এই গদ্য যেমন ‘স্পষ্ট, সরল এবং অকৃত্রিম’, তেমনই ‘মায়াবী অথচ স্বাধীন এক দুঃসাহস’। ছোট এক গদ্যাংশে পাশাপাশি ‘চালের কারবার’, ‘রান্নাঘর’, ‘খাটা পায়খানা’ এবং ‘ভাঙা ফুলের টব’। ঠিক যেমনটা বাস্তবের পৃথিবীতে তাদের সহাবস্থান। ‘সভ্য’ মানুষ যাকে আলাদা রাখতে ‘সামাজিক স্বাচ্ছন্দ’ বোধ করে। কিন্তু কবির সে দায় নেই।
আজকে যে বিশ্বব্যাপী নৈকট্য, তার থেকে অনেক আলাদা ছিল তখনকার বিজয়গড়, তখনকার উদ্বাস্তু কলোনি, তখনকার ভারত। ১০টি পর্বে সেই কাহিনির মালা গেঁথেছেন লেখক রংগন চক্রবর্তী।
এ জগতে পলাশই একমাত্র পুরুষ ফুল! বাকিরা ‘পুষ্প’ বা ‘পুষ্পা’, মানে নারী। হেঁটে বেড়াচ্ছি বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের অনন্ত ল্যান্ডস্কেপে। মাঠা থেকে হাতিপাথার অবধি ছড়ানো এই কিংশুক উপত্যকা যেন ভারত-পাকিস্তান, ইউক্রেন-রাশিয়া, ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন দ্বন্দ্বের নামে লাশের রাজনীতির প্রতিবাদ, ওরফে পলাশ!
কেন দেশ ছেড়েছিল কাবুলিওয়ালারা? কীভাবে তারা ভারতে এসে পড়ল? কত পুরনো এই অভিবাসন? পশ্চিমের পথ ডিঙিয়ে কীভাবে তারা এসে পড়ল ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা শহরে। বাংলায় আর্দ্র জলহাওয়ায় কি তাদের জীবনচর্যা, সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসে বদল হল? উত্তর খুঁজেছেন তুহিন হক।
দশ টাকার নোট পাকিয়ে সিগারেট খাওয়া যায়, বাইজি ভূতের শ্রাদ্ধে উৎসর্গ করা যায় সেই সময়কার দু’ লক্ষ টাকার গয়না, বেড়ালের বিয়েতে ছ’ হাজার মানুষ খাওয়ানো যায়, মুরগির লড়াইয়ে তিন লক্ষ টাকা খরচ করা যায়। তবে বাবু মাত্রই কি অন্ধ অহংয়ের নিকশ কালো রাত?
কালকূট তাঁর নিরাসক্ত তথা বৈরাগ্যের দৃষ্টিতে দেখেছেন কীভাবে বুড়িগঙ্গার তীরে ভূমিষ্ঠ একটি প্রাণ একটু একটু করে সমরেশ বসু হয়ে উঠলেন।
‘প্রতিরোধ কবিতা’র সংকলন ‘অলিভের রক্ত’ যতটা ইতিহাসের দলিল, ততটাই শিল্পেও দায়বদ্ধ। বাজারি কবির অর্ডারি কবিতা নয় বলেই হয়তো। রক্ত দিয়ে লেখায় ভণ্ডামি সম্ভব না। সবচেয়ে বড় কথা, এখানে কবিতাই বড়, কবি অহেতুক।
এমন দিনে যে ট্রেন এসে দাঁড়াল আধভেজা শহরতলির লাজুক স্টেশনে, তার যেন কোনও গন্তব্যই নেই, কোথা থেকে এসেছে?
পেশাদার, অপেশাদার, শৌখিন– সব ধরনের লেখক এ বইয়ে শিক্ষণীয় ও অনুশীলনযোগ্য কিছু না কিছু পাবেনই।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved