সম্পাদক দিনগত পাপক্ষয়ের মতো তাঁর দৈনিক-সাপ্তাহিক-পাক্ষিক-মাসিক পত্রটি চালিয়ে যাওয়ার কর্মটি সম্পাদন করেন মাত্র, এডিটর তাকে প্রতিটি সংখ্যায় সামনে আনেন, অগ্রবর্তী করেন। সম্পাদকের সংখ্যা তাই কেবলই বাড়তে থাকে। মুছে যেতে থাকেন আদিম মহাদ্রুমের মতো এডিটররা, অ-শেষ স্মৃতি রেখে।
গগনেন্দ্রনাথের পছন্দ হয়েছিল সুনয়নীর ছবির সরল-সুন্দর রীতি। অবনীন্দ্রনাথকে অনুরোধ করেছিলেন ‘সার্টিফিকেট’ লিখে দেওয়ার জন্য। উত্তরে অবনীন্দ্রনাথ বলেছিলেন– ‘ও যে ধারায় ছবি আঁকছে তার জন্যে আমায় আর সার্টিফিকেট লিখে দিতে হবে না। পরে দেশের লোকের কাছ থেকে ও নিজেই সার্টিফিকেট আদায় করে নেবে।’
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ‘রেজ বেট’কে বেছে নিয়েছে এ-বছরের শ্রেষ্ঠ শব্দ রূপে। যা আসলে রাগেরই চাষ। এমন এক ধরনের অনলাইন কন্টেন্ট, যা ক্ষোভ উদ্রেককারী। প্রশ্ন উঠেছে, শব্দ কই? এ যে এক শব্দবন্ধ!
ক্ষণকালের শীত আসে। ছুঁয়ে থাকে, চলে যায়। চিরকালীন এক জনপদে সেই চঞ্চল শীত কেমন? খুব কি বদলে যায় বেনারস? ঘাটে এসে বসে পুরনো, নতুন, চিরকালীন মানুষ? বদলে যায় রুটিন? ঘুরে দেখুন বেনারস, অক্ষরে অক্ষরে, ছবিতেও।
বাংলাদেশের যশোরের পরিচিতি এক রসালো ছড়ায়– ‘যশোরের যশ/ খেজুরের রস’। পাটুলি-র নাম না কি খেজুরের পাটালি থেকে এসেছে। নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই ২৪-পরগনা, বর্ধমানের দাঁইহাট-অগ্রদ্বীপ-পাটুলি-দেবগ্রাম-মাটিয়ারির সঙ্গে জড়িয়ে আছে খেজুর গুড়ের খ্যাতি। আর মিষ্টি বাণিজ্যের ইতিকথা।
শীতকাল। এদিক-ওদিক উড়ে আসে পরিযায়ী পাখিরা। কিন্তু কী করে চিনে ফেলে তারা পথ? দেশ-মহাদেশ? নেই কোনও গুগল ম্যাপ, পথনির্দেশিকা! তবুও!
পূর্ব-পশ্চিম নাট্যদলের প্রযোজনায় ‘আ-শক্তি’র প্রথম শো হয়ে গেল অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস-এ। এই ধরনের নাটক দেখতে গিয়ে একটা আশঙ্কা মনে কাজ করে। আমরা যারা শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে আমাদের শহরের এখানে-ওখানে দাপটে ঘুরে বেড়াতে দেখেছি, যারা শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের মুগ্ধ ভক্ত হিসেবে প্রতিটি লাইন পড়েছি তাঁর রচনার, যারা ক্যাসেটে তাঁর স্বকণ্ঠে কবিতাপাঠ শুনেছি বারবার, তাদের সেই রোমাঞ্চ আর উত্তেজনা কোথাও ধাক্কা খাবে না তো?
ভালোবাসার এক চিরন্তন আলো জ্বেলে সারা জীবন নিজেকে উজাড় করে দিয়েই গিয়েছেন স্বপ্নাদি। কাজ, আবেগ, ভালোবাসা, সাহস, ঋজু মেরুদণ্ড নিয়ে বেঁচে থাকার দৃষ্টান্ত হয়ে।
সাল ১৯৪৪, ২৮ ফেব্রুয়ারি। স্বাধীনতার তিন বছর আগে লাজগঞ্জের বালিয়াড়িতে খুঁজে পাওয়া গেল পুরুষের বিধ্বস্ত খুলি আর এক নারীর আস্ত কঙ্কাল– উপমহাদেশের প্রাচীন প্রস্তরযুগের আদিম নৃতাত্ত্বিক নমুনা। নেতৃত্বে ভারতের প্রথম মহিলা নৃতাত্ত্বিক– ইরাবতী।
বক্তৃতার শেষে তিনি আমাদের একটা অবিস্মরণীয় দৃশ্যের সামনে দাঁড় করালেন। তিনি আজও যেন সেই বার্লিনের সাবওয়ে ট্রেনে বসে আছেন। ট্রেন চলছে, স্টেশনগুলো পার হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তিনি কোথাও নামছেন না। ‘আমি কোথাও নামি না... আমি শুধু দেখি স্টেশনগুলো সরে সরে যাচ্ছে।’
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved