Robbar

Abanindranath Thakur

পুলকবেদনা জাগানো অবন-গগন সমন্বয়

তথ্যভ্রান্তি! দ্বিতীয় সংস্করণেও? অবন-গগন ঠাকুরকে নিয়ে, তাঁদের শিল্পচর্চা প্রসঙ্গে লেখা বই এত ভুলেভরা হবে কেন? প্রশ্নটি সহজ, উত্তর সম্ভবত ততটা সহজ নয়।

→

কলকাতায় যখন ক্যামেরা এসেছিল শিল্পীরা তখনও সংকটে পড়েননি

ছবির ভাবের সঙ্গে চিত্রশিল্পীর নিজস্ব ভাব মিশে থাকে, সেই ব্যাপারে ক্যামেরার যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তা নিয়ে শিল্পীদের কোনও দ্বিমত ছিল না। ভারতশিল্পের অন্যতম রূপকার নন্দলাল বসু রাখঢাক না-করেই বলেছিলেন, ‘ক্যামেরা যন্ত্রমাত্র, হৃদয় ও বুদ্ধি নাই বলে তাতে প্রকৃতিতে যা আছে তার নিখুঁত ডিটেল উঠে মাত্র।’

→

ক্ষয় ও সৃষ্টির অনন্তচক্র ধরা পড়ে বিকাশ ভট্টাচার্যর বিসর্জনের ক্যানভাসে

বিসর্জন এক অবধারিত মুহূর্ত। প্রতিমা নদীতে নামানো হয়, ভেঙে যায়, জলে মিশে যায়। কিন্তু এই ক্ষয়ের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে নতুন সৃষ্টির ইঙ্গিত। প্রতিমার মাটি নদীর কাদায় মিশে যায়, সেই মাটি দিয়েই গড়া হয় পরের বছরের প্রতিমা। বিকাশ ভট্টাচার্যের ক্যানভাসে এই দ্বৈততা প্রবল।

→

ছাত্র রেবতীভূষণকে ‘কুইক আর্টিস্ট’ তকমা দিয়েছিলেন অবনীন্দ্রনাথ

খাটের পাশে, টেবিলের ওপর রাখা একটা পোস্টকার্ড– সেখানে কিছুই লেখা নেই। আর একটাতে বড় একটা জিজ্ঞাসা চিহ্ন। সেটা দেখাতে হো হো করে হেসে বললেন– ‘শিব্রাম বাবুর চিঠি, বহুদিন খোঁজ না পেলে এইরকম চিঠি দিতেন।’

→

জলে, স্থলে, অন্তরিক্ষে যে বাহনের অবাধ বিচরণ

বাংলায় হাঁস শিল্প, সাহিত্য থেকে শুরু করে দামি কল, বই প্রকাশনা সংস্থার নাম– সর্বত্রগামী। হাঁসকে প্রতীক করে নিয়ে সবচেয়ে ভালো ব্রান্ড ডাকব্যাক। হাঁসের তৈলাক্ত পাখায় যেমন জল দাঁড়ায় না, রেনকোটও তেমন জল প্রতিরোধ করে। অপূর্ব মিল। সবচেয়ে মজার হল ডাকব্যাকের লোগোতে কোনও হাঁসের ছবি নেই।

→

দাঁড় আছে, পাখি নেই, এই শূন্যতা অবনীন্দ্রনাথের

আজ অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মতিথি। সুশোভন অধিকারীর ‘ছবি-আঁকিয়ে অবন ঠাকুর’ বইটি নিয়ে রইল মৃদু আলাপ-আলোচনা।

→

গুরু অবন ঠাকুরের বিপরীতে হেঁটেও নন্দলাল হয়ে উঠেছিলেন ‘মাস্টারমশাই’

‘শিক্ষক দিবস’-এ ‘মাস্টারমশাই’ নন্দলাল বসুকে নিয়ে লিখছেন সুশোভন অধিকারী।

→