বছর যায়। বছর আসে। ব্যাপারস্যাপার হরে-দরে একই থাকে। কেমন হত, যদি মানুষের মতোই, দুটো বছর একে-অপরের সঙ্গে কথা বলত? কী বলত তারা? সারা বছরের ভালো-মন্দ থেকে কী বেছে নিত? আগামী বছর কি বিগত বছরকে দোষারোপ করে? নতুন বছরের থেকে কি বিগত বছর আশা করে কিছু? রইল দুই বছরের সংলাপ।
মেসির কলকাতা আগমনে ‘রিফান্ড’। ডার্বি বাতিল হলে ‘রিফান্ড’। ইন্ডিগো ফ্লাইট ক্যানসেল হলে ‘রিফান্ড’। রিফান্ড আর কত কিছুতেই! হবে না-ই বা কেন? পুঁজিপতিরা সবসময় গিলে খাবে মধ্যবিত্তর উজ্জ্বল স্বপ্নের দলা? কিন্তু শেষত আমরা যা রিফান্ড চাই, তা টাকাপয়সার নয়। লেনদেনের নয়। তবে কীসের?
মেসির ভারত সফরে শুধুমাত্র যুবভারতীর বিশৃঙ্খলা ছিল না। অগোচরে আরও একটা জিনিস প্রবলভাবে ছিল। ক্ষমতা-অর্থের যৌথ উচ্ছৃঙ্খলতা।
মেসিকে ঘিরে এই শহরে বিশ্রী রকমের বিশৃঙ্খলা ঘটে গেল। ফুটবল পাগল পশ্চিমবঙ্গ হয়তো উন্মাদনা দমিয়ে রাখতে পারেনি। কলকাতার আর্জেন্টিনা উন্মাদনার সামাজিক মনস্তত্ত্ব আসলে এক সামষ্টিক পরিচয়ের আকাঙ্ক্ষা। দূরের এক দেশের ফুটবলকে ঘিরে বাঙালি এমন এক অনুভূতির জগৎ তৈরি করেছে, যেখানে অচেনা মানুষও এক পতাকার রঙে হঠাৎই আপন হয়ে ওঠে। মারাদোনার বিক্ষুব্ধ প্রতিভা হোক বা মেসির নীরব সংগ্রাম, বাঙালি তাদের গল্পে নিজেরই জীবনযুদ্ধের ছায়া দেখতে পায়।
ইন দ্য রেইন, ইন দ্য কোল্ড, ইন দ্য ডার্ক। ট্রাজিক ২০১৪ এবং পরবর্তী সময়ে অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার সেই স্বপ্নময় লেখা। কনফেশন। বন্ধু-বন্দনা নয়, যেন সলিলোকি করছেন, লেখাটা উঠে এসেছিল এমনভাবেই।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved