Robbar

Dessert

ঠান্ডা আনন্দের ইতিহাস

ঠান্ডা খাদ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে উনিশ শতকের শেষভাগে, যখন যান্ত্রিক রেফ্রিজারেশন প্রযুক্তির আবিষ্কার হয়। এর ফলে কৃত্রিমভাবে আইসক্রিম উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। শিল্পায়নের ফলে আইসক্রিম আর অভিজাতদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না-থেকে চলে আসে সাধারণ মানুষের খাদ্যতালিকায়।

→

বাঙালির মিষ্টিমস্তানি এখনও কর্পোরেট হয়ে যায়নি

পয়লা বৈশাখের সূর্যের অন্তর্ভেদী লেজার ক্ষীণ কার্ডবোর্ডের বাক্সকে নাস্তানাবুদ করে চলে ক্রমাগত। বাক্সের সবকিছু গরম থাকে শেষ পর্যন্ত। দেখি, ভাবি আর অবাক হই। এই যে পৃথিবী পুড়ছে। আমরাও পুড়ছি। আমাদের ওই বাক্স-সম সহনশীলতার কথা সুকুমার সেন লেখেননি।

→

মিষ্টির মলাট মিষ্টির ললাট

বাংলার মিষ্টি-সংস্কৃতি যতটা প্রাচীন, মিষ্টি সংশ্লিষ্ট মোড়কের মান ও জাতি (কোয়ালিটি) সে তুলনায় নেহাতই অর্বাচীন। নতুন মিষ্টি উদ্ভাবন আর তার সদ্ব্যবহার নিয়ে বাঙালি উদ্যোক্তা থেকে ভোক্তা ও শিল্পীসমাজ যতটা ভাবিত এবং এ-নিয়ে তাঁরা যে সময় ব্যয় করেছেন– তার ছিঁটেফোঁটাও যদি মিষ্টির প্যাকেজিং নিয়ে করত তাহলে বাংলার মিষ্টি অনেক আগেই ভারতের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম সদর্থক হাতিয়ার হতে পারত।

→