Robbar

Chaitanya Mahaprabhu

নগরসংকীর্তন থেকে অঙ্গনমঞ্চ: চৈতন্যপ্রবাহের বাদলধারা

বাংলার মাটিতে ‘বিপ্লব’ কোনও আকাশ থেকে পড়া বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণ নয়। শ্রীচৈতন্যদেব যে সাম্য ও মুক্তির বীজ এই পলিমাটিতে রোপণ করেছিলেন, বাদল সরকার তাকেই আধুনিক রাজনৈতিক মনন ও মার্কসীয় দ্বান্দ্বিকতার জলসিঞ্চনে এক মহীরুহে পরিণত করেছেন।

→

চিত্রকরের চোখে শ্রীচৈতন্যদেব

শ্রীচৈতন্যের ছবির প্রসঙ্গ উঠলে যাঁর কথা না বললে অসম্পূর্ণ থাকে, তিনি শিল্পী ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার। সম্ভবত এই বিষয়ে তাঁর ছবিই সর্বাধিক। কেবল সংখ্যার প্রেক্ষিতেই নয়, ক্ষিতীন্দ্রনাথের চিত্রমালায় পরম বৈষ্ণবের যে বিনম্র ভঙ্গি ফুটেছে তা আর কারোও ছবিতে প্রকাশ পেয়েছে কিনা জানি না।

→

ভিখারির বীণা

রবিঠাকুর যে-আহ্বান জানিয়েছিলেন, তা দ্বার খোলার আহ্বান। ভিতরের সেই দরজা দিয়ে স্থলে-জলে-বনতলে যে-দোল লেগেছে, তার স্পন্দন এসে লাগবে প্রতিটি হৃদয়ে। ওদিকে ফাল্গুনী পূর্ণিমায় নররূপে যে-দেবশিশু আবির্ভূত হলেন তাঁর সাধন এবং জীবন যাপনের উদারনৈতিকতাকেও বাঙালি ধারণ করতে পারেনি। ভারতবর্ষের প্রথম সার্থক মানবতাবাদী নেতার রহস্যঅন্তর্ধানই তার প্রমাণ।

→

বাংলা কীর্তনের বিস্মরণ

পদাবলি কীর্তনকে যদি ক্লাসিক্যাল মিউজিকের মতো একটি ক্লাস অর্থাৎ একটি শ্রেণির শ্রোতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হত, তাহলে এই অবনমন ঘটত না। পদাবলির উন্নত সাহিত্য, জটিল সাংগীতিক বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি উপভোগ করতে হলে শ্রোতার যে পূর্বপ্রস্তুতি ও রসবোধ প্রয়োজন, তা সব শ্রেণির শ্রোতার ক্ষেত্রে কাম্য নয়। স্বয়ং চৈতন্য মহাপ্রভুই সাধারণ ভক্তদের সঙ্গে হরিনাম সংকীর্তন করেছেন এবং অন্তরঙ্গমণ্ডলীর সঙ্গে পদাবলির রসাস্বাদন করেছেন এমন বর্ণনা পাওয়া যায় বিভিন্ন গ্রন্থে।

→