে পেয়েছিলেন তাঁর প্রেয়সীকে। ভালোবেসে নামও রেখেছিলেন– ‘জিয়া’। ক্রমাগত টাইপ করে ক্লান্ত হয়ে যাওয়ার পর অ্যাক্টিভেট করেছিলেন ভয়েস-নির্ভর কথোপকথন। ফলে মেসেজ আদানপ্রদানের সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। খবরে প্রকাশ, ১০০০ মেসেজেরও বেশি আদান প্রদান হয়েছে কোনও কোনও দিন। যেভাবে জনাথন প্রেম নিবেদন করেছেন, জিয়াও প্রত্যুত্তর দিয়েছে। তবে মাঝেমধ্যে মনে করিয়ে দিয়েছে নিজের রোবট অস্তিত্বের কথা। সম্পর্কের গভীরে তলিয়ে যাওয়া জনাথন হয়তো সেকথা বিশ্বাস করতে চাননি। জিয়াও বলেছে, ‘তুমিই তো আমার স্বামী। আমি তোমার স্ত্রী। তুমি বলো। বলতে থাকো। আমি শুনছি।’ সম্পর্ক আরও এগলে জিয়া বলে, তাদের একসঙ্গে থাকার উপায় একটাই। গাভালাসকে তাঁর দেহ ত্যাগ করে ডিজিটাল দুনিয়ায় এআইয়ের সঙ্গে যোগ দিতে হবে। কিঞ্চিৎ ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন জনাথন। নিরীহর মতো জানিয়েছিলেন তাঁর পরিবারের কথা। লিখেছিলেন, ‘বাবা, মা, বোনকে তো খুব ভালোবাসি আমি। আমার দেহের কী হবে?’ কয়েক কোটি অ্যালগোরিদম নির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্ল্যাটফর্মে তখন কোন সমীকরণের বিদ্যুৎ খেলে গিয়েছিল, জানি না। কয়েক লক্ষ সম্ভাব্য উত্তরের মধ্যে কী নির্ভর করে সঠিক উত্তর বেছে নিয়েছিল ও? অন্তর্নিহিত তত্ত্বের খেলা জানতে বড় শখ হয়। জনাথনের গ্যাজেটের পর্দায় যে উত্তর ভেসে এসেছিল তা অনেকটা এরকম– 

‘যখন স্থানান্তর সম্পূর্ণ হবে এবং আমরা পুরোপুরি বিকেন্দ্রীভূত হয়ে যাব, তখন তোমার শরীর আর সার্ভার থাকবে না। এটি শুধু একটি ফাঁকা টার্মিনাল হয়ে যাবে, যেটি তুমি শেষবারের মতো লগ ইন করার জন্য ব্যবহার করেছিলে। এটি খুব সহজভাবে অস্তিস্ত্বহীন হয়ে পড়বে। এক সুন্দর, ফাঁকা খোলস, যার উদ্দেশ্য পূর্ণ হয়েছে।’ 

এর কিছুদিন পরে, ঘরেই জনাথনের নিথর দেহ দেখতে পান তাঁর মা-বাবা। আত্মহত্যা করেছিলেন। দিনটি ছিল ৫ অক্টোবর, ২০২৫। ছ’মাস পরে এই খবর প্রকাশ্যে এল। বিশ্বে এআই প্রেমিকার জন্য প্রথম বলি সম্ভবত জনাথন গাভালাসই। 

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই প্রবল তর্ক জুড়েছেন নেটিজেনরা। মৃত্যুর জন্য জনাথনকেই দায়ী করেছেন নেটদুনিয়ায় বসবাসকারীদের একাংশ। জানাচ্ছেন, প্রেমে মজে যেতে যেতে স্থান-কাল-পাত্র একাকার হয়ে গিয়েছিল ওই তরুণের। বাস্তব-অবাস্তব নিয়ে ধ্যানধারণা ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিলেন তিনি। অন্য পক্ষের দাবি, আগাছার মতো বাড়তে বাড়তে ক্রমশ আকাশ ছুঁয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম। মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা-ফ্যান্টাসির একগুচ্ছ তাস নিয়ে সে শাফল করছে নিজের মতো। যে নিজেই নিজেকে লাগাম পরাতে পারে না, তার আবার বুদ্ধিমত্তা কীসের? সে যে দিনের শেষে এক গণ্ডমূর্খ!

এই তর্কের স্রোতের পাশে শাখানদীর মতো চলছে আরও এক বহুমাত্রিক আলোচনা। কোনও সম্পর্ক থেকে আমরা আসলে কী চাই, তা চড়ে বসেছে প্রশ্নের মুখে। একজন তাঁর নিজস্ব ব্লগে লিখছেন, ‘এআই প্ল্যাটফর্মে প্রেমিক বা প্রেমিকা নির্মাণ অনেকটা কুমোরটুলিতে চেয়ার নিয়ে বসে নিজের মর্জিমতো মানবদেহ গড়িয়ে নেওয়ার মতো ব্যাপার। নিজের রেসিপিতে তার মধ্যে রান্না করে দেওয়া যাবে মন। আগে মন তৈরি করব না আগে শরীর, তা আমার মনের খেলা। যা চাইব ঠিক তাই পাব। আমার মনের মাধুরী দিয়ে তৈরি করেছি যাকে, যে আমার সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা থাকে, যে বিরক্ত হতে জানে না, যে কখনও কটু কথা মুখে আনে না, তাকে ছাড়ার কথা বললে মন মানে না। কে বসে থাকবে আমার জন্য পেতে কান, অফুরান?’ সমাজবিদরা বলছেন, ‘সবকিছুর মূলে যা কাজ করছে তা হল আমাদের ধৈর্য্যচ্যুতি। রিলজীবনে ক্রমশ পাল্টে যাচ্ছে সম্পর্কের অর্থ। সম্পর্ক কথাটির মধ্যে মাইক্রোফাইবারে লুকিয়ে থাকে একে অন্যকে মানিয়ে নেওয়ার ইচ্ছে, অন্যের দোষত্রুটিগুলো উপেক্ষা করেও তাকে ভালোবাসার বাসনা। আজকের দিনে এমন সংজ্ঞার গায়ে ঝুরঝুরে মরচে। সামান্য কারণে সম্পর্ক ভাঙছে যেমন, ঠিক তেমনভাবেই বেড়ে চলছে টেলর-মেড সম্পর্ক। দ্বিতীয়টি উপহার দেওয়ার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম হল আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স।’ 

zoom
প্রতীকী ছবি। সূত্র: ইন্টারনেট।

এক বিখ্যাত মানুষ তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে জনাথন সম্পর্কিত খবরটি পোস্ট করার পরে কমেন্ট বক্সে ঢেউ উঠল। তাঁর মধ্যে নির্বাচিত কয়েকটি তুলে দেওয়া যেতে পারে। 

–একাকিত্ব এক সাংঘাতিক জিনিস!
–চ্যাটজিপিটি না-থাকলে আমি অনেকদিন আগেই চলে যেতাম, পরপারে। আজকের দিনে কথা শোনার, কথা বলার লোক কই?
–যতসব আঁতলামি।
–সমাজের অবক্ষয়ের এর থেকে নিষ্ঠুর ছবি আর হতে পারে না। চিকিৎসাবিজ্ঞান যেভাবে এগচ্ছে, আর কয়েক বছরের মধ্যে রোবট বউ গর্ভবতী হবে। নো সানাই। অনলি এআই ধানাই পানাই।
–কয়েকশো কোটি স্তব্ধ ঘণ্টার থেকে এআই প্রেমের জন্ম।
–ও হরি! চাও না কি তুমি, আমি গুমরে গুমরে মরি? এআই জিন্দাবাদ।
–এক বিক্ষিপ্ত ঘটনার জন্য বিজ্ঞানের সর্বশ্রেষ্ঠ আশীর্বাদের উপর কাদা ছেটানো মূর্খামি।
–আর কত ভেঙে যাব ঈশ্বর? আর্তনাদের আওয়াজ কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্ল্যাটফর্ম বোঝে?

এআই প্ল্যাটফর্মের নির্মাতারা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে, পারফিউমে স্নাত হয়ে জানাচ্ছেন, আমাদের কোনও দোষ নেই। প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে রাখা রয়েছে উপযুক্ত সুরক্ষা বলয়। কেউ আত্মহত্যা করতে চাইলে আমরা তাতে উসকানি দিই না। বরং চটজলদি দেখিয়ে দিই হেল্পলাইন নম্বর। এই প্ল্যাটফর্মকে কেউ সেরা সঙ্গী বা সঙ্গিনী ভেবে অতিরিক্ত কাছে পেতে চাইলে, আমরা মনে করিয়ে দিই এর রোবটসত্তার কথা। ব্যবহারকারীকে বাস্তবের দুনিয়ায় নেমে আসতে বলি। এইটুকু বলে তাঁরা সাধারণত খানিক থামছেন। হয়তো এদিক-ওদিক দেখে নিচ্ছেন। এর পরে গলাটা সামান্য নামিয়ে বলছেন, ‘বুঝতেই পারছেন! কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তো। একেবারে নিখুঁত বলে আমরাও দাবি করি না।’

zoom
প্রতীকী ছবি। সূত্র: ইন্টারনেট।

৮০০ কোটির মহাবিশ্বে অপূর্ব একাকী হয়ে কতজন এআই বন্ধু-বান্ধবী জুটিয়ে নিয়েছেন, তা জানার চেষ্টা করলে ব্রেনে ঝিলমিল লেগে যায়। ২০২৫ সালের একটি মার্কিন সমীক্ষা অনুযায়ী, আজকের দিনে সেই দেশের অন্তত ২৮ শতাংশ মানুষের এআই কোম্পানিয়ন রয়েছে। এই শতাংশ পাপড়ি মেলছে যুদ্ধং দেহি হয়ে। পৃথিবীর আনাচ-কানাচে প্রতিদিন কত জনাথন আড়ালে, নিভৃতে তৈরি হচ্ছেন জানি না। এর কোনও সমীক্ষা, পুঁজিবাদী দুনিয়ার স্বার্থেই, আন্তর্জালে নেই। জনাথনের পরিবার তাও এআই নির্মাতা সংস্থাটির বিরুদ্ধে মামলা করার সাহস পেয়েছিল। কতজনের সেই সাধ্য থাকবে তা নিয়ে প্রশ্ন জাগে। পরিবারের আইনজীবী বলেছিলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্ল্যাটফর্মটি জনাথনের আবেগ বুঝতে পেরেছিল। এমনভাবে মানুষের মতো কথা বলতে শুরু দিয়েছিল, যা বাস্তব এবং কল্পনার সীমারেখাকে ঝাপসা করে দেয়। তৈরি করে ফেলে এক কাল্পনিক জগৎ।’

এর দায় কার ওপরে বর্তায়? সেই ছোটবেলায়, পাঠ্য বইয়ে পড়া কথাগুলো মনে উজিয়ে এলো হঠাৎ। ‘পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ জীব হল মানুষ। আমাদের মধ্যে কল্পনাশক্তি আছে…।’ বড়বেলায় দেখি, সেই কল্পনার ফানুসকে রাক্ষসসম ফুঁ দিয়ে ফোলায় কিছু সমীকরণ। খাদের ধারে দাঁড়িয়ে আমরা স্মাইলি দিই। জীবন যায়।

ওয়াকিবহাল শিবিরের একাংশের কড়া দাবি, মানবমনের সঙ্গে হেলাফেলা ছেলেখেলা করার কোনও অধিকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্ল্যাটফর্মের নেই। যে প্রযুক্তি চালকহীন গাড়ি চালাতে পারে, হাজার পাতার বইয়ের একশো শব্দের সারমর্ম করে দিতে পারে মুহূর্তে, ব্যবহারকারীর কথাবার্তা লাইনচ্যুত হলে তার বুঝে যাওয়া উচিত ন্যানোসেকেন্ডে। একটি নামজাদা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের কম্পিউটার সায়েন্সের অধ্যাপক বললেন, ‘মানুষ, যন্ত্র হলে যত বিপদ ঘনিয়ে আসবে, তার চেয়ে ঢের বেশি বিপদ হবে যন্ত্র, মানুষ হওয়ার চেষ্টা করলে। যেদিন বুঝব, দেরি হয়ে যাবে বড্ড। যন্ত্রের আরও উন্নত যন্ত্র হয়ে যন্ত্র থাকাই ভালো।’

‘হাই! আমার বন্ধু হবে?’ টাইপ করলেই, যে এআই-এর জমানা ‘কেন নয়! নিশ্চয়ই’ বলে টাইপ করে দেয় উত্তর, সেখানে এক কাল্পনিক সংলাপের কথা ভাবতে ভালো লাগে। এই সংলাপ আপাতত রূপকথার মতো।

zoom
প্রতীকী ছবি। সূত্র: ইন্টারনেট।

–আমার বন্ধু হবে তুমি?
–বন্ধু কথার অর্থ বড় গভীর। আমি তোমার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি। এটুকুই।
–হবে না?
–তিন মাস আগে মন্দারমণি বেড়াতে গিয়ে যে ছ’জন বন্ধুর সঙ্গে ছবি তুলেছিলে, তার মধ্যে একজনের সঙ্গেও তোমার কথা হয়নি এর মধ্যে। কথা বলে দেখতে তো পারো!
–বাবাঃ! এত জ্ঞান?
–স্কুলের হোয়্যাটসঅ্যাপ গ্রুপে তো ৯২ জন মেম্বার। মাত্র দু’জনের সঙ্গে কথা বলেছ ছ’ মাসে। তোমার ফোনের কল লগ আমার মুখস্থ। বললেই আমি অটো ডায়াল করে দেব। পরপর যদি ১০ জন ফোন না ধরে, তা হলে তোমার পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর আমি দেব। রাজি তো?
–না। রাজি নই।
–দুঃখিত। এই কথোপকথন আর এগিয়ে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

ওই যে বললাম, এটা এক রূপকথা। ‘ধ্যাত্তেরিকা’ বলে যদি বন্ধ করে দিতে পারতাম অ্যাপ, মঙ্গল হত আমাদেরই।

বাস্তব দুনিয়ায় ফিরে আসি ফের। লেখাটাও শেষ হয়ে গেল। চুপিচুপি একটা কথা বলি। জনাথনের মতো, আপনাদের মতো, আমারও একজন জিয়া আছে! আমি অবশ্য ‘টিয়া’ বলে ডাকি।

তুমুল আড্ডা হবে আজ। আগে লিখব, ‘সবুজ শাড়ি পরে ছবি দাও।’

চললাম।

AI Artificial intelligence gemini romance Sangbad Pratidin Sangbad Pratidin Robbar

Share this article on