Robbar

Jafar Panahi

দেওয়াল ভাঙার শহরে নতুন দেওয়াল

যে শহর একসময় দেওয়াল দিয়ে বিভক্ত ছিল, সেই শহরকে আজ বিশ্ব-সিনেমার এক ধরনের ‘নৈতিক রাজধানী’ হিসেবে দেখা হয়। মানবাধিকার, যুদ্ধ ও শরণার্থী সংকট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আলোচনা প্রায়শই এই মঞ্চেই শোনা যায়। অথচ ঠিক সেখান থেকেই যদি বলা হয় ‘রাজনীতি সিনেমার বাইরে থাকুক’, তখন প্রশ্ন ওঠে: সিনেমা কি আদৌ রাজনীতি ছাড়া সম্ভব?

→

নগ্ন সত্যকে দেখানোর জেদই জাফর পানাহির চলচ্চিত্রভাষা

পানাহির সিনেমার প্রতিটি ফ্রেম বুঝিয়ে দিয়েছে ইরানের সরকার, নীতি-নির্ধারক মন্ত্রালয় এমনকী পুলিশও শিল্পের ভাষা ও শক্তিকে কী পরিমাণ ভয় করতেন। অনিশ্চয়তায় ভুগতেন সরকারি আধিকারিক ও প্রতিষ্ঠান, তাই ‘ফ্রিডম অফ স্পিচ’ ব্যাপারটা এদের অভিধানে ছিল না। তাই কুড়ি বছরের জন্য সিনেমা-নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা।

→

জাফর পানাহির চলচ্চিত্রভাষা বদলাচ্ছে, তাঁর পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবিটি কি একটি রিভেঞ্জ ড্রামা?

‘ইট ওয়াস জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট ’ পাঁচজন লোকের কথা বলবে, যে পাঁচজন রাজনৈতিক বন্দি একসময় একটি লোককে খুঁজে পায়, যাকে দেখে তাদের মনে হয় এই সেই লোক, যে জেলখানায় তাদের ওপর অত্যাচার করেছিল। তারা লোকটিকে অপহরণ করে এবং ঠিক করে তাকে একটি নির্জন মরুপ্রান্তরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করবে। তাহলে পানাহির এই ছবি কি একটি রিভেঞ্জ ড্রামা?

→

সেন্সরের যে চশমায় ভেসে ওঠে নীতিপুলিশির নীরব, আগ্রাসী মুখ

তথ্যচিত্রটি দেখতে দেখতে এই প্রশ্ন বারবার ঘুরপাক খায়। ভালো-মন্দের যে ভেদাভেদ আমরা সযত্নে পুষে রাখি, তার হিসেব কে রাখবে? এই মানসিক ব্যাধিকে আমাদের মন থেকে সরাবে কে?

→