Robbar

Sangbad Pratidin Robbar

হাওয়া, রোদ্দুর ও তারার আলোয় ভেসে যেতে পারত দেবারতি মিত্রর মন

‘তর্পণ’ সিরিজের প্রথম লেখা দেবারতি মিত্রকে নিয়ে। লিখছেন অরণি বসু।

→

মোহন হাসি বজায় রেখেও অসুরের ওপর অস্ত্র-প্রহার দুর্গার নিরুপায় প্রয়োজন ছিল

পুরুষের অন্যায়-অসভ্যতার প্রতিপক্ষে রমণীর ভ্রুকুটি-করাল কঠিন দৃষ্টিপাতেও যেখানে কাজ হয় না, সেখানে তো রমণীর হাতে অস্ত্র ধরা উচিত, তা নাহলে তো এই অসম লড়াই তার পক্ষে জেতা সম্ভবই নয়।

→

শ্যামপুকুর বাটীতে শ্রীরামকৃষ্ণের ৭০ দিন

১৮২৩ সালে তৈরি হয়েছিল শ্যামপুকুর স্ট্রিটের শ্যামপুকুর বাটি। পরবর্তীকালে, তা নানা ভাবে রূপান্তরিক হয়। এই বাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে শ্রীরামকৃষ্ণ ভাবান্দোলন। চিকিৎসার জন্য ১৮৮৫ সালের এই ২ অক্টোবর তারিখে শ্রীরামকৃষ্ণকে আনা হয় শ্যামপুকুরের এক ভাড়াবাড়িতে।

→

কুন্দেরার টেবিলে বসে কুন্দেরাকে চিঠি

ভেরা হ্রাব্যানকোভা, মিলান কুন্দেরার স্ত্রী। তাঁর লেখক-স্বামীকে তিনি উপহার দিয়েছিলেন যে-কালো মুকুর মসৃণ টেবিলটি, সেই লেখার টেবিলে বসে কুন্দেরার উদ্দেশে ভেরা লিখছেন এই চিঠি।

→

বয়স্ক মানুষের যৌনচাহিদা স্বাভাবিক, অথচ সমাজের কাছে ঘৃণ্য

আজ ১ অক্টোবর। আজ আন্তর্জাতিক বয়স্ক মানুষদের দিবস। সেই উপলক্ষে বয়স্কদের যৌনচাহিদা নিয়ে এই লেখা।

→

পেশার দায়বদ্ধতা ‘মানবিক’ হওয়ার পথে বাধা হয় না

মানবিক হওয়ার অর্থ এই নয় যে, কেউ কম পেশাদার। প্রতিটি মানুষই স্ব স্ব কর্মক্ষেত্রে পেশাদার। কিন্তু তার চেয়েও বড় পরিচয়, সকলে মানুষ।

→

দিব্যি ছিলাম হাসপাতালে

গ্রীষ্মকালে হাসপাতালে বাড়তি খাবার খোলা জানলা দিয়ে বাইরে থেকে পাচার হয়ে চলে আসত। শীতকালে অবশ্য সে উপায় ছিল না।

→

ঘোড়াদৌড়ের মাঠে ফ্যাশন প্যারেড চালু করেছিলেন মরিন ওয়াড়িয়া, হেঁটেছিলেন ঐশ্বর্য রাইও

আমাকে মাঝে মাঝে বম্বে ডাইং-এর ফ্যাক্টরিতে পাঠাতেন মিসেস ওয়াড়িয়া। তোয়ালে, বিছানা চাদর, বালিশের ওয়াড় এমনকী, লুঙ্গিরও ডিজাইন। শিল্পের এই বিচিত্র ব্যবহার ভুলব না। লোকে বলে, ফ্যাশন ধনীদের জন্য। আসলে সমস্ত কিছুই শেষ পর্যন্ত চাপানো হয় দরিদ্র শ্রেণি আর সাধারণ নাগরিকের ঘাড়ে।

→

তাপস সেন কিংবা খালেদ চৌধুরী নিজের সৃষ্টির জন্য আপস করেননি কোনও দিন

তাপস সেন, খালেদ চৌধুরী নিজেদের কাজটিকে তাঁরা এতই আদরের বলে মনে করতেন যে, তার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করতেন। এবং সেই সৃষ্টিশীল কর্মটিকে রক্ষা করার জন্য শেষ সীমা পর্যন্ত যেতে কুণ্ঠা বোধ করতেন না।

→

মানবদার বিপুল অনুবাদের কাজ দেখেই শিশির দাশ তাঁর নাম দিয়েছিলেন– ‘অনুবাদেন্দ্র’

মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরেকটি অতুলনীয় কাজ আমরা ছাপতে পেরেছিলাম– ‘হরবোলা’। সম্ভবত এই নামে মানবদা একটি পত্রিকা শুরু করেছিলেন। সেই পত্রিকার নির্বাচিত রচনা ছাপা হয়েছিল এই সংকলনে।

→