পুস্তিকা নয়, আসলে একটি গোটা কাগজকেই চারভাঁজ করে ছাপা হত ‘প্রতিক্ষণিকা’। প্রথম বছর (১৯৮৬) প্রতিদিন থাকত একাধিক বই-বিষয়ক স্বাভাবিকভাবেই সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ এবং সাহিত্য বিষয়ে ধাঁধা, প্রথম নির্ভুল উত্তরদাতার নাম ছাপা হবে এবং তাঁকে একটি বই উপহার দেওয়া হবে এমন একটি প্রতিশ্রুতি-সহ। থাকত বইমেলার একটি ধারাবিবরণী থাকত।
বইমেলা থেকে বাবার প্রথম কিনে দেওয়া বই উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর ‘টুনটুনির বই’। এমন ভালো-মন্দের নানা স্মৃতি বইমেলাকে ঘিরে, তাই নিয়ে লিখছেন সুমেধা চট্টোপাধ্যায়।
পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বাবা-রা প্রাধান্য পাবেন, সেটা স্বতঃসিদ্ধ ধরে নিয়ে বড় হতে থাকি।
থিমপুজো হলেও, মূর্তি গড়তে গিয়ে মাতৃভাব সবসময় বজায় রেখেছি।
‘নাইটহুড’ সম্মান ফেরানোর পর রবীন্দ্রনাথের লেখার উপরেও যে সেই অদৃশ্য প্রহরা জারি ছিল, তার সাক্ষ্য দেয় কবির ব্যক্তিগত চিঠি।
হোটেলের মেনু কার্ড, আদতে খাবারের পাসপোর্ট– প্রবাসীর ঘরে ফেরা।
মেলার শেষ দু’দিন বা তিনদিন বেশিররকম ছাড়ে বই দেওয়া হত। নাম ছিল ‘বইবাজার’। ৮০% পর্যন্ত ছাড়ে বই পাওয়া যেত।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved