Robbar

Uttamkumar

‘না কিনুন, একবার হাতে নিয়ে দেখুন!’

ভিড়ভর্তি মেলার মাঠে দু’ হাত অন্তর ছবি! হাতছানি দিয়ে ডাকছে, কতকটা আদ্যিকালের ছাপানো বিজ্ঞাপনের অদৃশ্য সুরে– ‘না কিনুন, একবার হাতে নিয়ে দেখুন!’ বিস্তর শিল্পী, লেখক, সম্পাদক, ছাপাখানার কর্মীদের সমবেত সম্মেলনে এক মহা ধুমধাম। বইয়ের ছবি? ছবির বই? নাকি ছবিতে গল্প? কোনটা? বোধহয় সবগুলোই সত্যি।

→

চলচ্চিত্রচর্চার অপার ভুবন

এই বইয়ের সূচনাবিন্দু যদি হয় আদিপর্বের সিনেমা, তারপর ক্রমে শহর ও পঞ্চাশের জনপ্রিয় ছবি, মধ্যপর্বে সে পৌঁছে যায় ক্রম-প্রসরমান ইমেজ কালচারে, টেলিভিশন আর গণপরিসরের অস্বস্তিকর নানা প্রশ্নে। কিন্তু শেষে গিয়ে সে আবার বেরিয়ে যায় আপাত-সময়পঞ্জী অনুসারী চলন থেকে।

→

প্রণব রায় না থাকলে ‘আমি যামিনী তুমি শশী হে’ ইতিহাস হত না

সেদিন শুধু একটি গানে রেকর্ডিং ছিল না। সেটা হয়ে উঠেছিল সময়ের ভেতর দিয়ে জন্ম নেওয়া এক অমর সুর। সেদিন আসলে রেকর্ড হয়েছিল ইতিহাস।

→

পাবনার হলে জীবনের প্রথম সিনেমা দেখেছিলেন সুচিত্রা সেন

সুচিত্রা সেনের আদি বাড়ি যশোর। পাবনা– তাঁর শৈশবের শহর। প্রথম যৌবনের শহর। প্রথম সিনেমা দেখার শহর। পাবনা শহরের গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর লেনে সুচিত্রাদের বাড়ি। বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত ছিলেন পাবনা পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, পরবর্তী সময়ে পদোন্নতি পেয়ে হেডক্লার্ক হয়েছিলেন।

→

নায়ক ছবিতে উত্তমকুমারের কস্টিউমের মাপ নিয়েছিলেন মনসুর, তাঁর থেকেই আজীবন পাঞ্জাবি বানাতেন বসন্ত চৌধুরী

মনসুরের তৈরি করে দেওয়া এক ধরনের পাঞ্জাবিই রীতি মেনে বাবাকে পরতে দেখেছি। পাঞ্জাবি অবশ্যই অনেকগুলো, নানা সময়ে তৈরি করতে দেওয়া। কিন্তু প্রতিটা পাঞ্জাবিই এক্কেবারে একইরকম দেখতে। ছয়ের দশকের পাঞ্জাবির নকশা বা কাপড় যা, নয়ের দশকেও তাই।

→

‘নায়ক’ সিনেমায় সত্যজিতের বইয়ের ব্যবহার

এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কোথাও কাজ করছিল 'পথ' শব্দটা। বিভূতিভূষণেরপথের পাঁচালী  উপন্যাস ছিল জীবনের কঠিন লড়াইয়ের মধ্যেও হরিহরের স্বপ্ন দেখা, স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার গল্প। নায়ক-এ অরিন্দম তার জীবনের যে গল্প অদিতিকে বলতে বলতে যাবে, তা-ও তো জীবনের সঙ্গে যুঝতে যুঝতে আর এক স্বপ্ন দেখার গল্প, যেন বা আর এক পথের পাঁচালীই।

→

ডার্ক ডার্ক কিসকো ডাক?

ডার্কগ্লাস না পরে ব্যাট করতে নামলে শ্রেয়স ‘ডাক’ করতেন না সেঞ্চুরি করতেন, সে প্রশ্ন শ্রোয়েডিংগারের বিড়াল হয়ে আমাদের মনে উঁকি দেবেই।

→