রণেন আয়ন দত্তর ছবিতে একটা ইতিহাস মিশে থাকত। মাথার তেলের বিজ্ঞাপন ‘কেশরঞ্জন’-এ দেখবেন কীভাবে তেল তৈরি হচ্ছিল, সে ব্যাপারটা তিনি ধরে রেখেছেন একটা ছবিতেই।
তালিবানি ফতোয়ার মনুবাদী-সংস্করণ যখন ‘আধুনিক’ ভারতেও শুনতে হয়, তখন হৃৎকম্প উপস্থিত হতে বাধ্য।
রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিভুবনের প্রতিটি অণুমুহূর্ত কীভাবে সযত্নে দেখতে হয়, তা অনুভব করা যায় শঙ্খ ঘোষের কাজের মধ্যে।
গয়া গেলে ‘শরীর ত্যাগের’ সম্ভাবনা থাকায় কোনও দিন শ্রীরামকৃষ্ণ আর গয়াধাম যাত্রা করেননি।
চুপ করো। নির্লজ্জের মতো কথা বোলো না। আমার লজ্জা করছে। বলছে সেই নারী।
দেওয়াল আজও খুঁজে বেড়াচ্ছি আমি চারকোল হাতে।
মহেশ ভাট কি উদাসকে বেছে নেওয়ার সময় বাড়তি ভেবেছিলেন? নাকি ’৮৬-তে সেসব ভাবনার অবকাশ বা দরকারই ছিল না!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved