Robbar

Sangbad Pratidin

অন্বেষণে কেয়া চক্রবর্তী: ব্যক্তিগত নাকি রাজনৈতিক?

কেয়া অধ্যাপনা ছেড়েছিলেন সর্বক্ষণের থিয়েটার কর্মী হওয়ার তাগিদে। অধ্যাপনা করতে করতে মন দিয়ে থিয়েটার করা যাচ্ছিল না। অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নিয়েছিলেন এক কঠিন শপথ। গ্রুপ থিয়েটারকে ‘মিডল ক্লাস ‘হবি”-র গণ্ডি থেকে বের করে আনার শপথ।

→

বাহন বিড়ালের ভার লাঘব করতে হয়েছিল স্বয়ং ঠাকুরকেই

ইন্টারন্যাশনাল ক্যাট অ্যাসোসিয়েশন অনুযায়ী, প্রায় ৫৮ রকমের বিড়াল আছে। তবে নানা সংস্কার বশে কালো বিড়াল একটু এড়িয়ে চলাই হয়। মিশরে কালো বিড়াল ‘শুভ’ বলেই মানা হয়।

→

যৌনতার শুরু বা শেষ কোনওটাই বিছানায় নয়, ‘যৌনতার পাঠশালা’-র সূত্র লুকিয়ে ঠিক ওইখানে

‘যৌনতার পাঠশালা’র ভাবনা শুরুই হয়েছিল যৌনতা নিয়ে ‘যা খুশি তাই বলা’ বা ভাবার লাইসেন্স নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করার জন্য যে, যৌনতা মানে কে কাকে কার সঙ্গে শুয়ে পড়তে চায় সেই সংক্রান্ত তাল পাকানোই শুধু নয়, যৌনকর্ম এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসাবে আলোচিত হতে পারে।

→

আমাদের দু’দণ্ড শান্তি দিয়েছে নাটোরের জুকারবার্গ

নীল রঙে আমাদের ঘুম ভাঙে। আর লালে ঘুম পায়। বৈজ্ঞানিকেরা বলেন, এগুলো সবই বিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত। সকালের আলোয় নীল বেশি। হাজার হাজার বছর ধরে গুহা থেকে বেরিয়েই আকাশের দিকে তাকালেই একরাশ নীল আলো এসে রেটিনায় ঝাঁপিয়ে পড়ে।

→

সাদা সাদা কালা কালা

আজ রঙের দিন। কিন্তু জীবন ভরে আছে সাদা-কালোয়। রঙিন দিনে খানিক সাদা-কালো কথা।

→

প্রতিমা না বানালে মুখোশের আদল কিছুতেই ঠিক আসবে না

পুরাতন মালদার গম্ভীরা-মুখাশিল্পী স্বপন বসাকের সাক্ষাৎকার। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন গৌরবকেতন লাহিড়ী।

→

শিশু হাসপাতালের ‘কেমোথেরাপি’ ওয়ার্ডে টাঙিয়ে রাখা হয়েছিল চণ্ডীর কার্টুন

কার্টুনকে শুধু পণ্য প্রচারের বিজ্ঞাপনে নয়, বিশেষত জনসংযোগের মাধ্যমে কাজে লাগানোর বিচক্ষণতার পরিচয় রেখেছেন চণ্ডীবাবু– তাঁর নিজের ভাষাতেই বিদ্যা হিসাবে ‘কার্টুন হল সর্বগ্রাসী’, শিশুশিক্ষা থেকে জনবিজ্ঞান, ইতিহাসের চর্চা থেকে রঙ্গব্যঙ্গচর্চা সবেতেই তাই তাঁর সুদক্ষ হাতের তুলির আঁচড় চোখে পড়েছে।

→

অশুভ ‘বুড়ির ঘর’ পুড়িয়েই আসে শুভ বসন্তের দোল উৎসব

আমাদের ফিচকারি তৈরির অবসরে হোলির কয়েক দিন আগে থেকেই পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে রাঙা ঠাকুমার নাচ উঠানে বসত প্রাক্ দোলের আড্ডা। তার রান্নাশালার এক প্রস্তর মেঝের দখল নিতাম আমরা, সে ক’দিন।

→

বিস্ময় আর ক্ষুধার রং নিয়ে হেঁটে যান হিমু ও ভিনসেন্ট

মধ্যবিত্ত বাঙালির মনে ভবঘুরে, ছন্নছাড়া, সংসার-উদাসীন গুণী পুরুষের জন্য একটা অনিচ্ছুক শ্রদ্ধা আছে। হিমু বা ভ্যান গঘ-এর প্রতি আমাদের টানের একটা কারণ বোধহয় এটাও।

→

প্রসেনিয়ামে আকাশকে টেনে আনা, আকাশি রঙে মিশে যাওয়াই আমাদের চ্যালেঞ্জ

আকাশি রং না থাকলে সমুদ্র কার সঙ্গে কথা বলে রঙিন হবে? গাছপালা কার সঙ্গে কথা বলে পবিত্র হবে? রাখালের বাঁশির সুরে কীভাবে মিশবে জীবন?

→