বরানগর এলাকার বাসিন্দা নকশাল আন্দোলনের তীব্রতা, রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন থেকে তিনি কি কোনও রসদ পাচ্ছেন না? ওই ‘ব্যাঙের রক্ত’, ‘বাজি পোড়ানো’, ‘হৈ হল্লা’ ভাস্করের মতো নির্জনতা-প্রিয় কবিকে উত্যক্ত করছে না? হতেও তো পারে শীতের অপেক্ষায় আছেন, যাতে এই হাইবারনেশনে তিনমাস রক্ত হত্যা শব্দবাণ থেকে মুক্তি পেতে পারেন কিছুটা?
কবিদের নিয়ে কথা উঠলেই মনে হয়, রবীন্দ্রনাথের পরে গত ৭৫ বছরের বাংলা কবিতায় ভুলে যাওয়া নিয়ে স্মৃতি-বিস্মৃতির কাজ কারবারে ভাস্করের মতো এতটা আলো কেউ ফেলেননি। রবীন্দ্রনাথের গানে কবিতায় ভুলে যাওয়ার যে অপূর্ব আসা-যাওয়া আছে তা নিয়ে আমরা যদি বসি, কত যে বাঁচার পথ পাওয়া যাবে!
২৩ জুলাই ভাস্কর চক্রবর্তীর মৃত্যুদিন। প্রকাশিত হল বন্ধুত্বময় ভূমিকা-সহ ভাস্করের দুটো চিঠি।
জিরাফের ভাষা লেখা হয়েছিল অনেক দিন ধরে। আমরা কয়েকজন সেইসব কবিতা কখনও টাটকা শুনতে পেতাম ছাপার আগেই। পত্র-পত্রিকায় একসঙ্গে পড়তাম। পাণ্ডুলিপিটা ২০০৫-এর ফেব্রুয়ারি মাস নাগাদ চোখেও দেখেছি। তারপর কী হল তার? জানি না! শুধু এটুকু জানতাম সে-বই আছে কোথাও।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved