সুপ্রিম কোর্টে ৩৩ জনের মধ্যে ১ জন মহিলা জাজ, এই পরিসংখ্যান নিতান্ত হাস্যকর এবং লজ্জাজনক। সারা বিশ্বে সবথেকে বেশি মহিলা বিচারপতি দেখা যায় পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিতে; হাঙ্গেরি, স্লোভানিয়া, লাটভিয়া বা গ্রিসে মহিলা জাজরা ৭০% সিট অধিগ্রহণ করে থাকে। আমেরিকায় সেখানে ৫১ শতাংশ এবং ভারতে মাত্র ১১ শতাংশ।
সাহিত্য, ইতিহাস, শিল্পকলা, এমনকী, ধর্মীয় পুঁথিতেও যেভাবে যৌনতা, প্রেম বা অন্তরঙ্গতা নিয়ে নানা খোলামেলা আলোচনা পাওয়া যায়, তার সঙ্গে আজকের হিন্দুত্ব মবদের মতামত মেলে না।
মারমুখী যুবাদের সামনে তার পরিচয়, ভাষা বা আইডেন্টিটি ইন্ডিয়ান– এমন জবাবদিহি অনিবার্য হয়ে পড়েছিল অ্যাঞ্জেল চাকমার জন্য। কথা হল, এই চারটে শব্দ: ‘আমি ভারতীয়, চিনা নই’, সীমান্তবর্তী এলাকার এক মৃতপ্রায় যুককের মুখ থেকে শুনে কী ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনীতির আঁচ আমরা পাই?
ক্ষণকালের শীত আসে। ছুঁয়ে থাকে, চলে যায়। চিরকালীন এক জনপদে সেই চঞ্চল শীত কেমন? খুব কি বদলে যায় বেনারস? ঘাটে এসে বসে পুরনো, নতুন, চিরকালীন মানুষ? বদলে যায় রুটিন? ঘুরে দেখুন বেনারস, অক্ষরে অক্ষরে, ছবিতেও।
সোশ্যাল মিডিয়া কি তার মতো আরও হাজারো ছেলেমেয়ের উপর পারফরম্যান্স প্রেশার বা একরৈখিকভাবে নিজেকে উপস্থাপন করার বাধ্যবাধকতা তৈরি করছে? না কি প্রকৃত জীবনে নিজেকে প্রকাশ করতে না পেরে ভার্চুয়াল দুনিয়া তাকে মুক্তির স্বাদ দিতে সক্ষম? এই প্রশ্ন হয়তো একুশ শতকের সবচেয়ে জরুরি ইস্যু।
‘রাজনৈতিক ব্যঙ্গচিত্র’ আঁকেন এমন মহিলা শিল্পী গোটা পৃথিবীতে বিরল। এমন দুর্লভ এক কার্টুনিস্ট ভারতের মায়া কামাথ, প্রয়াত হয়েছিলেন মাত্র ৫০ বছর বয়সেই। মায়া কামাথের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য।
নিজেকে জাহির করতে হয়েছে তাঁকে দেশ-বিদেশের প্রদর্শনীতে, প্রমাণ দিতে হয়েছে দ্রুত গণন ক্ষমতার। কিন্তু উচ্চতর গণিতের ওপর ভর করে কোনও প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা পেয়ে তিনি এগোতে পারেননি। ভারতের তৎকালীন গণিতজ্ঞদের ধারাবাহিক গবেষণার পথের থেকে শকুন্তলার অভিজ্ঞতা অনেকটাই আলাদা।
গল্পের প্রবাহে ছেলে বা মেয়েটি এখানে নিজেরাই সব সিদ্ধান্ত নেয়, কাউকে কম বেশি মনে হয়নি। দিলওয়ালের কাজলের মতো নায়িকাকে অপেক্ষা করতে হয়নি যে, কখন ট্রেন স্টেশনে বাবা হাতটা ছাড়বে আর প্রেমিক হাতটা ধরে নেবে।
আমরা, ভারতীয়রা, যাকে অতি সাধারণ, ‘দৈনন্দিন’ জিনিস ভাবি, তা নিয়ে সাহেবসুবোদের মধ্যে বেশ একটা উত্তেজনা রয়েছে; যেমন ধরুন– গামছা, রান্নার মশলা বা মশারি। ভারতের বাইরেও মশারি ব্যবহারের নজির মেলে, বিশেষ করে প্রাচীন মিশর এবং মেসোপটেমিয়া সভ্যতায়।
গৃহকর্তার ভূমিকা টেনে-হিঁচড়ে নামিয়ে পরিবারের কোনও সদস্য যদি নিজেকে একটু বেশি গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে, তা নিজের কন্যা হলেও, পুরুষের মাথার ঠিক থাকে না। কারণ অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রদান করা পুরুষের গুরুদায়িত্ব এবং তা করতে গিয়ে সে মানসিক দূরত্বের শিকার হলেও ক্ষতি নেই।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved