Robbar

Debarati Mitra

মণীন্দ্রই হয়ে উঠেছিলেন দেবারতির জীবনের কবি শ্রীরামকৃষ্ণ

মণীন্দ্র গুপ্তের মৃত্যুশোক সহ্য করতে করতে দেবারতি এই বিশ্বাসে চিরকাল স্থির থেকেছেন, তিনি আছেন। কেননা, দেবারতি আছেন বলেই মণীন্দ্র আছেন। সারদা আছেন বলেই রামকৃষ্ণ আছেন। পার্বতী আছেন বলেই শিব আছেন। সবাই অখণ্ড। সবই অখণ্ড। শিব-পার্বতীর যুগলকে মেনে রামকৃষ্ণ-সারদার বিবাহ তাই দেবারতির কাছে কবিতা।

→

‘ফিমেল গেজ’ দিয়ে দেবারতি দেখেছিলেন যুবকের স্নান

এই বইয়ে জল আসছে কতবার। ‘ঝরনা সহস্রধারা’য়, ‘অদর্শন কিছু নয়,/ তোমাকে দেখার ইচ্ছে শুধু আমারই কি?/বাঁশিটির তরুণ নিশ্বাস/ ফুঁ দিয়ে সরায় জল, চলকানো রোদ’। বনময় যে শুয়ে থাকে, যে-ঘুমন্তের উজ্জ্বল ত্বকের মতো তার ঝরনাও হয়ে যায় সহস্রধারা। তারপর?

→

জনপ্রিয়তাকে দেবারতি মিত্র নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছেন স্থির পরিশ্রমের একাগ্র আগুনে

আমাদের আধো-প্রশ্ন ও তাঁর অপার, অপাপবিদ্ধ মৌনতার মাঝখানে শুধু পাখা-ঘুরে যাওয়ার শব্দ– এইভাবেই কয়েকটি গ্রীষ্ম-বর্ষা-শীত ও বসন্ত পেরিয়েছে, প্রস্তুত হয়েছে ‘ফুল, পুতুল আর আগুন’।

→

বাংলা কবিতায় এখন ছাই বেশি, দেবারতি কম

‘কিচেন অ্যান্ড ক্যাওস’, দেবারতি মিত্রের কবিতার ব্যাটারিকে জীবন এনে দিত।

→

নারীবাদী সত্তায় নিজেকে উচ্চকিতভাবে চিহ্নিত করতে চাননি দেবারতি মিত্র

প্রয়াত দেবারতি মিত্র। তাঁর কবিতা রইল পাঠকের হাতের তালুতে, চিরস্পর্শময়।

→