Robbar

Jafar Panahi

ভারতমাতা, বিদ্যা বালান ও জাফর পানাহির টাইমমেশিন

পানাহি ২০০৩-এর কলকাতার বুকে, বাংলার মাটির মেয়ের পাল্টে ফেলা ছায়ায়, দাঙ্গাবাজ মানুষের প্রচারের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পাবেন হয়তো। আর আবার তিনি হাঁটবেন কান থেকে বার্লিন, অফসাইডে গোল করে আবার কারাগারের পথে। অবন ঠাকুর তাকিয়ে থাকবেন রিভার্স বঙ্গভঙ্গের এক ডিসটোপিয়ান ইতিহাসের দিকে।

→

যুদ্ধ-বিধ্বস্ত পৃথিবীর স্বীকৃতি মিলল অস্কারে

এবারের আন্তর্জাতিক ছবি বিভাগের প্রায় সব ক’টি ছবিই নানাবিধ স্বৈরশাসন বা যুদ্ধ পরিস্থিতি, আগ্রাসন, তৎপ্রসূত দুঃসহ ব্যক্তি-স্মৃতি ও ট্রমাকে উপজীব্য করেছে। তবে অলিভার ল্যাক্সের ‘সিরাত’ এই তালিকায় একটি উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম।

→

তারা ফরাসি জার্মান জানে না, কাঁদতে জানে

আজ ইরান যে মুক্তি চায়, তার আলো তেহ্‌রানের হাইরাইজে কার্পেটে-মোড়া লিভিং রুমে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তার স্বাদ ও সম্ভাবনা পৌঁছে দেবে সেই প্রত্যন্তবাসিনীদের অবগুণ্ঠনের অন্তঃপুরেও– কবিগুরুর কলম ধার করা বাংলার সেই ‘সাধারণ মেয়ে’র মতোই যারা ‘ফরাসী জর্মান জানে না, কাঁদতে জানে’।

→

দেওয়াল ভাঙার শহরে নতুন দেওয়াল

যে শহর একসময় দেওয়াল দিয়ে বিভক্ত ছিল, সেই শহরকে আজ বিশ্ব-সিনেমার এক ধরনের ‘নৈতিক রাজধানী’ হিসেবে দেখা হয়। মানবাধিকার, যুদ্ধ ও শরণার্থী সংকট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আলোচনা প্রায়শই এই মঞ্চেই শোনা যায়। অথচ ঠিক সেখান থেকেই যদি বলা হয় ‘রাজনীতি সিনেমার বাইরে থাকুক’, তখন প্রশ্ন ওঠে: সিনেমা কি আদৌ রাজনীতি ছাড়া সম্ভব?

→

নগ্ন সত্যকে দেখানোর জেদই জাফর পানাহির চলচ্চিত্রভাষা

পানাহির সিনেমার প্রতিটি ফ্রেম বুঝিয়ে দিয়েছে ইরানের সরকার, নীতি-নির্ধারক মন্ত্রালয় এমনকী পুলিশও শিল্পের ভাষা ও শক্তিকে কী পরিমাণ ভয় করতেন। অনিশ্চয়তায় ভুগতেন সরকারি আধিকারিক ও প্রতিষ্ঠান, তাই ‘ফ্রিডম অফ স্পিচ’ ব্যাপারটা এদের অভিধানে ছিল না। তাই কুড়ি বছরের জন্য সিনেমা-নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা।

→

জাফর পানাহির চলচ্চিত্রভাষা বদলাচ্ছে, তাঁর পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবিটি কি একটি রিভেঞ্জ ড্রামা?

‘ইট ওয়াস জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট ’ পাঁচজন লোকের কথা বলবে, যে পাঁচজন রাজনৈতিক বন্দি একসময় একটি লোককে খুঁজে পায়, যাকে দেখে তাদের মনে হয় এই সেই লোক, যে জেলখানায় তাদের ওপর অত্যাচার করেছিল। তারা লোকটিকে অপহরণ করে এবং ঠিক করে তাকে একটি নির্জন মরুপ্রান্তরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করবে। তাহলে পানাহির এই ছবি কি একটি রিভেঞ্জ ড্রামা?

→

সেন্সরের যে চশমায় ভেসে ওঠে নীতিপুলিশির নীরব, আগ্রাসী মুখ

তথ্যচিত্রটি দেখতে দেখতে এই প্রশ্ন বারবার ঘুরপাক খায়। ভালো-মন্দের যে ভেদাভেদ আমরা সযত্নে পুষে রাখি, তার হিসেব কে রাখবে? এই মানসিক ব্যাধিকে আমাদের মন থেকে সরাবে কে?

→