মিয়া ব্যালার্ড নতুন লেখিকা। তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস ‘সাই গার্ল’ প্রকাশ করেছেন হ্যাচেটে। সমাজমাধ্যমে পাঠকরা ইতিমধ্যে অভিযোগ করেছেন যে, ব্যালার্ডের উপন্যাস আদৌ তাঁর নিজের লেখা নয়। বরং, এআই-এর লেখায় যতগুলো ফিঙ্গারপ্রিন্ট থাকতে পারে, সেসব এই উপন্যাসের ছত্রে ছত্রে। এত অভিযোগ সত্ত্বেও প্রশ্ন একটাই– এভাবে কি এড়ানো যাবে এআই-এর সৃজনশীলতাকে?
বেলা তারের ‘দ্য তুরিন হর্স’-এর প্রথম ৭ মিনিট ৪০ সেকেন্ডেই ধরা পড়ে তাঁর সমগ্র সিনেমার দর্শন। নিৎসের ঘোড়ার কিংবদন্তি থেকে শুরু হয়ে ক্যামেরা, শব্দ ও নৈঃশব্দ্যের মধ্য দিয়ে খুলে যায় এক নির্দয় বাস্তবের দরজা। আন্দ্রেই তারকোভস্কির স্বপ্নদৃশ্য থেকে বেলা তারের শেষ সিনেমা– দু’টি ছবির মধ্যে যেন রয়েছে এক অমোঘ আলোকসেতু।
সাকুল্যে পাঁচটা গল্প। ‘ইন দ্য সাউথ’ আর ‘দি ওল্ড ম্যান ইন দ্য পিয়াৎজা’ তুলনায় ছোট। ‘লেট’ আর ‘ওকলাহোমা’ বেশ বড়। সবচেয়ে বড় গল্প/উপন্যাসিকা– ‘দ্য মিউজিশিয়ান অফ কাহানি’। প্রতিটা গল্পে কোনও না কোনও ভাবে মৃত্যুর গায়ের গন্ধ।
এ বছর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন হাঙ্গেরির লেখক লাজলো ক্রাজনাহোরকাই। ২০১৫ সালে পেয়েছিলেন ম্যান বুকার ইন্টারন্যাশনাল। তাঁর নিরীক্ষামূলক গদ্য, দীর্ঘ বাক্যবিন্যাস। পিরিয়ড নেই, বাক্য থামছে না। চলকে পড়ছে, উপচে পড়ছে যেন। তাঁর লেখা টেনে-উপড়ে চিহ্নিত করে সভ্যতার অসুখ।
বইটা আরেকবার পড়ুন। তারপর সিরিজটাও দেখুন। দেখুন না, আপনার চোখে অন্য কিছু ধরা পড়ছে কি না! অন্তত গঙ্গাজলে গঙ্গাপুজোই হল না হয়! দেখার সৌজন্যে আরেকবার অন্তত ফিরে পড়া হবে এই আশ্চর্য কুহকী উপন্যাস! আরেকবার হবে মার্কেজযাপন।
খর্ব রাজনীতির কাটাকুটির ঊর্ধ্বে গিয়ে মহাকাশযান হয়ে উঠেছে এক হারানো পৃথিবীর আশ্রয়বৃত্ত, যেখানে কোনও দেশের মানুষ অন্য কারও থেকে বেশি গুরুত্বের নয়।
পর্দায় যেখানে আলোর জীবনে হাজার চরিত্রের ভিড়, সেখানে অন্ধকারকে একটা ছায়াও সঙ্গ দেয় না। সেজন্যেই বোধহয় রামায়ণে রাবণছায়া বেশি মরমী।
২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পেলেন কোরিয়ান সাহিত্যিক হান কাং। অস্তিত্বের অতীন্দ্রিয় অস্বস্তি ধরা পড়ে তাঁর লেখায়। উত্তরাধুনিক সমাজে আমাদের প্রত্যেকেরই বুকের ভিতর রক্তক্ষরণ চলছে অবিরত। আমরা চেপে যাচ্ছি রোজ। লোকলজ্জার ভয়ে, মানহানির ভয়, গড্ডলিকা প্রবাহের বিপরীতে একা হওয়ার ভয়ে। কাং সেসব টেনে খুলে ফেলেন।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ।
মৃত্যুর কয়েকদিন আগে অব্দি প্যারিসের মানুষ দেখত ইসমাইল কাদারে লে রস্ত্যাঁ ক্যাফেতে বসে আছেন সকালবেলা। হাতে কলম। বিস্তীর্ণ লাক্সেমবার্গ উদ্যানের দিকে চেয়ে ভেবে নিচ্ছেন তাঁর পরবর্তী শব্দ।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved