চণ্ডীমঙ্গল লেখার সময় মুকুন্দ জন্মস্থান বর্ধমান ছেড়ে আরড়ায়। কিন্তু জায়গাটা ঠিক কোথায়? খোঁজ দিলেন সুকুমার: ঘাটালের শালবনী স্টেশনের একটু দূরে, পূর্বদক্ষিণে। মুকুন্দকে কে স্পনসর করছেন? কে তৈরি করছেন তাঁর ব্র্যান্ড? ব্রাহ্মণ রাজা, পালাধিগাই বীর বাঁকুড়া দেব। এই রাজার ছেলেকে মুকুন্দ পড়ায়।
মনুর মতে, শাসককে বাতাসের মতো অদৃশ্য হয়ে সর্বত্র উপস্থিত থাকতে হবে। কোনও কিছুই গোপন থাকবে না। অথচ সাধারণ মানুষ বুঝতেও পারবে না, শাসক সব দেখছে।
বিয়ের ১০ বছরের মধ্যে, আদালতের যাচিত নির্দেশে, আমাদের বিয়ের আলো যখন নিভে গেল, তার ক’দিনের মধ্যে শক্তিদার সঙ্গে আমার দেখা। চৌরঙ্গীর কোনও পানঘরে। আমার বিচ্ছেদের ব্যথা ফুটে উঠল শক্তিদার চোখে। ঈশ্বরকে আজও বুঝিনি। কত মানুষকে কত কষ্ট দিচ্ছেন বিশ্ব জুড়ে। অথচ আমার ঠুনকো কষ্টে তাঁর চোখে জল!
এই রকম প্রেমপত্র কতদিন পড়েননি বলুন তো? জীবনে একবারও কি পেয়েছেন এমন চিঠি? এমন প্রেমের চিঠি পড়ার থ্রিল ও পরম-লগ্ন কি এসেছে জীবনে?
প্রিয়ম্বদা এসেছেন সুরেন্দ্রর নৈশপার্টিতে দুরুদুরু বক্ষে। কেননা সেই পার্টিতে আসছেন ওকাকুরা। যাঁর তিনটি বিখ্যাত বই-ই পড়েছেন তিনি। যাঁর সম্বন্ধে শুনেছেন অনেক গল্প। বিশেষ করে ওকাকুরার নারীপ্রীতির রূপকথা।
এক রাজনৈতিক তোলপাড়ের মধ্যে ৩৭ বছর বয়েসে নিঃস্ব ও ফ্লোরেন্সে থেকে নির্বাসিত হলেন দান্তে। তিনি একা এবং গরিব। নিরাশ্রয় তিনি। পথে পথে ঘুরছেন এবং চালচুলোহীন অবস্থায় লিখে চলেছেন এমন এক স্পিরিচুয়াল প্রণয়ের মহাকাব্য, যার তুলনা নেই পৃথিবীতে।
স্যর রিচার্ড সংস্কৃতে কথা বলতে পারেন। ‘অনঙ্গরঙ্গ’ অনুবাদের সময় তিনি জানতে পারলেন, বাৎস্যায়নের ‘কামসূত্র’-এর কথা। এবং বোম্বাই থেকে জোগাড় করলেন সংস্কৃত কামসূত্রের একটি পুরনো কপি। জয়পুর আর বারাণসী থেকে আরও তিনটি পৃথক পুঁথি জোগাড় করলেন। শুরু হল রিচার্ডের নিপুণ সম্পাদনা এবং অনুবাদ।
গভীর রাত্রে ঝুম্পার ‘রোমান স্টোরিজ’ শেষ করে আমার মন পৌঁছচ্ছে এক বিহ্বল প্রশ্নে: কেমন সেই লেখার টেবিল, যার বুকে ঝুম্পা লিখতে পেরেছেন ‘দান্তে আলিগিয়েরি’র মতো বিরল গল্প? যে গল্পের দান্তে-তাড়িত সন্ধানী গবেষকের মতো ঝুম্পা বলতে পারেন, আমার নিজের কোনও ভাষা নেই। আমার নিজের কোনও দেশ নেই। পৃথিবীর সব দেশ আমার। সব ভাষাও আমার।
নারী-পুরুষের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে এই লেখা, প্যারিস থেকে কলকাতা পর্যন্ত বিস্তৃত। ১৪ ফেব্রুয়ারির কথা মনে রেখে চলুন আমরা বরং যাই, এক বাঙালি প্রেমে, ১০০ বছর আগে।
উত্তর-আধুনিক ইউরোপিয়ান উপন্যাসের ইতিহাসে এই উপন্যাস নিঃসন্দেহে একটা সরণিফলক। জগৎ-বিখ্যাত উপন্যাস। যার লেখক এক বর্ণময় ভাবমূর্তির এবং বিশ্বব্যাপী প্রসিদ্ধির নির্বাসিত নিঃসঙ্গ মানুষ। আরও একটু বলি, তার লেখার টেবিলের রং ছিল কালো। আর তিনি ছিলেন প্যারিসবাসী। ভালোবেসে ছিলেন এই পরবাসের নিজবাস! তাঁর ভাবনার টেবিল ছিল বাড়ির কাছেই এক সুরানিলয়ে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved