Robbar

প্রসূনের উত্তর কোলকাতা কোনও বিশেষ স্থান নয়, একটা অন্তর্লীন জীবন

নগরজীবনকে নিয়ে কবিতা লেখা প্রসূনের কাছে ‘দুঃসাধ্য’। তাই নগরজীবন নিয়ে কবিতাকে ‘আধুনিক’ বলে আসলে আধুনিক কবিতার চিরায়ত ঘাড়ে-চেপে-বসা ভূতটিকে ছাড়াতে চান। প্রসূনের উত্তর কলকাতার কেন্দ্রে বসে লেখা কবিতাজগৎ বঙ্গীয় আধুনিকতার সেই দীর্ঘ প্রতিষ্ঠিত প্রতিমার সুতো সন্তর্পণে কেটে বেরিয়ে আসে।

→

মণীন্দ্রই হয়ে উঠেছিলেন দেবারতির জীবনের কবি শ্রীরামকৃষ্ণ

মণীন্দ্র গুপ্তের মৃত্যুশোক সহ্য করতে করতে দেবারতি এই বিশ্বাসে চিরকাল স্থির থেকেছেন, তিনি আছেন। কেননা, দেবারতি আছেন বলেই মণীন্দ্র আছেন। সারদা আছেন বলেই রামকৃষ্ণ আছেন। পার্বতী আছেন বলেই শিব আছেন। সবাই অখণ্ড। সবই অখণ্ড। শিব-পার্বতীর যুগলকে মেনে রামকৃষ্ণ-সারদার বিবাহ তাই দেবারতির কাছে কবিতা।

→

জনপ্রিয়তাকে দেবারতি মিত্র নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছেন স্থির পরিশ্রমের একাগ্র আগুনে

আমাদের আধো-প্রশ্ন ও তাঁর অপার, অপাপবিদ্ধ মৌনতার মাঝখানে শুধু পাখা-ঘুরে যাওয়ার শব্দ– এইভাবেই কয়েকটি গ্রীষ্ম-বর্ষা-শীত ও বসন্ত পেরিয়েছে, প্রস্তুত হয়েছে ‘ফুল, পুতুল আর আগুন’।

→