Robbar

Bengali Poetry

প্রেমেও ছিল কবিতার ক্লাস, শুরু হয়েছিল ‘শীতকাল কবে আসবে সুপর্ণা’ দিয়ে

বরানগর এলাকার বাসিন্দা নকশাল আন্দোলনের তীব্রতা, রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন থেকে তিনি কি কোনও রসদ পাচ্ছেন না? ওই ‘ব্যাঙের রক্ত’, ‘বাজি পোড়ানো’, ‘হৈ হল্লা’ ভাস্করের মতো নির্জনতা-প্রিয় কবিকে উত্যক্ত করছে না? হতেও তো পারে শীতের অপেক্ষায় আছেন, যাতে এই হাইবারনেশনে তিনমাস রক্ত হত্যা শব্দবাণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন কিছুটা?

→

কালচিনির তরুণ কবিকে লেখা চিঠি

রাইনার মারিয়া রিলকের ১৫০তম জন্মদিন আজ। আজকে, কোনও তরুণ কবিকে যদি চিঠি লিখতে হয়, কী লিখবেন কবিতাবিশ্বে দীর্ঘকাল ঘর-সংসার করা কবি সুবোধ সরকার? তিনি লিখছেন আজকের তরুণ কবিকে লেখা চিঠি।

→

শক্তিদা আলিঙ্গনে তৃপ্ত হতেন, অবলম্বনে নয়

কানাইনাটশাল শক্তিদার প্রিয় বাংলো। নিচের বাগানে ময়ূর, হরিণ, অজস্র গাছগাছালি। সকালে জলখাবার খেয়ে শক্তিদা দরজা বন্ধ করলেন, এক ঘণ্টা পর বারন্দায় তাঁর গমগম কণ্ঠে শুনলাম, ‘গ্রহণ করিনি আগে ভুল হয়ে গেছে/ চুম্বন করিনি আগে ভুল হয়ে গেছে’।

→

‘ফিমেল গেজ’ দিয়ে দেবারতি দেখেছিলেন যুবকের স্নান

এই বইয়ে জল আসছে কতবার। ‘ঝরনা সহস্রধারা’য়, ‘অদর্শন কিছু নয়,/ তোমাকে দেখার ইচ্ছে শুধু আমারই কি?/বাঁশিটির তরুণ নিশ্বাস/ ফুঁ দিয়ে সরায় জল, চলকানো রোদ’। বনময় যে শুয়ে থাকে, যে-ঘুমন্তের উজ্জ্বল ত্বকের মতো তার ঝরনাও হয়ে যায় সহস্রধারা। তারপর?

→

মল্লিকা সেনগুপ্তর লেখা যদি ছাতাপড়া সমাজের কানে তুলে দিতে পারি, সে-ই হবে যথার্থ কাজ

আমি শুধু ওর লেখা পড়ি বসে বসে, আর জীবন ও সমাজের সঙ্গে মিলিয়ে নিই বারবার।

→

বিনয় বলেছিলেন, ‘গায়ত্রী’ হোস্টেল সুপারের মেয়ে, কিন্তু সুপারের কোনও কন্যাই ছিল না

১৯৬৪ সালের বিনয় মজুমদারই বাংলা কবিতার স্থায়ী চেয়ারটি পেয়ে গিয়েছেন। পরেকার বিনয়, এই সময়কার ছায়া।

→

বদলে যাওয়া সত্য ও সেই ধারাবাহিক ভুলগুলি

‘আমি কীরকম ভাবে বেঁচে আছি’-র রচনাসময়ে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মনের একটি দিক তাকিয়েছিল পৃথিবীর কবিতার দিকে, তাঁর মনের আর আরেকটি দিক গ্রথিত ছিল নিজের বেঁচে থাকার অভ্যন্তরীণ বীজভূমির মধ্যেই। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্মদিনে বিশেষ নিবন্ধ।

→

নিজের বাড়িতেই বিচিত্র সব নোটিশ টাঙাতেন তারাপদ রায়!

আজ তারাপদ রায়ের জন্মদিন। স্মৃতিচারণে অরণি বসু।

→