রবীন্দ্র-মৃণালিনীর দাম্পত্য জীবনে রবীন্দ্রনাথের বড় আমি যেমন ছিল, তেমনই ছিল ছোট আমির জগৎ। মৃণালিনীকে লেখা রবীন্দ্রনাথের চিঠিপত্র সেই সাক্ষ্য বহন করছে।
আমার এখন একটাই চিন্তা, আমার পরে যেন কেউ আসেন, এটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
দেবীপক্ষ ফুরিয়েছে। শীতল দেবী ফুরোতে দেননি নিজেকে। ভারতের হয়ে সোনা পেলেন প্যারাঅলিম্পিকসে।
কীট-পতঙ্গের ভাষা বুঝতে পারা আশ্চর্য এক মন্ত্রকে ঘিরে এবারের জাতকের কাহিনি।
মণীন্দ্র গুপ্তকে যাঁরা পড়বেন, যাঁরা মণীন্দ্র গুপ্তর আশ্রয় নেবেন, বা মণীন্দ্র গুপ্তর নাম প্রথম শুনছেন যাঁরা, এই বই হতে পারে পুজোর আগে সেই প্রস্তুতিটি।
কুস্তুরিকা বলছেন, শৈশবের সেই বাড়িতে মারাদোনা যেদিন তাঁর সঙ্গে গেলেন, সেই কয়েকটা ঘন্টা এই যন্ত্রণাকাতর রাজপুত্রকে বড় সুখী মনে হয়েছিল।
আমি আমার দখলে, আমি আমার কবলে, সুতরাং আমি আমার খেয়ালেই চলব, আমি আমার দর বাড়াব, আমি আমার বাড়ির কাজের লোকের দর বাড়াব, যাতে তারা বুঝতে পারে তাদের বাকিরা কম দিচ্ছে।
লীলা খালেদ বিমান হাইজ্যাক করে কাউকে আঘাত করেননি। বার্তা দিতে চেয়েছিলেন, প্রতিরোধ ছাড়া মুক্তি পাওয়া যায় না। শুধু বিক্ষোভ নয়, দরকারে অস্ত্র ব্যবহার ও তা জনপ্রিয় করার জন্য মহিলারা প্রস্তুত।
অসুস্থ হলে মা-র আদর-যত্ন, ওষুধ খাওয়ানো, পথ্য তৈরি করা, গায়ে-মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুমপাড়ানি গান, কোথায় সেসব?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved