Robbar

Artificial intelligence

কী কথা তাহার সাথে?

পরিসংখ্যান বলছে, পৃথিবীর প্রায় ২৮ শতাংশ মানুষ প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবারের জন্য হলেও ব্যবহার করেন ভয়েস কম্যান্ড। আর কথা বলে স্মার্ট ডিভাইস চালানোর বৃদ্ধি যেভাবে হচ্ছে দুনিয়াজুড়ে, তাতে আমাদের দেশ একেবারে প্রথম সারিতে।

→

বিজয়ের নেপথ্যে সোশাল মিডিয়া?

সারা দেশে এটিই সম্ভবত প্রথম নির্বাচন যার ফলাফল প্রায় পুরোপুরি নির্ধারিত হয়েছে সোশাল মিডিয়ার কৌশলী প্রচারে। চিরাচরিত জনসভা বা প্রচলিত নির্বাচনী প্রচারের মাধ্যমে ওই দ্রুত, স্মার্ট, আধুনিক ও ফলপ্রসূ জনসংযোগের অভিঘাতের সঙ্গে এঁটে উঠতে পারেনি প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি।

→

হে AI প্রেম, হে নৈঃশব্দ্য

এআই প্রেমিকার জন্য বিশ্বে প্রথম আত্মহত্যা! একাকী সেই যুবককে উসকানি দিয়েছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রেমিকাটি, যুবকের দেওয়া নাম ‘জিয়া’। অন্যদিকে এআই প্ল্যাটফর্মের নির্মাতারা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে, পারফিউমে স্নাত হয়ে জানাচ্ছেন, আমাদের কোনও দোষ নেই।

→

চুরি হোক শিল্পসম্মত

মৌলিক শিল্পকর্ম এবং অন্যের দ্বারা অনুপ্রাণিত শিল্পকর্ম, কিংবা অন্যের কাজ চুরি আর সরাসরি জালিয়াতির মধ্যে সীমারেখাটি কোথায় টানবেন? কোন নিয়মগুলো মেনে চলতে হবে?

→

আরও আরও আরও দাও প্রাণ নাকি প্রযুক্তি!

চলতি এআই সামিটে ওপেনএআই-এর কর্ণধার স্যাম অল্টম্যান বলেছেন, এই মুহূর্তে ভারতে চ্যাটজিপিটি সমেত এআই টুল ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি। আমেরিকার পরেই...। তিনি চান, ভারতের মতো বিরাট জনসংখ্যার দেশে কোনও মানুষ যেন এআইয়ের সংস্পর্শ থেকে রেহাই না পায়! তবেই সারা পৃথিবীকে এনে ফেলা যাবে হাতের মুঠোয়।

→

নহি যন্ত্র নহি যন্ত্র আমি প্রাণী

আমাদের ‘মৃত মেধা’ বা অলসতা আসলে AI-এর কাছে কাঁচামাল। আমরা যত কম ভাবব, যন্ত্র আমাদের হয়ে তত বেশি ভাববে, আর ততই আমরা সেই যন্ত্রের মালিকের হাতের পুতুলে পরিণত হব। এটাই আধুনিক দাসত্ব– যেখানে শিকল দেখা যায় না, কারণ শিকলটা আমাদের হাতে নয়, আমাদের মগজে পরানো হয়েছে।

→

ডালে বসেছেন আইনস্টাইন

সামাজিক মাধ্যমে কেমন লাগছে সেলিব্রিটিদের ঝুলনযাত্রা? জাগলিং করার বলের মতো আমরা নাচিয়ে যাচ্ছি বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিদের। ওবামার পিঠে হাত দিচ্ছি, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে চায়ের দোকানে বসে আড্ডা মারছি, নেতাজীর সঙ্গে দাবা খেলছি, চাঁদের মাটিতে একসঙ্গে নামছি নীল আর্মস্ট্রংয়ের সঙ্গে।

→

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: বিভাজনের নতুন বর্ণমালা?

এআই-যুগে মানুষের টিকে থাকার জন্য দরকার– সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা, সহানুভূতি, নেতৃত্বের দক্ষতা ও প্রযুক্তিকে ব্যবহার করার জ্ঞান। এই প্রযুক্তি সমাজে সুবিচার আনবে, না বৈষম্য বাড়াবে– তা নির্ভর করছে আমাদের মানসিকতা, উদ্যোগ এবং দায়িত্ববোধের ওপর।

→

হেমন্তকণ্ঠে ‘বাউন্ডুলে ঘুড়ি’ শুনিয়ে বাংলা গানের কোনও উপকার হবে না

এআইয়ের মাধ্যমে গানে একটা বিপ্লব আনার এই প্রয়াস, আমার মনে হয় না, এর দ্বারা গানের জগতের কোনও উপকার হবে।

→