আদিম সেই গুহাজীবন ছাড়িয়ে হালের আইনি-বেআইনি প্লটে ঘাড় গোঁজার ঠাঁই ইস্তক, প্রেমের খোদকারি বিবর্তিত হয়েছে নিখাদ আখরে– শিকার সঙ্গী থেকে কাব্যাকাঙ্ক্ষা, অধিকার থেকে অংশীদারে, চিরন্তন থেকে চিরউচাটনে, রিলেশনশিপ থেকে সিচুয়েশনশিপে– বদলায়নি কেবল একটাই– মানুষের দাগ রেখে যাওয়ার চাহিদা।
‘বসন্ত বাহার’ (১৯৫৬) সিনেমা ভীমসেন যোশির প্রথম (সম্ভবত শেষও) সিনে-প্লেব্যাক হিসেবে বিখ্যাত হয়ে আছে বটে, কিন্তু অনেকেরই অজানা– এই সিনেমার একেকটা গানে যতটুকু বাঁশি শোনা যায়, সেই সবই পণ্ডিত পান্নালাল ঘোষের পুনরুত্থান কাব্য।
বিদ্বেষ বিষ বর্তমানে যতই সংখ্যাগরিষ্ঠ হোক না কেন, কেবলমাত্র গণতান্ত্রিকতার যুক্তিতেই বলা যায়, ভারত দেশ আর রাষ্ট্র এক নয়। পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও তা অন্যথা হয় না। মৌলবাদীর গলা দিয়ে গোটা দেশের সুর ধরা যায় না কখনও।
খেলা অনেকটা ঘুরে গিয়েছে, আর উপায় নেই, হাতভর্তি আলোই আছে শুধু। বিস্ফোরণের, বনদহনের মেয়াদ শেষে অকৃত্রিম লাঠির মতো, জিলিপির মতো আলো।
না, শিরোনামে ভুল নেই। যদিও এই নামের কবিতার বইও নেই। তাহলে ব্যাপারটা কী?
যেদেশে ক্রিকেট ধর্ম, সেই ক্ষেত্রয় শুধুমাত্র একজন বাঁহাতি ও বাঙালি প্লেয়ার হয়ে সৌরভ গাঙ্গুলির আবির্ভাব ঘটেছিল বলে কত শুচিবাই, কত ট্যাবু, কত অসূয়া, কত সংস্কার ও তার জগঝম্পের ইতি না ঘটলেও তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, তা নিয়ে গবেষণা করলে ক্রিকেটের এক অন্যতর সামাজিক বীক্ষণ কি উঠে আসবে না?
বিশ্ব সংগীত দিবসে বাদ্যযন্ত্র নির্মাতা দুলালচন্দ্র কাঞ্জীর একান্ত সাক্ষাৎকার।
বাবা-মা হাসাহাসি করত, তাদের ছোটবেলায় বিয়েবাড়িতে নাকি প্লাস্টিক চাটনি হত। তা সে যা হোক, বাবা-মায়ের এই হাসাহাসি, ব্যঙ্গ দেখে ভেবেছিলাম, এসব ক'দিনের হাইপ। কিন্তু, সব কেমন বদলে গেল।
জলসংকটে ভারত। বিশ্ব জলদিবসে আরও একবার সেকথা স্মরণ করা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved