অলকানন্দা সেনগুপ্তের এই একক প্রদর্শনী আমাদের সময়ের এক দর্পণ। এখানে ক্ষমতার বর্বরতা যেমন উন্মোচিত, তেমনি মানুষের আর্তি ও প্রতিবাদও স্পষ্ট। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় দাঁড়িয়ে অলকানন্দার শিল্পভাষা একদিকে উত্তরাধিকার বহন করে, অন্যদিকে সমকালীনতার এক স্বতন্ত্র ও প্রাসঙ্গিক অধ্যায় নির্মাণ করে।
পরিতোষ সেনের বর্ণনায় জানা যায়, মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের কাছে সংবাদ আসে যে তাঁর প্রিয় সভাসদ এনায়েত খাঁ মৃত্যুপথযাত্রী। খবরটি শোনামাত্র সম্রাট তাঁকে দেখার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন। এই মুহূর্তেই একটি ঐতিহাসিক শিল্পকর্মের জন্মের ইতিহাস সূচিত হয়। ইনায়েত খাঁ-র জীর্ণ দেহের নির্লিপ্ত প্রতিকৃতি অঙ্কনের নির্দেশ দিলেন জাহাঙ্গীর।
ছবির ভাবের সঙ্গে চিত্রশিল্পীর নিজস্ব ভাব মিশে থাকে, সেই ব্যাপারে ক্যামেরার যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তা নিয়ে শিল্পীদের কোনও দ্বিমত ছিল না। ভারতশিল্পের অন্যতম রূপকার নন্দলাল বসু রাখঢাক না-করেই বলেছিলেন, ‘ক্যামেরা যন্ত্রমাত্র, হৃদয় ও বুদ্ধি নাই বলে তাতে প্রকৃতিতে যা আছে তার নিখুঁত ডিটেল উঠে মাত্র।’
নাবিকেরা যদি পথ হারায়, সে পথ খুঁজে দেন জলের দেবতা। মুর্শিদাবাদে সেই দেবতার প্রতি উৎসবই বেরা উৎসব। পথ ভুল করে যে জীবনজাহাজ পাড়ি দিয়েছে, তাও ঠিক পথ খুঁজে পাক।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved