
শনিবারের বারবেলায়, নিশ্চিতভাবেই বহু বাঙালিই পরস্পরের পাদুকায় পদাঘাত করেছেন, নেহাত বইমেলার সঙ্গে সংস্কৃতির একটা ঘাঁতঘোঁত আছে, বাস-ট্রাম-মেট্রো-ট্রেন হলে একটা এসপার-ওসপার হয়ে যেত নিশ্চিত! তবে মেলাতেও খাস বাংলায়, সাংস্কৃতিক পদ্ধতিতে খিস্তি করার বেশ কিছু উপায় আছে। সত্রাজিৎ গোস্বামীর ‘অকথ্য শব্দের অভিধান’, অভ্র বসুর ‘বাংলা স্ল্যাং: সমীক্ষা ও অভিধান’, কিন্নর রায়ের ‘খিস্তোলজি’র মতো বই অনায়াসে শত্রুপক্ষকে গিফট করে বলুন, ‘সব আপনারই জন্য!’ এই ধাঁচের বই আদান-প্রদান দ্বিপাক্ষিকও হতে পারে। প্রকাশকেরা নির্ঘাত আমোদ পাবেন। এমনকী, খিস্তিজ্ঞানসম্পন্ন কোনও তরুণ লেখককে পরবর্তী প্রোজেক্ট গালাগালকোষের উৎসর্গপত্রে শত্রুর নাম সাজেস্ট করতে পারেন সামান্য দক্ষিণার বিনিময়ে। তাতে প্রকাশ্যে অপশব্দ ব্যবহারের গ্লানি ও ক্লান্তিও মিটল, তরুণ লেখকও লক্ষ্মীর মুখ দেখলেন।
প্রচ্ছদের ছবি: সুখময় সেন
দাবায় যাঁরা দিব্য, তাঁরা শনিবার দিব্যি বইমেলায় ঘুরেছেন। কারণ বড়জোর আড়াই চাল ছাড়া, এ দিন গত্যন্তর ছিল না। বিশেষ করে, দুপুর ৩ ঘটিকার পর। বহুমুখী জনস্রোত, ঝটিকা সফরেও কেউ কেউ। মেলার গেটে দাঁড়ানো কর্মীরা তবুও দায়বদ্ধ। অবশ্য অন্যদিনের মতো ব্যাগের চেন খুলে সন্দেহবাতিক হাতখানা শেষপ্রান্ত খুঁড়ে ছানবিন করছে না। শুধুই একটি মৌখিক প্রশ্ন: ‘সিগারেট-লাইটার নেই তো?’ সত্যবাদী হোক বা মিথ্যেবাদী– প্রত্যেকেই সম্ভবত অম্লানবদনে ‘না’ বলেছেন। এখনও পর্যন্ত বইমেলায় এহেন সৎ-পাঠকের খোঁজ পাওয়া যায়নি, যিনি প্রত্যুত্তরে বলেছেন, ‘আজ্ঞে আছে।’ বুঝতেই পারছেন, ধূমপান সত্যের পক্ষে ক্ষতিকর।

শনিবারের বারবেলায়, নিশ্চিতভাবেই বহু বাঙালিই পরস্পরের পাদুকায় পদাঘাত করেছেন, নেহাত বইমেলার সঙ্গে সংস্কৃতির একটা ঘাঁতঘোঁত আছে, বাস-ট্রাম-মেট্রো-ট্রেন হলে একটা এসপার-ওসপার হয়ে যেত নিশ্চিত! তবে মেলাতেও খাস বাংলায়, সাংস্কৃতিক পদ্ধতিতে খিস্তি করার বেশ কিছু উপায় আছে। সত্রাজিৎ গোস্বামীর ‘অকথ্য শব্দের অভিধান’, অভ্র বসুর ‘বাংলা স্ল্যাং: সমীক্ষা ও অভিধান’, কিন্নর রায়ের ‘খিস্তোলজি’র মতো বই অনায়াসে শত্রুপক্ষকে গিফট করে বলুন, ‘সব আপনারই জন্য!’ এই ধাঁচের বই আদান-প্রদান দ্বিপাক্ষিকও হতে পারে। প্রকাশকেরা নির্ঘাত আমোদ পাবেন। এমনকী, খিস্তিজ্ঞানসম্পন্ন কোনও তরুণ লেখককে পরবর্তী প্রোজেক্ট গালাগালকোষের উৎসর্গপত্রে শত্রুর নাম সাজেস্ট করতে পারেন সামান্য দক্ষিণার বিনিময়ে। তাতে প্রকাশ্যে অপশব্দ ব্যবহারের গ্লানি ও ক্লান্তিও মিটল, তরুণ লেখকও লক্ষ্মীর মুখ দেখলেন। বুদ্ধিমান পাঠক, আপনারা জানেনই, এই সমস্ত বই নিতান্তই গালাগালের বই নয়– শব্দের ব্যবহার, সামাজিক প্রেক্ষিত, মনোবিশ্লেষণ– বিবিধ আলো ফেলে কালো শব্দগুলিকে চেখে দেখার প্রকৌশল। আগ্রহী পাঠক কোনও বদ উদ্দেশ্য ছাড়াই এই বইগুলি নিজের পাঠতালিকায় সংযোজন করতে পারেন।
যাগ্গে, এসব ইনিবিনি টাপাটিনি। শনিবার লিট্ল ম্যাগাজিন প্যাভিলিয়নের সামনে এক কবির শুভানুধ্যায়ীকে কবির প্রতি চিন্তিত হয়ে বলতে দেখলাম, ‘এবার তোর কোনও বই প্রকাশিত হয়নি কেন?’ কবি, ইদানীংকালে রবীন্দ্রগানে খানিক মজেছেন হয়তো, নিমেষে উত্তর দিলেন, ‘হৃদয় আমার প্রকাশ হল অনন্ত আকাশে’। তখন আকাশে অবশ্য সন্ধে নেমেছে। এহেন সান্ধ্যভাষা তাই-ই হয়তো পুষিয়ে গিয়েছে খানিক। লিটলের ভিড়েই হঠাৎ পাতাল ফুঁড়ে দেখা গেল ‘আব্বাচরিত’-এর কবি সোহেল ইসলামকে। গতবার বইমেলায় তাঁর ছিটেফোঁটাও উপস্থিতি ছিল না। কবিতার কলমটিকে এফিডভিট করিয়ে তিনি গদ্যের কলম বানিয়েছেন। তিতির-এর ‘ভূল’ সংখ্যায় জরুরি গদ্য লিখেছেন, যার বিষয়: মুসলমান সম্পর্কে গড়পড়তা হিন্দুর ধারণা। মনে পড়ে, তাঁরই এক বন্ধু, প্রচ্ছদশিল্পী, লেখার তাগাদা দিতে দিতে একসময় জেরবার হয়ে ‘সোহেল ইসলামের উপন্যাস সমগ্র এক’– এই নামে একটি প্রচ্ছদ করে বাজারে ছেড়ে দিয়েছিল। যদিও তখনও কবির গদ্যে হাতেখড়ি হয়নি। খুব বেশিদিন হয়নি, ‘হাতেখড়ি’ নামের এক নতুন প্রকাশনা সংস্থা নজর কেড়েছে। প্রথম পর্বে ‘ইতিহাসে হাতেখড়ি’ সিরিজটি জনপ্রিয় হওয়ার পর, তাদের নব্য উদ্যোগ: ‘ভাবার বিষয়’। পাতলা, ছিমছাম, সহজ নাতিদীর্ঘ গদ্যের জরুরি দু’টি বই ইতিমধ্যেই বহু পাঠকের হস্তগত– অচিন চক্রবর্তীর ‘কে চায় পরিসংখ্যান’ এবং সীমন্তিনী মুখোপাধ্যায়ের ‘দেখো আমি বাড়ছি মাম্মি’। যদিও, হে কড়চা পাঠক, হাতেখড়ির নিজস্ব কোনও স্টল-টেবিল নেই। তাতে অবশ্য পাঠকপ্রিয়তা আটকায়নি। চাঁদেরও তো নেই কোনও নিজস্ব আলো, জোৎস্না তবুও সর্বত্রগামী।

এ গ্রহে উটকো, বিচিত্র সব সংগ্রহের কারণে গৌতমকুমার দে সুপরিচিত। সম্ভবত ‘বাহনলিপি’র জন্য তিনি সর্বাধিক পরিচিতি পেয়েছেন। বাহনের প্রতি এমন অনুগত বলেই তিনি মদ্যপায়ী নন, তবে মাল-এ তাঁর অভিনিবেশ যথেষ্ট। বর্তমানে লেখক মাল নিয়ে টালমাটাল। জানা যাচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে ‘মাল’ নিয়ে তাঁর আস্ত একখানি গ্রন্থ প্রকাশিত হবে। এই মেলায়, শনিবার সন্ধেয় কড়চা লেখকের হাতে জুটল সেই গ্রন্থটির নমুনা পুস্তিকা। বাংলায় এই প্রথম আস্ত বইয়ের ১৬ পাতার ‘অণু’রূপ। ক্ষুদ্র বিবরণ, বইটির পরিচয়, অধ্যায় ভাগ– সব মিলে, খাসা ‘মাল’। বইয়ের প্রকাশমাত্র তিনি সমাল পাঠকের দ্বারা গ্রেফতার হবেন, আশা করা যায়।

বেশ কিছু বছর ধরেই, ৯ঋকাল প্রকাশনার প্রচারপুস্তিকা ‘চমৎকার’ সব্বাইকার ঝুলিতে। প্রচ্ছদ, বইয়ের দোকান, অভিধান– ইত্যাদি নানা প্রলুব্ধকর পাঠ্যবিষয় সামলে এইবেলা চমৎকারের বিষয়: ‘কেন প্রকাশনায়’। নবীন প্রকাশনা সংস্থাগুলির রঙিন স্বপ্নময় বিনীত অহং ধরা পড়েছে মাত্র ৬০ পাতার আড়ালে। যে বিনয় জরুরি, যে অহং বড় জরুরি– তাকে চিহ্নিত করার জন্য ধন্যবাদ প্রাপ্য চমৎকার-সম্পাদক শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়ের।

৪৫ বছর পর, নির্মল হালদারের গদ্যবই, লিট্ল ম্যাগাজিনের মাটি থেকে আবারও মহাকাশের দিকে লাফ দিল। বইয়ের নাম: ‘আমার কথা, আপনাকে’ (দশমিক)। এই অপূর্ব জবানবন্দি দূরপাল্লার একপিঠে ফুরিয়ে গেলেও, পাঠকের অলিন্দ রক্তের সঙ্গে ততক্ষণে আত্মস্থ করে ফেলবে বাংলা ভাষার এই স্থায়ী আত্মকথন: ‘‘বাবা যখন মারা যায়, আমি তখন ক্লাস টু-এ পড়ি। আমাদের প্রাইমারি স্কুলটা দশের বাঁধের কাছে। ঘর থেকে দু-তিন মিনিট। টিনের চালা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কেবলই একটা ঘর। স্কুলঘর। ডেস্ক-বেঞ্চ ছিল না। একটা ছোটো টুল, বই রাখো। বসব পিঁড়িতে। সামনে ছিল সামান্য মাঠ। একটা ইউক্যালিপটাস গাছ। আমরা জানতাম, ওটা তেজপাতা গাছ। পাতা কুড়িয়ে গন্ধ নিতাম। ওই মাঠেই দৌড়ঝাঁপ, খেলা। অনিল দু-হাত পাখার মতো করে দৌড়াত। বলত, ‘দেখ দেখ পাখি উড়ছে। দেখ, দেখ, উড়োজাহাজ কেমন যায়।’’ মনে পড়ে যায়, এক দশক আগে শঙ্কর দেবনাথ পরিচালিত একটি ছবির কথা– পাকারাম (২০১৫)। দেবারতি মিত্র, চলে গিয়েছেন, ১১ জানুয়ারি, ২০২৪ সালেই। এই বছর বইমেলায়, তাঁর ইতিউতি ছড়িয়ে থাকা, অগ্রন্থিত কবিতাগুলি নিয়েই প্রকাশিত হয়েছে ‘হোরিকা লগন’ নাম্নী কবিতাপুস্তকটি, প্রকাশক: দশমিক। সংকলনের ভার নিয়েছেন রাজদীপ রায়। ইতিপূর্বে তিনি দেবারতি মিত্রের সাক্ষাৎকার সমগ্র (ফুল, পুতুল আর আগুন। আচমন প্রকাশনী) সম্পাদনা করেছিলেন। রাজদীপ রায় এককালে ‘রাই’ নামক একটি ছোটকাগজের সম্পাদনার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়েছিলেন, তাঁর মেধাবী সম্পাদনকে এই ফাঁকে কড়চার তরফে টুপি-খোলা সেলাম।

শান্তিনিকেতনের আশ্রম বা বিশ্বভারতীর ইতিহাসের প্রসঙ্গ উঠলে সচরাচর অজিতকুমার চক্রবর্তীর ‘ব্রহ্মবিদ্যালয়’ গ্রন্থটির নাম আসে না। রবীন্দ্রনাথের ‘আশ্রমের রূপ ও বিকাশ’, ‘বিশ্বভারতী’ ছাড়া উইলিয়াম পিয়ার্সনের ‘শান্তিনিকেতন: দ্য বোলপুর স্কুল অফ রবীন্দ্রনাথ টেগোর’ বইটির উল্লেখ দেখা যায়। কালের বিচারে এই সমস্ত বই-ই ব্রহ্মবিদ্যালয়ের পরের আসনে, উল্লেখ করেছেন সম্পাদক দেবাঙ্গন বসু। তাঁর সম্পাদকীয়র ওস্তাদিই পাঠকদের ভাবিয়ে তোলা। যেমন, তিনি উল্লেখ করছেন অজিতকুমার চক্রবর্তীর চিঠিতে রবীন্দ্রনাথকে তিনি ‘গুরুদেব’ বলেই সম্বোধন করছেন। কিন্তু ব্রহ্মবিদ্যালয় পুস্তিকায় এহেন সম্বোধন তো নেই-ই, বরং উদ্ভটভাবেই ব্যবহৃত হয়েছে ‘রবীন্দ্রনাথ’, ‘কবি’ এমনকী, ‘রবীন্দ্রবাবু’! উৎসাহী রবীন্দ্রজিজ্ঞাসুরা ‘ব্রহ্মবিদ্যালয়’-এর ইতিকথা সংস্করণটি নিজেদের গ্রন্থতালিকায় রাখতেই পারেন।

‘রবীন্দ্রবাবু’র প্রসঙ্গে মনে পড়ল, গতকাল একটি প্রতিভা খামচানো স্টলে ‘বাবুরাম সাপুড়ে’ সম্পূর্ণ মুখস্থ বলার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছিল। এক উঠতি কণ্ঠবাজ ‘বাবুরাম সাপুড়ে’ আবৃত্তি করতে করতে যে ভাঁজ দিলেন, তাতে সুকুমার রায় নির্ঘাত সাপকে সুপারি দিতেন। এ তো তাও সুপরিচিত ছড়া, কিন্তু হামেশাই নানা অনুষ্ঠানে জীবনানন্দ দাশ, শঙ্খ ঘোষ, এমনকী, ভাস্কর চক্রবর্তীর কবিতার সঙ্গেও কণ্ঠের অকুতোভয় ডনবৈঠক কানে আসে। শুনে মনে হয়, বাংলা কবিতার যতটা ডাকাবুকো হওয়ার কথা ছিল, তার চেয়ে ঢের বেশি সাহসী হয়ে উঠেছে বাংলা আবৃত্তি।

শনিবার, প্রায় শেষবেলায়, র্যাডিক্যাল প্রকাশনের সামনে উদ্বিগ্ন এক যুবককে দেখা গেল। সে তার সহবন্ধুকে বলছে, ‘ফ্রেন্ডলিস্টে আছে, ওর বই না-কিনে ফিরে যাব!’ বই কেনার এই নব্যধারাটি বেশিদিন হল উদয় হয়নি। বন্ধুর উপকারে, বন্ধুত্বরক্ষার্থে কেনা সে বই কতদূর তালুর ওম পাবে, ব্রহ্মতালুতে গোঁত্তা খাবে, এমনকী, নামধাম স্মরণে থাকবে কি দু’-পক্ষকাল? কে জানে! তবে সকলেই ভাগ্যিস এমন ‘সুভদ্র’ পাঠক নন , প্রকাশকদেরও মাথায় বাতের ব্যথা হয় না– ফলে ‘ফ্রেন্ডলিস্ট’ দেখে সম্ভাব্য পাঠক সংখ্যার গণনার অলীক পরিসংখ্যানে তাঁদের মন নেই।
মোবাইলে নাক ঠেকিয়ে হন্তদন্ত হাঁটার যে বছরভর দৃশ্য, বইমেলাই পাল্টে দিয়েছে এ ক’দিনে। বয়স্ক, মধ্যবয়স্ক, যুবক-যুবতী থেকে শিশু– হাতে বই নিয়ে দু’চার পাতা পড়তে পড়তেও কত পাঠককেই তো হাঁটতে দেখা গেল মেলা চত্বরে। চোখে মগ্নতা, মুখে বিস্ময়। মাঝে মাঝে দাঁড়িয়ে পড়া। বইমেলা, একটু একটু করে ফুরিয়ে আসছে। বুকের অনেক ভিতরে যে স্মৃতির চার দেওয়াল, সেখানে অ্যান্টিসেপটিক পেরেকে টাঙিয়ে রাখতে ইচ্ছে করে এইসব দৃশ্য। যেমন শনিবার দুপুরে, দু’পায়ের বাঘ হাত বাড়িয়েছিল এক শিশুর দিকে, শিশুটিও আঁতকে না-উঠে, ভালোবাসায়– হাত বাড়িয়েছিল।

প্রিয় পাঠক, কড়চার দিনও ঘনিয়ে এল। রোজকার এই দেখাসাক্ষাৎ, কথাবার্তা, বই, ফুক্কুরি, মেলার মেজাজ– এইসব আর দু’দিনে ফুড়ুৎ! তবে, মনখারাপ করবেন না। এখনও তিনদিন। আস্ত তিনদিন। হাত বাড়ান বইয়ের দিকে। এছাড়া সারা বছর, প্রত্যেক দিন, রোববার.ইন তো রইলই। আপাতত, আজ, রবিবার, মেলায় দেদার ঘুরুন, খানদান, বই কিনুন। যাঁরা আসতে পারলেন না, তাঁদের জন্য ডিজিটাল মেলা ভ্রমণ তো রইলই। ধুলো নেই, কাঁধে-পিঠে-পায়ে ব্যথা নেই যদিও, তবুও তো চোখের দেখা হল, সে-ও মন্দ কী, বলুন?
………………………………………………………………….
বইমেলার কড়চা নিয়মিত পড়ছেন তো? তা, কেমন লাগছে? আমরা আপনাদের মতামতের প্রত্যাশী। আমাদেরকে মেল করতে পারেন যে কোনও দিন, যখন খুশি– ভালোবাসায়, জিজ্ঞাসায়, বন্ধুত্বে, শত্রুতায়, আবদারে– [email protected]– এই মেল আইডিতে। ………………………………………………………………….
………. পড়ুন বইমেলার কড়চা-র অন্যান্য পর্ব ……….
৯. ‘না কিনুন, একবার হাতে নিয়ে দেখুন!’
৮. বইমেলার লিটল ম্যাগ টুকরো টুকরো দৃশ্যের আনন্দভৈরবী
৫. দুষ্প্রাপ্য বইয়ের ভিড়ে পাঠকও কি দুষ্প্রাপ্য?
৪. ছাব্বিশের বইমেলা বাণীপ্রধান!
৩. বই পোড়ানোর চেয়ে গুরুতর অপরাধ বই না পড়া
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved