আজ ১৪ নভেম্বর, শিশুদিবস। শিল্পী প্রণবেশ মাইতি, প্রায় ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন বাংলা বইয়ের প্রচ্ছদ ও অলংকরণ নিয়ে। গড়ে তুলেছেন বাংলা অলংকরণের ইতিহাস। এখন তিনি ব্যস্ত হয়ে রয়েছেন শিশুসাহিত্যের অলংকরণ নিয়ে একটি প্রামাণ্য বই গড়ে তুলতে। রোববার.ইন-এ শিশুদিবস উপলক্ষে রইল প্রণবেশ মাইতির বাংলা শিশুসাহিত্যের অলংকরণ বিষয়ক কথাবার্তা।
এক বছর ধরে ওয়ার্কশপ, মাস পাঁচেকের রিহার্সালের পর একদিন দেবেশদা যান চেতনা নাট্যদলের মহলাকক্ষে। নাটকের অভিনয় দেখে তিনি না কি হাততালি দিয়ে উঠেছিলেন এবং সেদিনই মন্তব্য করেছিলেন যে এটা বাংলা নাটকের ইতিহাসে একটা অভিনব ঘটনা হতে চলেছে।
কাগজ বেরনোর পর দেখা গেল উপন্যাসের নাম হয়ে গেছে ‘শালিকার ঠোঁট’! পূর্ণেন্দুদা রেগে আগুন। পিঠে হাত দিয়ে সন্দীপন তাঁকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন, ‘কী করবে ভাই বল! ছাপাখানার ভূত কাউকেই রেহাই দেয় না রে।’ পরে জানা গিয়েছিল এটা সন্দীপনদারই সূক্ষ্ম হাতের কাজ।
ফটোগ্রাফির মস্ত শখ বিপুলদার। মাঝে মাঝেই ক্যামেরা নিয়ে বেরিয়ে পড়তেন ছবি তুলতে পত্রপত্রিকার জন্য। নানা বিষয়ে আজগুবি সব ছবি দেখেছি সে ছবি খুব একটা কোথাও প্রকাশ করতেন না। অবাক হয়েছিলাম ওঁর পাবলিক টয়লেটের প্যান ভর্তি বিষ্ঠার ছবি দেখে। অনেক। গা ঘিনঘিন করেনি, বরং মনে হচ্ছিল যেন চমৎকার সব বিমূর্ত চিত্রকলা।
শুরুতে কিন্তু দে’জ-এর অতি পরিচিত লোগোটিও তৈরি হয়নি। তখনকার বইয়ের স্পাইনে অন্তত তিন রকমের লেটারিংয়ে “দে’জ” কথাটা লেখা হয়েছিল।
পূর্ণেন্দু পত্রী রেফার করছেন পূর্ণেন্দু পত্রীকেই! কী হয়েছিল পূর্ণেন্দু পত্রীর পরিচালিত ‘ছেঁড়া তমসুক’ সিনেমায়?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved