Robbar

Science

মহাবিশ্বের মহাসূত্র আবিষ্কারই ছিল হকিং-এর চূড়ান্ত লক্ষ্য

প্রকৃতি পঙ্গু করেছে তাঁর দেহকে, কিন্তু থামাতে পারেনি তাঁর মনন। বিশ্বের নবম আশ্চর্য– একটি স্টেলার অ্যাচিভমেন্ট ফর আস ফ্র্যাজাইল হিউম্যানস। এই ইমেজটা বিবিসি ইন্টারভিউ হোক বা সংবাদমাধ্যমে– চালানো হচ্ছিল, মানুষ খাচ্ছিলেন। শুধু কি হকিং জনপ্রিয় পপুলার সায়েন্স লেখক, ধূর্ত ইমেজ বিক্রেতা, না সত্যিই মহাবিজ্ঞানী?

→

এক শিল্পী, এক বিজ্ঞান-অন্বেষকের স্বগতভাষণ

এলোমেলো অবিন্যস্ত খসড়ার ধরনই লেওনার্দোর নোট্‌সের নান্দনিক ভিত্তি। আর ঐতিহাসিক ভিত্তিটি অবশ্যই রেনেসাঁসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তা খানিকটা সমসাময়িককে অতিক্রম করে যাওয়ায়– শিল্প, বিজ্ঞান, দর্শন– প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই; খানিকটা মানুষ ও প্রকৃতির আন্তঃসম্পর্ককে দেখার প্রেক্ষিত বদলে; আর খানিকটা ‘শিল্পী’-কে ‘কারিগর’ থেকে ‘দার্শনিক’-এ উন্নীত করায়।

→

জীবন আসলে ক্যালাইডোস্কোপ, সামান্য ঘোরালেই বদলে যায় একঘেয়ে নকশা

কয়েকটা রঙিন কাচের টুকরো আয়নায় প্রতিফলিত হয়ে তৈরি করছে অসংখ্য অপ্রত্যাশিত প্যাটার্ন। সুখ, দুঃখ, সাফল্য, ব্যর্থতা, সম্পর্ক এবং অভিজ্ঞতা। জীবনের ক্যালাইডোস্কোপের উপাদান। প্রতিমুহূর্তে নতুন নতুন আকার, নতুন সম্ভাবনা। একটু ঘুরিয়ে দিলেই বদলে যায় নকশা, জীবনকে একঘেয়ে হতে দেয় না।

→

সমস্যার পৃথিবীতে সমাধান শেখানোর ক্ষুদ্র সংস্করণ সুদোকু

নিষেধের বেড়াজাল মেনেও কীভাবে একটা সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়– পদার্থবিজ্ঞান, জীববিদ্যা বা অর্থনীতির পাঠ– সর্বত্র ছড়িয়ে আছে এই ধরনের গাণিতিক সমস্যা। বাস্তব জীবনের সমস্যাগুলো গাণিতিকভাবে আরও জটিল, কন্সট্রেইন্ট বা নিষেধাজ্ঞাও নানাবিধ। কিন্তু তার একটা ছোট মডেল হিসেবে সুদোকুর তুলনা নেই।

→