Robbar

যে সুচিত্রাকে ভোট দিতে বা ডাক্তার দেখাতে বেরতে হয়, সেই সুচিত্রাকে আমি চিনি না

চিরকালের যৌবনের রহস্যময়তার প্রতীক হয়ে থাকতে চেয়ে নায়িকা যদি তাঁর রূপযৌবন সম্মান প্রতিপত্তি থাকতে থাকতেই সব মোহ ত্যাগ করে স্বেচ্ছায় অসামাজিক, অন্তরালবর্তিনী হয়ে যান, সেটা তো অসামান্য সংযমের, সুবিবেচনার এবং ইচ্ছাশক্তির কাজ।

→

আড়াল বেছে নিলেও সুচিত্রা চিরকালের মোহিনী

রুপোলি পর্দার মোহিনী আড়াল থেকে দর্শকদের পুজো পাওয়ার লোভ এবং মোহ অনায়াসে ছেড়ে দিয়ে প্রচণ্ড ভাবে সুরক্ষিত প্রিভেসির আড়ালে সমাজ-বিচ্ছিন্ন সাধারণীর জীবন কাটানোর মতো মনের জোর তো গ্রেটা গার্বো আর সুচিত্রা সেন ছাড়া কারুর দেখিনি।

→

হাওয়াবদল

‘রোববার’ পত্রিকায় নবনীতা দেবসেনের শেষ লেখা। যে লেখায় নেই শেষবেলার ক্লান্তি, বরং নতুন কাজের জগৎ উন্মোচিত হয়। মনে হয়, এই বুঝি লিখতে বসলেন নবনীতা দেবসেন, ভালোবাসার বারান্দায় হেলান দিয়ে। শেষ লেখায় নতুন শুরুর গন্ধ, হাওয়াবদল।

→

অল্‌রাইট কামেন্‌ ফাইট্‌! কামেন্‌ ফাইট্‌!

এই লেখাটি ‘রোববার’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ২৭.১০.২০১৯-এ। মৃত্যুর সঙ্গে বোঝাপড়া করছিলেন যেন নবনীতা দেবসেন। পাঠককে প্রথমবারের মতো জানালেন তাঁর অসুস্থতার কথা, মৃত্যুমুখিতার কথা। তবুও জীবনের প্রতি উচ্ছ্বাস কমেনি তাঁর। তাই এই লেখাটিও তাঁর শেষ লেখা নয়।

→

আমার তো বাবা সেই ছয়ের দশকের রামকৃষ্ণ মিশনের পুজোর জন্যই মনকেমন করে

রাত বাড়তে, মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে, ওরা বলল, চলো, তোমাকে আমাদের ‘গে-বার’-এ নিয়ে যাই, সিডনির গে-লাইফ কেমন হয় চোখে দেখে যাও। সেখানে এক পেশিবহুল পুরুষ অসামান্য কোমল নারীর নাচ নাচলেন। ‘রোববার’-এর ‘প্রবাস পুজো’ থেকে পুনর্মুদ্রিত।

→