২০২৬-এর ৯ মার্চ প্রায় ৯০ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন পানিক্কার। ব্যক্তির মৃত্যু তো অনিবার্য। তবে তাঁর কাজ থেকে যায়। তাঁর লেখাপত্রে যে ‘কণ্ঠ ছাড়ো জোরে’র কথা বলে গিয়েছেন পানিক্কার, ইতিহাসকে সেই গুরু দায়িত্ব পালনের করানোর ভার তাঁর উত্তরসূরিদের।
কবি হিসেবে জয়ের প্রতিষ্ঠা বাইরের দিক থেকে যতটা বিস্ময়কর, ততটাই বিস্ময়কর তাঁর কবিতা নিয়ে অনবরত সংশয়ী প্রশ্ন করে চলা। তিরবিদ্ধ হরিণ যেমন বাঁচার পথ খোঁজে, কবিতাবিদ্ধ শরীরেরও তেমনই রক্তাক্ত পথ-সন্ধান জরুরি। তা কবির জন্য যেমন সত্য, কবিতা পাঠকের জন্যও তা-ই।
একদিকে অবৈধ সম্পর্কের তীব্রতা এবং আনন্দ। অন্যদিকে সেই সম্পর্কের যন্ত্রণা, দহন। সেই সম্পর্কে অপমানের অন্তর-স্রোত এবং অসহনীয় আঘাত। অ্যানি এরনো সেটাই স্পষ্টভাবে বলেছেন।
জয় গোস্বামীর বিরাট কাব্য-ভূখণ্ডের প্রবেশক দরজাটি আমাদের সামনে খুলে ধরে কে? খুলে ধরে তাঁর প্রথম বই ‘ক্রীসমাস ও শীতের সনেটগুচ্ছ’-র প্রথম কবিতার এই লাইন– ‘সমস্ত ক্ষুধার নীচে বালি আর সোরা আর গন্ধকের গৃহ’।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved