ইরান মার্কিন স্যাংশানে। অথচ তারপরেও সেই স্যাংশনকে টপকে তেল ঠিক বিক্রি করে গেছে তারা। কিশ দ্বীপে খুলে ফেলেছে পেট্রল এবং পেট্রোলিয়াম জাত পণ্যের ডলার-বহির্ভূত বাণিজ্যের জন্য কমোডিটি এক্সচেঞ্জ– ইরানিয়ান অয়েল বোর্স। রাশিয়া এবং চিনের সঙ্গে পেট্রো-ডলার বিরোধী ব্লক তৈরি করেছে।
আজ ইরান যে মুক্তি চায়, তার আলো তেহ্রানের হাইরাইজে কার্পেটে-মোড়া লিভিং রুমে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তার স্বাদ ও সম্ভাবনা পৌঁছে দেবে সেই প্রত্যন্তবাসিনীদের অবগুণ্ঠনের অন্তঃপুরেও– কবিগুরুর কলম ধার করা বাংলার সেই ‘সাধারণ মেয়ে’র মতোই যারা ‘ফরাসী জর্মান জানে না, কাঁদতে জানে’।
আসলে যুদ্ধ যে কি রূপ নিতে পারে, এখনই তা অনুমান করা একেবারেই অসম্ভব। আমেরিকা কিন্তু ইতিমধ্যেই তাদের গোলপোস্ট বদলে ফেলেছে। ইরানের সিস্টেমটা বেশ পোক্ত। ইরান আর যাই হোক, ভেনিজুয়েলা নয় যে এক মাদুরোকে উঠিয়ে নিয়ে এসে গোটা সিস্টেমটা বদলে দেওয়া যাবে!
ভারতীয় সাহিত্য যখন আন্তর্জাতিক সমাদর পাচ্ছে, সেরকমই আমরা যদি মধ্যপ্রাচ্যকে আমাদের সাহিত্য-প্রতিবেশী হিসেবে দেখি– দেখা যাবে যে হারানো এবং ক্ষয়ের ইতিহাসে আমরা একা নই। এই অঞ্চলের লোকেরাও আমাদেরই মতো বারবার শিল্পকে প্রতিরোধের অস্ত্র করেছে।
কোথায় বন্ধুর ঘর? ঈশ্বর যতখানি ভাবতে পারেন, তার চেয়েও সবুজ ওই পথ, যে-পথে ছড়িয়ে আছে ভালোবাসা– ‘বন্ধুত্বের নীল ডানার মতোই ব্যাপ্ত’, সেই পথে আছে তার সন্ধান। নিঃসঙ্গতার ফুল যেখানে, তার ঠিক দু’ পা আগে সে হাত বাড়াচ্ছে আমাদের দিকে। যুদ্ধধ্বস্ত সেই পৃথিবীর হাত কি আমরা ধরতে পারব, ততখানি ভালোবাসার সাহস কি হবে আমাদের?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved