‘চরাচর’-এর শুটিংয়ে নাকি একটা খেলা চলত পরিচালক আর চিত্রীর মধ্যে– খালি চোখে এক্সপোজার বলার খেলা।
ভগৎ সিং শুকদেবকে লেখা চিঠিতে যত্ন করে জানাচ্ছেন প্রেম নিয়ে তাঁর অবস্থানের কথা। অকপটভাবে মেনে নেওয়া ভালোবাসা মানুষের চরিত্রের উত্তরায়ণ ঘটায়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে পিৎজা ইতালীয় রান্নাঘরে আটকে না থেকে উপস্থিত হল মার্কিন দেশের খাবার টেবিলে।
জিয়াগঞ্জের বিকাশ মণ্ডল লেবু চায়ের কেটলি নিয়ে বালির ওপর ছুটে বেড়ায় সারা সকাল, হাত নেড়ে ডাকলেই বোঁ করে এসে হাজির হয়ে যায়।
আশা করছি ভবিষ্যতের চিত্রগ্রাহকরা ওঁর দেখানো পথে চলবে, ওঁকে মনে রাখবে, ওঁর প্রতি নিষ্ঠাবান হবে।
মান্ডির পঞ্চবক্স মন্দিরের চারপাশ দিয়ে পাক খেয়ে বয়ে যাচ্ছে বন্যার জল। মন্দির অটুট। এক যুবকের হিন্দিতে ন্যারেশন শোনা যায়। তিনি বলছেন, দেখুন ঈশ্বরের লীলা।
দেবীকে আবাহনের আগে সেরে ফেলতে হয় কেনাকাটাও। লিখছেন অরিঞ্জয় বোস।
আমাদের দেশে প্রচ্ছদশিল্পী বা অলংকরণ শিল্পের ইতিহাস সঠিকভাবে সংরক্ষিত নয়। আমরা যতটা চিত্রশিল্পীদের গুরুত্ব দিয়েছি, ততটা হয়তো অলংকরণ শিল্পীদের জন্য ভাবিনি।
তখন চারু আর ভূপতি পৃথিবীর সব হতভাগ্য চারুরা আর ভূপতিরা হয়ে গেছে! আজ, দ্বিতীয় পর্ব।
যে কোনও মুহূর্তে উল্টে পড়ে যেতে পারেন, অথচ একটা আনস্টেবল ইকুইলিব্রিয়াম বজায় রেখে তিনি আমাদের গলি টপকে নিজের রাস্তায়, প্রায় হাফ কিলোমিটার হেঁটে, বাড়ির দরজায় কড়া নাড়তেন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved