Robbar

Cartoonist

স্টুডিওপাড়ার নারায়ণ দেবনাথ

ভিএফএক্স বা বিভিন্ন টাইপফেস, টেমপ্লেট ইত্যাদি ব্যবহার করে আজ যেখানে অনেক সহজেই বানিয়ে নেওয়া যায় ফিল্ম ক্রেডিটস্, সে যুগের পেশাদার শিল্পীরা তা করতেন সম্পূর্ণ হাতে এঁকে! রামচন্দ্র সিন্ডে, দিগেন স্টুডিও– এঁদের পাশাপাশি স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল ছিলেন নারায়ণ দেবনাথ।

→

ছাত্র রেবতীভূষণকে ‘কুইক আর্টিস্ট’ তকমা দিয়েছিলেন অবনীন্দ্রনাথ

খাটের পাশে, টেবিলের ওপর রাখা একটা পোস্টকার্ড– সেখানে কিছুই লেখা নেই। আর একটাতে বড় একটা জিজ্ঞাসা চিহ্ন। সেটা দেখাতে হো হো করে হেসে বললেন– ‘শিব্রাম বাবুর চিঠি, বহুদিন খোঁজ না পেলে এইরকম চিঠি দিতেন।’

→

কলকাতা থেকে ব্যাঙ্গালোরে, আমার জন্য তেজপাতা আর পাঁচফোড়ন নিয়ে এসেছিলেন অহিদা

অহিভূষণ ছিলেন একাধারে কার্টুনিস্ট, কলা সমালোচক ও সুগায়ক। সবমিলিয়ে পরিপূর্ণ শিল্পী মানুষ। ওঁর অন্যতম অবদান ছিল জনসাধারণের মধ্যে শিল্পী ও শিল্পকলার প্রচার, প্রসার। এ বছর তাঁর জন্মশতবর্ষ।

→

ভারতীয় বিজ্ঞাপনের ছবিতে প্রথম কার্টুন আঁকার রেওয়াজ শুরু করেছিলেন কাফি খাঁ

বলা হয়, আমাদের দেশে বিজ্ঞাপনের ছবিতে তিনিই প্রথম কার্টুন আঁকার রেওয়াজ চালু করেন। ভারতীয় রেল, সিজারস সিগারেট কিংবা কুকমি গুঁড়োমশলার বিজ্ঞাপনে দজ্জাল গিন্নি, গোবেচারা কর্তা, প্ল্যাটফর্মে বসে সিগারেটে সুখটান দিতে থাকা বাবু, এদের হয়ত আজও মনে রেখেছে জনসাধারণ। সেই প্রফুল্লচন্দ্র লাহিড়ী তথা ‘কাফি খাঁ’-র মৃত্যুবার্ষিকীতে এই বিশেষ নিবন্ধ।

→

যে পারে সে এমনি পারে শুকনো ডালে ফুল ফোটাতে, বলতেন চণ্ডী লাহিড়ী

যেদিন দেওয়ালে হাতে আঁকা ছবি নড়ল সেদিন দু’হাত তুলে চিৎকার করে আনন্দে প্রায় ‘ইউরেকা’ বলে উঠলেন চণ্ডীদা।

→

পাখির ছবি আঁকবেন, তাই রেবতীভূষণ মাঝেসাঝেই রাত কাটাতেন চিড়িয়াখানায়

তাঁর রেখায় জীবন্ত হয়ে উঠেছে পশুপাখিদের চলমান জগৎ। পঞ্চতন্ত্র, হিতোপদেশ বা ঈশপের গল্পের কুশীলবরা বেশিরভাগই পশুপাখি হলেও তাদের রাগ, বেদনা, আনন্দ, মানুষের মতোই ফুটে উঠেছে কয়েকটি রেখার আঁচড়ে। শারীরিক গঠনতন্ত্র ও শরীরীভাষা নিখুঁত রেখে তাদের অভিব্যক্তিকে ফুটিয়ে তুলতে রেবতীভূষণের জুড়ি ছিল না।

→