‘বিহরতি হরিরিহ সরসবসন্তে…’ এইটুকু শুনে কি উঠে দাঁড়ালেন গোরা! মৃদঙ্গ মর্দলায় চারমাত্রার বোল উঠেছে, বেজেছে মঞ্জিরা, ভিতরে ভিতরে মঞ্জরীভাবে বারবার নৃত্যপর হয়ে উঠছেন গোরাচাঁদ। নীলাচলে তিনি কালা নন, রাধা।
আপাত নিরীহ রঙের পরতেই আছে অন্য রং। ‘বুরা না মানো হোলি হ্যায়’-এর ছদ্মবেশে, রুচির লক্ষ্মণরেখা লঙ্ঘিত করে, তৈরি হয় অবাঞ্ছিত স্পর্শচরিতকথা। রঙের ভিড়ে সাধারণত, পাখির চোখ নারীরাই। উৎসবের আছিলায় ‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’– ট্যাগলাইনে এই অসভ্যতার অলিখিত ছাড়পত্র যেন হোলিতে সর্বজনসিদ্ধ।
এ জগতে পলাশই একমাত্র পুরুষ ফুল! বাকিরা ‘পুষ্প’ বা ‘পুষ্পা’, মানে নারী। হেঁটে বেড়াচ্ছি বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের অনন্ত ল্যান্ডস্কেপে। মাঠা থেকে হাতিপাথার অবধি ছড়ানো এই কিংশুক উপত্যকা যেন ভারত-পাকিস্তান, ইউক্রেন-রাশিয়া, ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন দ্বন্দ্বের নামে লাশের রাজনীতির প্রতিবাদ, ওরফে পলাশ!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved