বইমেলার এক এবং দুই নম্বর গেট, বাকি প্রবেশ-ফটকের তুলনায় একটু বেশিই শান্ত, জনহীন। প্রথমত, মাসের শেষ, দ্বিতীয়ত, সপ্তাহের কেজো-দিনের মাঝামাঝি। ফলে ভরদুপুরে বইমেলার ‘এক’ ও ‘দুই’ ভাতঘুমের মতো আয়েশি, ঝিমধরা। সেই ঝিমুনিকে অট্টহাসিতে আত্মারাম খাঁচা করে দিলেন দুই সত্তরোর্ধ্ব। একজনের প্রবেশ ঘটছিল, অন্যজনের প্রস্থান। সেই আসা-যাওয়ার মাঝেই দুই বন্ধুর দীর্ঘদিন পর সাক্ষাৎ। ‘অনেকদিন পর আবার চেনা মুখ, বন্ধু কী খবর মুহূর্ত বলুক!’ সুখ-দুখের নানা কথায় বইমেলা তখন আক্ষরিক অর্থেই ‘মিলনমেলা’।
যে বইমেলায় একটা বই বেরলেই, খানিক বিক্রিটিক্রি হলেই, তরুণ লেখক ভাবেন, পরের বইয়ের আগে অগ্রিম পুরস্কার তাঁর প্রাপ্য, যে বইমেলায় স্টলের নিচে লেখা থাকে ফেসবুকের ফলোয়ার সংখ্যা, যে বইমেলায় রোবটের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করতেও ভিড় হয়, যে মেলা অফুরন্ত সেলেব-সেলফি শিকারোৎসব– সেই মেলায় এক প্রবীণ শিল্পী, বাংলা সাহিত্যের প্রচ্ছদ-অলংকরণের ইতিহাস সংরক্ষক ও লিখিয়ে আত্মপরিচয় যতসম্ভব ঝাপসা করে দিয়ে বলছেন, ‘ওই আর কী।’
বই-বিপণির নামে কেন রয়েছে লাইব্রেরি?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved