Robbar

bengali poet

কবির জাদুবাস্তব গৃহনির্মাণ

এই গদ্য যেমন ‘স্পষ্ট, সরল এবং অকৃত্রিম’, তেমনই ‘মায়াবী অথচ স্বাধীন এক দুঃসাহস’। ছোট এক গদ্যাংশে পাশাপাশি ‘চালের কারবার’, ‘রান্নাঘর’, ‘খাটা পায়খানা’ এবং ‘ভাঙা ফুলের টব’। ঠিক যেমনটা বাস্তবের পৃথিবীতে তাদের সহাবস্থান। ‘সভ্য’ মানুষ যাকে আলাদা রাখতে ‘সামাজিক স্বাচ্ছন্দ’ বোধ করে। কিন্তু কবির সে দায় নেই।

→

বাংলা কবিতায় নারীর যৌন-স্বর

কবিতায় নারীর যৌন-স্বর বিষয়ে যশোধরা রায়চৌধুরী ও রূপক বর্ধন রায়ের কথোপকথন; একটা সময়ের বাংলা কবিতায় মেয়েদের ‘আত্ম-শরীর-অন্বেষণ’ প্রসঙ্গে কথা বলতে বলতে নানা পথ ঘুরে উঠে এল অনালোচিত কবি রমা ঘোষের কবিতা। এল কবিতা সিংহ, শ্বেতা চক্রবর্তী, মিতুল দত্ত প্রমুখ কবিদের প্রসঙ্গও।

→

প্রসূনের উত্তর কোলকাতা কোনও বিশেষ স্থান নয়, একটা অন্তর্লীন জীবন

নগরজীবনকে নিয়ে কবিতা লেখা প্রসূনের কাছে ‘দুঃসাধ্য’। তাই নগরজীবন নিয়ে কবিতাকে ‘আধুনিক’ বলে আসলে আধুনিক কবিতার চিরায়ত ঘাড়ে-চেপে-বসা ভূতটিকে ছাড়াতে চান। প্রসূনের উত্তর কলকাতার কেন্দ্রে বসে লেখা কবিতাজগৎ বঙ্গীয় আধুনিকতার সেই দীর্ঘ প্রতিষ্ঠিত প্রতিমার সুতো সন্তর্পণে কেটে বেরিয়ে আসে।

→

মল্লিকার মল্লিকা নির্মাণ

মল্লিকা সেনগুপ্ত সেই ১৯৮০-র দশকের কবি, যে দশককে রাজনীতিকদের মতো জন্মবৃদ্ধ বাংলা কবিতার পুরুষেরা অগ্রাহ্য করতে চেয়েছিলেন। আধুনিকতার দাগিয়ে দেওয়া আগমার্কা মার্কসবাদীদের শ্রেণীশত্রুর রক্ত নয়। মল্লিকা আরও আগে মার্কসকেই প্রশ্ন করেছিলেন– ‘শ্রেণীহীন রাষ্ট্রহীন আলো-পৃথিবীর সেই দেশে/ আপনি বলুন মার্কস, মেয়েরা কি বিপ্লবের সেবাদাসী হবে?’

→

অগ্রন্থিত শক্তির শক্তি

আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে সবাইকে তাজ্জব করে দিয়ে হাজির হয়েছিলেন ‘অগ্রন্থিত’ এক ‘শক্তি চট্টোপাধ্যায়’! কবিতা নয়, কবি স্বয়ং। কারণ তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন তাঁর ‘আমি’র আর কোনও অস্তিত্ব নেই, বিবরণ নেই, সত্তাভেদ নেই, একমাত্র তাঁর কবিতা ছাড়া। তিনি নিজেই দীর্ঘ এক কবিতা। অগ্রন্থিত।

→

শীতের প্রার্থনা, বসন্তের উত্তর: একদিন অথবা চিরদিন

এই কাব্যগ্রন্থের শীত দুঃসহ, রিক্ত, জীর্ণ পাতা ঝরাবার বেলা নিশ্চয়ই। আবার মনে হয় কবিজীবনের দিকে তাকালে মধ্যবয়সের এক অকাল বৈধব্য। আবার এই শীত জন্মান্তর। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে নতুন বীজের বসন্তের বার্তা।

→

শক্তির ‘হেমন্তের অরণ্যে আমি পোস্টম্যান’ কবিতাটা প্রথম তাঁর পত্রিকায় ছাপিয়েছিলেন বুদ্ধদেবই

কবিতা চাইতে এসে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকেও বেজায় ঘুরিয়েছিলেন শক্তি। আমাদের অন্তরঙ্গতা ছিল পারিবারিক। বাড়িতে আসতেন। খেতেন লিকার চা। শক্তির সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পাওয়ার দিন, সবার আগে বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনিই।

→