
জয়ের বুদ্ধদেবকে নিয়ে বিভিন্ন লেখায় সেইসব বিশেষ মিত্রতা, অত্যাগসহন বন্ধুতা, সখার সখ্য জড়িয়ে আছে। পথ চলার সময় কাব্যতত্ত্বের ভাঙাগড়ার পাঠ ওঁর লেখায় আমরা শুনতে পাচ্ছি। ‘কাব্যতত্ত্ব’ কবির একার জিনিস নয়। জয়ের এই সমস্ত লেখা স্বনামে নয় সর্বনামে বুদ্ধদেবের প্রশ্নমণ্ডলীকে ছুঁয়ে দেখতে চায়। আমরা কবিতা পড়ি, কবিতা লিখি, কবিতা চর্চা করি যাঁরা, তাঁদের খোলা মনে চারপাশের সত্যিটাকে ভালো করে বুঝে নেওয়ার দরকার আছে।
ঘোড়া দেখলেই সবার পায়ে বেমালুম বাত। কোনও কিছু লিখতে গেলে এই তেজি প্রাণীর চলাফেরা মনে আসে। সোজা গট গট করে কিছু যে বলে যাব, এমন কনফিডেন্স কস্মিনকালেও ছিল না। আড়ে আড়ে কোনাকুনি চলতে গিয়েও লজ্জায় মাথা কাটা যায়। তাই আড়াই চালে ভাবি। বাধা টপকে আদার ব্যাপারীও মোক্ষম ঘরটিতে গিয়ে বসতে পারে চোখের পলকে। কাটাকুটি– সে পরের কথা। তবে নিওলিথ স্তব্ধতায় না হোক মহীনের পোষা জীবটির আপন মনে ঘাস খাওয়ার দৃশ্য নিউটাউনেও দেখা যায়, সূর্যাস্তে, সন্ধ্যায়। স্যুররিয়াল। বিষাদ মন্থর। দিনশেষের লালচে আলোয় পিঠের ভাবনা-ক্ষতগুলো চিক চিক করে। কারও হাসি পায়, কারও চোখে জল আসে।
…………………………………………..
১৪.
ক’দিন ধরে একটা কাজ নিয়ে পড়েছিলাম। বুদ্ধদেব বসুর কবিতা বিষয়ক লেখাগুলো বারবার মনে আসছিল। ওঁর এই বিস্ময়কর কবিতামগ্ন জীবন যত দেখি আজকের কবিদের কবিতাভাবনাহীন নিশ্চিন্ত কাব্যচর্চা দেখে ততই হাসি পায়। কত বই! কত হাজার হাজার কবিতা, কত কবিতাপাঠ, পুরস্কার আর বারফট্টাই কত কবিতার লরি। প্রণবেন্দু লিখেছিলেন, লরি করে কবিসম্মেলনে যাচ্ছে বাঙালি কবিরা– অপূর্ব ইমেজ। ওদিকে বুদ্ধদেব, ১৯৭০-এর দশকেও জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও অপরিসীম সংশয়ী, কবিতা জিজ্ঞাসা কিছুতেই তাঁর শেষ হয় না যেন। এর সঙ্গে বাংলা কবিতার গত একশো-শোয়াশো বছরের ইতিহাস ঢুঁড়ে দেখলে যাঁর কথা অনিবার্যত মনে পড়ে যাবে– তিনি জয় গোস্বামী।

কবিতা নিয়ে জয় গোস্বামীর লেখা, ওঁর কবিতার মতোই বৈচিত্রে বিস্ময়কর। সে লেখা সুখপাঠ্য, সরল, সাধারণ পাঠক থেকে পাঠক সাধারণ্যে অবাধে সঞ্চরমান। সারল্যের কথায় আবার মনে এল প্রণবেন্দু দাশগুপ্তর অমোঘ শব্দজোট– ‘প্রতারক সারল্য’। যে কোনও পাঠকের কাছেই এর আবেদন অনস্বীকার্য, কিন্তু একবার পড়তে শুরু করলেই ‘জীবনের জটিলতা’র নানা পরত সেখানে খুলতে দেখা যায়। ‘কবিরা বিশ্বের মিত্র’– রবীন্দ্রনাথ একেবারে কাঁচা বয়সেই কথাটা বলেছিলেন। আর বুদ্ধদেব বসুর পোড় খাওয়া কবিজীবনের উক্তি– ‘একমাত্র কবিরাই পারেন সংক্রামকভাবে সাড়া দিতে।’ বন্ধুর কাছ থেকে পাওয়া সংক্রাম সুখের। সেটা আমাদের হাওয়া-বাতাসের মতো জ্যান্ত করে রাখে। জয় আমাদের গত তিনটি দশক জুড়ে আনন্দ সংক্রমিত করে চলেছেন। আপাতত তাঁর প্রকাশ-বিরতির দিনেও নানা বক্তৃতায়, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে, তিনি তাঁর চিন্তা ছড়িয়ে দিয়ে, কবিতা ভালোবাসে যারা; এমন অনেক মানুষকে বন্ধু করে নিয়েছেন। যে কাজটা নিয়ে সাধ্যমতো জোগাড়-যন্ত্র করছিলাম, সেটা তেমনই এক মিত্রতার লিখিত দলিল। লিখিত নথিগুলো পুরনো, কিন্তু সাজানোর চেষ্টাটা ছিল নতুন। খানিকটা ফুলদানি সাজানোর মতো। সাজানোরও একটা অপূর্ব পারা-না-পারা আছে। সবার দ্বারা সমান ভালো হয় না। কিন্তু চেষ্টা করলে হয় কী, রণজিৎ দাশ যেমন লিখেছেন– এভাবে আমিও কিছুটা গলফ খেলি। আমি এই অনাসৃষ্টির মধ্যে বসে সেই চেষ্টাটুকু নিজের জন্যই করছিলাম। কার কেমন লাগবে, কে জানে! নিজের জন্যই এরকম কাজ বারবার করতে ইচ্ছে করে। কত ভুল থাকে সব কাজেই, সেসব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলে দেখা যাবে সে-বার।

প্রকাশ-বিরতিকালে জয় যে সামান্য কয়েকটি গ্রন্থ (২০২৩-এর আগে লেখা) পাঠককে উপহার দিয়েছেন, তার মধ্যে অন্যতম ‘কবিতা-অমৃতা’ বইটির দ্বিতীয় সংস্করণ। গোটা বইটায় নতুন লিখতে আসা একজন কবির গল্প, উপন্যাস ও মূলত কবিতা নিয়ে কথা বলা। কিন্তু সেই নতুন কবি অমৃতা ভট্টাচার্যের লেখাই শুধু নয়, সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে জয় নিজেরই কবিতা-প্রশ্ন বিস্তারিত ছড়িয়ে রেখেছেন লেখা-পড়া-প্রকাশে যুক্ত যে কোনও মানুষের জন্য। কথাটা এজন্য তুললাম, যে-কোনও মুহূর্তে যে-কোনও কবিতা জয়কে স্পর্শ করা মাত্র, জয় সেই আনন্দ-বেদনা-অশ্রু-অভিজ্ঞতা সবার জন্য অবারিত করে দিতে চেষ্টা করছেন প্রায় তিন দশক জুড়ে। নানা ধরনের কবিতাপাঠ পদ্ধতি আর নিজের অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করে সে-সব পাঠ একটা নতুন কবিতা পড়ার পদ্ধতি হয়ে উঠেছে স্বীকৃতিহীন কবিতা-পাঠক সমাজে। সেই কবিতা যে-কোনও বয়সের যে-কোনও কবির হতে পারে। এমন অবিরল লিখিত প্রকাশে বাংলা ভাষার কোনও প্রতিষ্ঠিত কবি কোনও দিন নিজেকে নিক্ষেপ করেননি। কথাটাকে শুধু বাংলা ভাষায় সীমায়িত করে রাখা অন্যায় হবে। ভাষাসীমা, দেশসীমা, কালসীমা সরিয়ে দিলে– কবিতার আধুনিকতায় ‘আবিশ্ব’ কথাটা একই সত্যে প্রতিষ্ঠিত থাকে। মানে গোটা বিশ্বে কবিতা পড়ার ইতিহাসেই কাজটা এমন ধারাবাহিক কোনও কবি করেছেন বলে জানি না। কেউ যদি খবর পান, জানাবেন। জয় কেন করেছেন এই কাজ? কবিতা সমাজ, পাঠক সমাজ এসবের প্রতি দায়বোধ থেকে? ‘সমাজ’ বলে যে একটা বস্তু আছে, সে তো আর শুধু যাদবপুরে থাকলে বোঝা যায়, এমন নয়। আমার মনে হয়েছে জয় ঠিক যে-কারণে কবিতা লেখেন, সেই একই কারণে এই গদ্যসম্ভার সৃষ্টি করেছেন। কবিতা পড়া আর কবিতা লেখার মধ্যে খুব বেশি তফাত নেই। সহৃদয় পাঠক কবির মতোই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট। তাই সকলেই যেমন কবি নন, কবিতা পাঠকও হাতে গোনা। বাকি ভবানী পাঠক, সন্তানদল পুজোআচ্চার সঙ্গে তার সনাতন সম্বন্ধ। কবিতা লেখার মতো কবিতা পড়ার অভিজ্ঞতাও খানিকটা ‘অবাঙ্মানসগোচর’। ঠিক যেমন বাজ পড়া গাছ বা মানুষ নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারে না। কিন্তু মনের গতি আশ্চর্য, নিজের শরীরের অনুভবের বাইরে দাঁড়িয়ে মন অনেক সময় নিজেরই পরিচয় নিতে চায়। জয়ের কবিতা নিয়ে কথা বলার চেষ্টা সেই জাতের।

এই কবি এবং কবিতা-পাঠক এরকমই কোনও অজানা পদ্ধতিতে লিখে গিয়েছেন একের পর এক গদ্যবই। সময় নিরপেক্ষভাবে কোনও কোনও কবিকে নিয়ে জড়ো হয়েছে বেশ কিছু লেখা। এইভাবেই ‘গোঁসাইবাগান’ ‘রাণাঘাট লোকাল’, ‘রৌদ্রছায়ার সংকলন’, ‘আকস্মিকের খেলা’ লিখিত হয়েছে। আমাদের হাতে এসেছে ‘নিজের রবীন্দ্রনাথ’, ‘জয়ের শঙ্খ’, ‘জয়ের সুভাষ’, ‘পুরী সিরিজের কবি’, ‘জয়ের সুনীল’ কিংবা একেবারে আড়ালে থাকা অনির্বাণ ধরিত্রীপুত্রের কবিতা নিয়ে লেখা ‘কবিতা অনির্বাণ’-এর মতো অনেক গদ্যবই।
কবিতা লেখার ক্ষেত্রে কবিদের লেখায় অনেক সময় উঠে এসেছে লেখা-না-লেখা নিয়ে কথা। কবিতা লেখার দায় নিয়ে বহু লেখা পড়েছি। কিন্তু ধারাবাহিক কবিতাপড়ার দায়বদ্ধতার কথা কোনও কবির লেখায়/কাজে বিশেষ ধরা পড়েনি। পরবর্তী কবিদের তারিফ করা বা প্রশ্রয়-আশ্রয় দেওয়া এক জিনিস আর তাদের লেখা সর্বাংশে নতুন কবিতা ভিত্তি করে নিবিড় পাঠের মধ্য দিয়ে কবিতার সীমান্তে প্রশ্ন তোলা আর-এক জিনিস। এই কাজটি করতে গিয়ে দু’জন বিফল কবির কথা বলি। প্রথমজন রবীন্দ্রনাথ। তাঁর করা বাংলা কবিতার সংকলন আর বিপুল বিভ্রান্তি আমাদের কাছে শিক্ষণীয় উদাহরণ হয়ে আছে। পরবর্তীদের কবিতা বিষয়ে ওঁর ধারণা ছিল অকিঞ্চিৎকর। আর দ্বিতীয়জন বুদ্ধদেব বসু। পরবর্তীদের কবিতা বুঝতে পারছেন না, এই অস্বস্তিতে, ‘কবিতা’ পত্রিকা তুলে দিলেন তিনি। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে কোনও কথা বলতে গেলেই আমাদের নিজেদেরই সাধ্যসীমার দিকে তাকানো দরকার। তিনি কী কবিতা পড়েছেন, কীভাবে পড়েছেন, কেন পড়েছেন আর কেনই বা পড়েননি– তা এত বিপুল নান্দনিক প্রশ্নের সামনে নিয়ে যায় যে, তা-নিয়ে স্বতন্ত্র গবেষণা করা চাই। কিন্তু বুদ্ধদেব? বাংলা কবিতার রবীন্দ্র-উত্তর আধুনিকতার নানা পর্বে তিনি জড়িয়ে আছেন। সুভাষ মুখোপাধ্যায় বা সুকান্তর পরবর্তী কোনও কবির কবিতা তাঁকে লিখতে বাধ্য করলে না কেন? তবে কি তাঁর কবিতা-প্রশ্ন ম্লান হয়ে গেল? তাহলে কীভাবে রচিত হয় ‘কবিতার শত্রু ও মিত্র’? বোদল্যের-হেল্ডারলিন-রিলকে-পাস্তেরনাক অনুবাদের সঙ্গে সঙ্গে কীভাবে এসে যায় কালিদাসের ‘মেঘদূত’ নিয়ে তোলা আধুনিকতার নতুন প্রশ্ন? গ্রিক ক্লাসিক আর দেশীয় সংস্কৃত সাহিত্যিক অতীত তাঁকে কবিতার ব্যাপক পরিমণ্ডলে আজকের উত্তর ঔপনিবেশিক নন্দন্তত্ত্বের প্রশ্নের সামনে নিয়ে গিয়েছিল। কী ভাবে হল সেটা? কিন্তু বুদ্ধদেব এর গোচরে এল না তাঁদের পরবর্তী কবিরা কীভাবে কবিতা-প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজছেন?

বাংলা কবিতায় বুদ্ধদেবের সঙ্গে কবিতা-পাঠক মনের দিক থেকে জয়ের একটুখানি সাযুজ্য আছে। কবিস্বভাবে বা কবিতা সৃষ্টির ক্ষমতায় তাঁরা এক নন। জয়ের কবিকৃতি বিপুল। বুদ্ধদেবের কবিতার চেয়েও তাঁর কবি মনের কৃতিত্ব বাংলা কবিতার আধুনিকতা নির্মাণের নানা পর্যায়ে। কিন্তু মিলটা ঠিক কোথায় তবে?
লেখা, পড়া, বোঝা নিয়ে কবিদের মনে প্রশ্ন আসে, আমাদের ভাষার কবিদের কাছেও হয়তো এসেছে। সংকট, সংশয়, দ্বিধা তাঁরা লিখেছেন কবিতায়। যেমন প্রায় ৮৭ বছর বয়সে কবিতা লিখতে গিয়ে শঙ্খ ঘোষ লিখছেন, তাঁর প্রতিটি নতুন কবিতা, ভারতীয় কবিতায় সর্বমান্য স্বর প্রতিষ্ঠা করার পরেও, তাঁর কবি স্বভাবের দ্বিধাচ্ছন্নতার কাছে সমস্ত কবিতারই মতো– ‘সে তোমার প্রথম কবিতা’। শেষ পর্যায়ের লেখায় শক্তি চট্টোপাধ্যায়েরও এমন সংশয়ী কবিতা পাব। পাব উৎপলকুমার অথবা ভাস্কর কিংবা দেবারতি মিত্রের কবিতায়। কিন্তু গদ্যে, সবার কাছে সবাই বুঝতে পারে এমন পরিষ্কার ভাষায় বারবার ভেঙে পড়া কবিসত্তার সংকট কেউ লিখে যাননি। কাব্যতত্ত্বের স্থানান্তর আর তার ভেতর আতান্তরে পড়া কবি– এই অস্বস্তিময় অবস্থার খবর আমরা প্রথম পাই বুদ্ধদেবের গদ্যে। বারবার নিজের অবস্থানের হদিশ দিয়ে বুদ্ধদেব লিখেছেন নতুন কবিতার সন্ধান, আর প্রশ্নে-পরিপ্রশ্নে ছিন্নভিন্ন তাঁর দশা। সাধারণভাবে তাঁর গদ্য যেমন নিপাট সিদ্ধান্তবাদী, সেই চেহারায় আর তাঁর গদ্য দাঁড়িয়ে থাকতে পারেনি। যৌবনের বুদ্ধদেব যতটাই জোরালো বিশ্বাসে কবিতা নিয়ে কথা বলেন, শেষ জীবনের বুদ্ধদেব ততটাই নতজানু, ক্লান্ত, প্রশ্নাতুর এক কাব্যজিজ্ঞাসু।

এইখানটায় মিলে আছেন জয় গোস্বামী আর বুদ্ধদেব।
কবি হিসেবে জয়ের প্রতিষ্ঠা বাইরের দিক থেকে যতটা বিস্ময়কর, ততটাই বিস্ময়কর তাঁর কবিতা নিয়ে অনবরত সংশয়ী প্রশ্ন করে চলা। তিরবিদ্ধ হরিণ যেমন বাঁচার পথ খোঁজে, কবিতাবিদ্ধ শরীরেরও তেমনই রক্তাক্ত পথ-সন্ধান জরুরি। তা কবির জন্য যেমন সত্য, কবিতা পাঠকের জন্যও তা-ই। জয় এই সন্ধানেই একার পথে নিজেরই ক্ষমতায় আত্মসন্দেহ নিয়ে চলেছেন। এক আমি থেকে আর এক আমি আরও আরও অপর আমির যোগে সত্যিকারের ‘কবি’ তার চলার ছন্দ খুঁজে পেতে চান।
জয়ের বুদ্ধদেবকে নিয়ে বিভিন্ন লেখায় সেইসব বিশেষ মিত্রতা, অত্যাগসহন বন্ধুতা, সখার সখ্য জড়িয়ে আছে। পথ চলার সময় কাব্যতত্ত্বের ভাঙাগড়ার পাঠ ওঁর লেখায় আমরা শুনতে পাচ্ছি। ‘কাব্যতত্ত্ব’ কবির একার জিনিস নয়। জয়ের এই সমস্ত লেখা স্বনামে নয় সর্বনামে বুদ্ধদেবের প্রশ্নমণ্ডলীকে ছুঁয়ে দেখতে চায়। আমরা কবিতা পড়ি, কবিতা লিখি, কবিতা চর্চা করি যাঁরা, তাঁদের খোলা মনে চারপাশের সত্যিটাকে ভালো করে বুঝে নেওয়ার দরকার আছে। জয়ের লেখা একটা বই– ‘আমার বুদ্ধদেব বসু’– ওঁর সমস্ত লেখা থেকে বুদ্ধদেব প্রসঙ্গের সংকলন। সেই কাজটা করতে গিয়েই এসব ভাবনা টুকরোমতো মাথায় ঢুকল।
সবাইকে বলে দিলাম। কথাগুলো সত্যি বলে মনে হল, আর সেই বিশ্বাসেই বলা। যাঁরা পড়বেন, বাকি তাঁদের হাতে।
… এক, দুই, আড়াই-এর অন্যান্য পর্ব …
১৩. নকশাল পর্বের হত্যা-প্রতিহত্যার পরিবেশে কলকাতায় এসেছিল মারি ফারার
১২. এমনও হাসি আছে বেদনা মনে হয়
১১. গুরুদত্ত চেয়েছিলেন, বিজয়ের চলে যাওয়া দিয়ে শেষ হবে ‘পিয়াসা’
১০. কবির বিশ্রাম
৯. গত ২০ বছরে নস্টালজিয়ার এত বাড়বাড়ন্ত কেন?
৮. কলকাতার মূর্তি-আবর্জনা কি বাড়ছে?
৭. ভাবা প্র্যাকটিস করা, কঠিন এখন
৬. লেখার অত্যাচার, লেখার বাঁচা-মরা
৫. বিশ্বকর্মা পুজোর সন্ধেবেলাটার মতো বিষাদ আর হয় না
৪. কথা শেষ হতে পারে, ‘শেষ কথা’ বলে কিছু হয় না
৩. দেখা হলে বলে দিও, আজও বেঁচে আছি
২. ফুলের রং শেষ পর্যন্ত মিশে যায় নন্দিনীর বুকের রক্তের ইমেজে
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved