Robbar

Safdar Hashmi

সফদরের শিশুসাহিত্য: খোলা ছাদে নিশ্চিন্ত ঘুড়ি

সফদর জানতেন, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ হল মানুষের হাসি। তিনি বিশ্বাস করতেন, যে দেশে শিশুরা খোলা ছাদে নিশ্চিন্তে ঘুড়ি ওড়াতে পারে না, সে দেশে ‘বিপ্লব’ নিছকই একটা ফাঁকা, কেতাবি শব্দ। বিশ্বাস করতেন, একটা বৈষম্যহীন, সুন্দর পৃথিবী গড়তে গেলে সবার আগে একরত্তি বাচ্চাদের মগজের জানলা দরজা খুলে দিতে হবে।

→

দেখা হলে বলে দিও, আজও বেঁচে আছি

আমাদের কবি, আমাদের নাট্যকর্মী, আমাদের লেখক, আমাদের অভিনেতা– সবাই যে যেখানে আছে, রাস্তায় যার সঙ্গেই দেখা হবে, বলে দেবে, আজও বেঁচে আছে।

→

ঋত্বিক ঘটক নয়, বেঁচে থাকলে সফদর হয়তো উৎপল দত্তের মতো কাজ করতেন

“ছোটবেলায় উৎপল দত্তের সঙ্গে আইপিটিএ-তে দেখা হয়েছিল।... ঋত্বিক ঘটকের সিনেমা বিদেশে দেখানোর জন্য সফদর প্রচুর চেষ্টা করেছিলেন।... আমার পরিচয় শুধু ‘সফদর হাশমির স্ত্রী’ হিসেবেই নয়, আমি আমার মায়ের মেয়েও!... জাভেদ আখতারের ভাষণ শুনে সীতারাম ইয়েচুরি বলেছিলেন, ‘আমাকে কেন ডাকলেন?’... সিনেমা করার ব্যাপারে সফদরের প্রচণ্ড ইচ্ছে ছিল।... হাবিব তনবিরের মতো মানুষ খুবই কম।...” মলয়শ্রী হাশমির সাক্ষাৎকারের শেষ পর্ব।

→

শুধুমাত্র সাহিত্য পড়ে আর সিনেমা দেখে স্পষ্ট রাজনৈতিক বোধ তৈরি হয় না

বন্ধুরা তাঁকে বলতেন, ‘রঙ্গিন মিজাজ ফকির’। সেই আদতে উদাসী, অথচ বহিরঙ্গে সদা-হাস্যময় মিশুকে যুবক অকালমৃত সফদর হাশমির স্ত্রী ও নাট্যকর্মী মলয়শ্রী হাশমির সঙ্গে সুদীর্ঘ আড্ডায় বসেছিলেন উদয়ন ঘোষচৌধুরি ও অম্বরীশ রায়চৌধুরী। উঠে এল ছোটবেলা, রাজনীতির একাল-সেকাল, ঋত্বিক ঘটক, উৎপল দত্ত, ‘জনম’-এর কাজকর্ম, সফদরকে হত্যার কারণ ইত্যাদি নানা কথা। আজ সফদরের ৭১-তম জন্মদিন উপলক্ষে রোববার.ইন-এর বিশেষ নিবেদন সেই সাক্ষাৎকারের প্রথম পর্ব।

→

সফদর মারা গেছে, কিন্তু ধমনীতে সে বেঁচে

সফদর হাসমির ঘরে দেওয়ালে টাঙানো ঋত্বিক ঘটকের ছবি। ছবিতে ক্যাপশন লেখা– ‘দি আনপ্যারালালড ফিল্ম জিনিয়াস’।

→