বাংলা ভাষার জন্য বিদ্যালয় স্তরটি বস্ত্র-বয়নের কাজ করে। ভাষার মোটা ভাত-কাপড় তো সেই জোগায়। সেই জোগান বন্ধ হয়ে গেলে বা সেই ভাত-কাপড় দেওয়ার উপযুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা না থাকলে ভাষা-শরীর জীর্ণ ও বস্ত্রহীন হবেই।
সকলের চোখের সামনে নেমে আসুক অশরীরী বই, সকলের শ্রুতিতে বাজুক কানবই। সেটা হলে বেশ হয়।
ইচ্ছে করে সমরেশ কালকূটকে ডেকে এনে শতবর্ষ পরের এই মেলার ব্যবসায় একবার পদচারণা করাই। নেহেরুর ভারত আর মোদি-যোগীর ভারতের ভেদটুকু আমাদের বলে দিয়ে যান।
নিত্যানন্দবাবুকে পাত্তা না দিয়ে পাঁচরকি হঠাৎ নাচতে শুরু করল। প্যান্ডেলের নাচ নয়, বিশুদ্ধ রবীন্দ্রনৃত্যের মতো কিছু একটা। তারপর একযোগে বলে উঠল আমরা সবাই রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনের মতো ভদ্র হব।
বাঙালি একদিকে রবীন্দ্রনাথকে ভক্তি করে মাথায় তোলে, অন্যদিকে রঙ্গ করে পথে বসায়। একটি অন্যটির প্রতিক্রিয়া।
এক বাংলার স্যর ও পাঁচ রোয়াকের ছেলের আড্ডা। বিষয়: বাংলা ভাষা ধ্রুপদী তকমা পেল।
যে বিষয়গুলি প্রত্যক্ষত শ্রেণিগতভাবে কিষান-মজদুরদের স্পর্শ করে না, এমন অনেক বিষয় যা এই চাকরি করা ভদ্র সাধারণকে প্রত্যক্ষত স্পর্শ করে, তার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকছেন লক্ষ্মণের সাধারণ মানুষ– একা, নিরুপায় কিন্তু সচেতন। খবরের কাগজের পাতায় সহ-সাধারণদের সচেতন করে দেওয়াই তাঁর কাজ।
‘বর্ত্তমান ভারত’-এ বিবেকানন্দ রাম, অশোক ও আকবর তিনজনকে ‘মহামতি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন।
রবীন্দ্রনাথ আর রবীন্দ্র-সাহিত্যের প্রতি পাঠকের মন লাবণ্যের মতো। এই বিদায় নেয় বলেই থাকার মুহূর্তটুকু বন্ধনহীন গ্রন্থি হয়ে ওঠে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved