Book Review: The Story of Bhog in Durga Puja | Robbar
Robbar
  • ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৩ অক্টোবর ২০২৬

মহাপ্রসাদ কাহিনি

নিরামিষ থেকে আমিষ, সবজি থেকে ফল, ধান-গম, মাছ-মাংস, এমনকী মানব দেহের রক্ত-মল-লালা-মূত্র-রস, সকলই দেবতাকে নিবেদন করেছে মানুষ। মানুষ যা নিজে খেতে পেয়েছে, তাই দিয়েছে দেবতার পাদপদ্মে। কেবল পুজোর ঘুরপথে তা ‘ভোগের রান্না’ ‘মহাপ্রসাদ’ হয়ে উঠেছে! সেই অর্থে এ পৃথিবীর সকল খাদ্যবস্তুই তো তাঁর প্রসাদ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষত ভারতের মতো দেশে, যেখানে আজও প্রায় ৮ কোটি মানুষ চরম দারিদ্র্যে দিন গুজরান করে, ১০ কোটি মানুষ রোজ পেট ভরে খেতে পায় না।

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০২৬, ২০:০৭   
Facebook WhatsApp Messenger

এমন দিনে তারে বলা যায়/ এমন ঘনঘোর বরিষায়– খিচুড়ি রাঁধো দেখি। বাঙালি রসনার অন্যতম সহজ স্বাদ এই খিচুড়ি। ভাজা সোনামুগ ডাল, গোবিন্দভোগ চাল, খাঁটি গাওয়া ঘি। সঙ্গে জিরে-গরম মশলার নিখুঁত অনুপাত! হাঁড়িতে ফুট এলেই ফেলে দেওয়া যেতে পারে খানকতক আলু, ফুলকপি, মটরশুঁটি। পরিবেশনের থালায় পার্শ্বচরিত্রে থাকতেই পারে বেগুনভাজা, ডিমভাজা, এমনকী ইলিশমাছ। কিন্তু, তথাপি, এত কাণ্ড করেও, এতসব এলাহি আয়োজনেও পুজোর ভোগের খিচুড়ির যে স্বাদ, তা কিছুতেই আসে না ঘরের রান্নায়! ঈশ্বরের আশীর্বাদেই কী ম্যাজিক! পাড়ার শনিমন্দির থেকে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো, কিংবা দুর্গাপুজোর ভাসানের পর সেই যে ‘দরিদ্রনারায়ণ সেবা’-র ঢালাও খিচুড়ি, বাঙালিমাত্রই খেয়েছে। আঙুল চাটতে চাটতে স্বর্গীয় তৃপ্তির ঢেকুরও তুলেছে। অথচ, ভক্তজনের হাজার রকম চাল, লাউ, কুমড়ো, এটা-সেটা দানের এই খিচুড়ি তো আসলে ‘জগাখিচুড়ি’।

zoom
ভোগের খিচুড়ি

শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসের সরাসরি দীক্ষিতা, নারী শিক্ষা এবং মেয়েদের সার্বিক কল্যাণে সারদেশ্বরী আশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা গৌরী মা এই ‘জগা’ ও ‘খিচুড়ির’ গপ্প শোনান স্বামী বিবেকানন্দ, স্বামী রামকৃষ্ণানন্দ, স্বামী ব্রহ্মানন্দ এবং অন্যান্যদের। একদিন গঙ্গার ধারে প্রসাদী খিচুড়ি রাঁধতে রাঁধতে গৌরী মা জানান, জগা নামে এক পাগল ছিল। কালীঘাট মন্দিরের ধারে থাকত। সারাদিন পাগলামি করত। রাত ছিল তার ভজনসাধনের সময়। দিনশেষে মাধুকরীতে যা পেত, তা দিয়ে বানাত খিচুড়ি। একদিন পাগলা জগা সৈনিকের ভেক ধরল। গলায় টিন বেঁধে চিৎকার করতে থাকল, ‘যম জিন্তে যায় রে জগা, যম জিন্তে যায়’। সেই দিন মায়ের সম্মুখে সে নশ্বর দেহ ত্যাগ করে। জগা পাগলা ছদ্মবেশে সিদ্ধপুরুষ ছিলেন। কালীঘাটের পুরনো মানুষেরা তাঁকে চিনতেন। তাঁর বানানো রান্না ছিল লোকমুখে ‘জগাখিচুড়ি’।

zoom
কালীঘাট মন্দিরের আদিরূপের ছবি

সিদ্ধপুরুষ জগার বানানো এই ভোগের খিচুড়িতেই স্পষ্ট দেবভোগ্য প্রসাদে বাঙালি কখনও ছুঁৎমার্গ রাখেনি। এমনকী আসমুদ্রহিমাচলেও ‘ফলমিষ্টির ভোগ’ থেকে ‘পটল গোবিন্দম’, ‘মা লক্ষ্মীর আমিষভোগ’ থেকে ‘ওল কচুর মণ্ডভোগ’, ‘দুর্গাযোগে পশুবলী’ থেকে ‘পঞ্চবিষের নিবেদনে’ বৈচিত্রময় অর্ঘ্য সাজিয়েছে সাধক থেকে ভক্তদল। পুজো শেষে দেবতার ‘এঁটো’কেই মহাপ্রসাদ করে খেয়েছে আনন্দময় অসীম তৃপ্তিতে। আসলে ভারতীয় অধ্যাত্মবাদের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে সম্পৃক্ত ভোগের রান্নার এক মহাপৃথিবী। বৈচিত্রময় সেই খাদ্য সংস্কৃতির কথাই উঠে এসেছে ‘মান্দাস’ প্রকাশিত সোমব্রত সরকারের ‘ভোগের রান্না’ নামের এক মহাগ্রন্থে। কেন বলছি ‘মহাগ্রন্থ’?

zoom

যেহেতু এই মহা-ভারত হল অধ্যাত্মচর্চা তথা বিভিন্ন মত ও পথের সাধু ও সন্তের দেশ। সোমব্রত তাঁর এই গ্রন্থে শাক্ত থেকে বৈষ্ণব, তন্ত্র থেকে লোকপুজো, মায় প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রের ভোগের রান্নাকে তুলে আনার চেষ্টা করেছেন। ৩৬৭ পাতার বইটির সূচি চমকে দেয় আমাদের। ছয়টি পর্ব যথাক্রমে ‘ফলমিষ্টির ভোগ’, ‘ভোগরাগ’, ‘লোকদেবতার ভোগ’, ‘কুটোভোগ’, এবং ‘রান্নাবান্না’-য় ৭০টিরও বেশি ভোগের খবর দেওয়া হয়েছে। লেখকের কথায়, ‘ভোগের রকমফের আছে– ক্লিন্নভোগ, দূষিতভোগ, অমৃতভোগ। ত্যাগ করে, নিবেদন করে, সমর্পণ করে ভোগ থেকেই আমরা সক্কলে প্রসাদ পেতে চাই, এমন বোধের ভোগপ্রসাদই তখন অমৃতময় হয়ে ওঠে।’ কেমন সেই ভোগ?

zoom
ভোগ বা প্রসাদের বৈচিত্র অভাবনীয়

একদিকে যেমন ‘গুড়ের সঙ্গে আতপচালের গুঁড়ি মিশিয়ে তৈরি বাংলার অতীব প্রাচীন মিষ্টি গুড়সন্দর্ভ দিয়ে গৌড়দেশের আশ্রম-আখড়াতে একটা সময় দেবভোগ দেওয়া হত।’ অন্যদিকে ‘তন্ত্রে রয়েছে চিতা জাগানির ভোগ, শিবাভোগ, এঁটোভোগ, কারণভোগ। ছাগলের দুধের ক্ষীর, লুচি, বুটের ডাল, শুক্তনি, ডুমুরের ডালনা, কুমড়ো-তেঁতুলের অম্বল, ভাজা, মোচার ঘণ্ট, লাউ ঘণ্ট, সোনামুগের ডাল, পান্তা ভাত, কচুশাক– নিরামিষ অন্নভোগের পাশাপাশি দুর্গা, মনসা, রাজলক্ষ্মী, কালীপুজোর ভোগ হয় বলির পাঁঠার মাংসে, বলির হাঁস ও পায়রায়, সঙ্গে থাকে ইলিশ, রুই, কাতলা, চিতল, পাবদা, বোয়াল মাছ।’ বিভিন্ন মত ও পথের বিবরণ লেখকের কলমে যত খোলসা হয়, তত যেন জীবাত্মা আর পরমাত্মার খাদ্য সংস্কৃতির আশ্চর্য মিলন ঘটতে থাকে!

zoom
শ্রীজগন্নাথ দেবের মহাপ্রসাদ

যেমন ধরুন গে ‘বীরাচারীরা ভোগে দেন পাঁঠা, মোষ-ভেড়া-শুয়োর– মুরগি পর্যন্ত বলি হয়।’ আবার ‘দক্ষিণাচারীরা ফল বলি দেন।’ ভগবানের পুজো শেষে সবই কিন্তু ভক্তের প্রসাদ। সনাতন ধর্মে ৫২ ভোগ বা ৫৬ ভোগ হল ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বা পুরীর শ্রীজগন্নাথ দেবের উদ্দেশে নিবেদিত এক পরম পবিত্র ও রাজকীয় মহাপ্রসাদ। এতে থাকে ‘বিট বাটা, গুড়ি কচুর তরকারি, নারকেল বাটা, চুকাই ফলের চাটনি, ডাবের পায়েসের মতো প্রাচীন রান্না।’ ভারতীয় অধ্যাত্মচর্চায় খাদ্য সংস্কৃতির বৈচিত্র এখানেই ফুরয় না। তাই ‘দক্ষিণ ভারতের ভয়ঙ্করা মাতা পেরিয়াচি আম্মানের ভোগ রান্না হয় পাকা তেঁতুলের ক্বাথে ভাত মিশিয়ে।’ আবার সুদূর পশ্চিমে আরব সাগরের প্রান্তবর্তী রাজ্য ‘গুজরাটের বহুচরা মাতার ভোগ হয় ঘিয়ে ভাজা আটার লুচি আর আটার হালুয়া রান্না করে।’ ভোগের রান্নার লেখক আমাদের জানান, ‘গাছের ফল, জমির প্রথম ফসল অনেক গৃহস্থেরা দেবতার নামে উৎসর্গ করে রাখেন, তাকে কুটোভোগ বলে।’ বাংলার নবান্ন পুজোয় ফল-সবজির সিন্নি প্রসাদ তা তো আমাদের জানাই। কোথাও কোথাও গ্রাম্য দেবতার পুজোয় থাকে পুকুরের মাছও।

zoom
বিতর্কিত চরিত্র বাগেশ্বর বাবা

সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের বাগেশ্বর বাবা নামের এক ব্যক্তি দুর্গাপুজোয় বাঙালির আমিষ খাওয়া নিয়ে আপত্তি করে বেজায় ফুটেজ খেয়েছেন। তাঁকে উত্তর দিতেই যেন ‘দুর্গা পুজোর ভোগ’ নামে আস্ত একটি পর্ব লিখেছেন সোমব্রত। সেখানেও কিন্তু বৈচিত্রের অনন্ত ভাণ্ডার। আমিষ ও নিরামিষ উভয়চর্চা। কোথাও ‘অষ্টমীতে, সন্ধিপুজোয় আলাদা করে চামুণ্ডার ভোগ প্রস্তুত করা হয়। ভোগে ভাত ও খিচুড়ি দুই-ই থাকে। সঙ্গে থাকে সাতরকমের ভাজা। আলু ভাজা, কুমড়ো ভাজা, করলা ভাজা, থোড় ভাজা, বেগুন ভাজা, বড়ি ভাজা। এই ছয়রকমের ভাজার এদিক ওদিক হলেও পুনকো শাক ভাজা দিতেই হয়।’ মনে রাখতে হবে, এককালে ব্যয়বহুল দুর্গাপুজো হত প্রধানত বাংলার বনেদি জমিদার বাড়িগুলিতে। গ্রামের গুর্বোরাও পুজোর চারটে দিন সেখানে পাত পেড়ে খেত। সেও আসলে মায়ের পুজোর দূর সম্পর্কের ‘প্রসাদ’। তবে কি না জমিদার বাড়ি বদলে গেলে, জেলায় জেলায় ফারাক হলে, পঙ্‌ক্তিভোজনের পদেও পার্থক্য দেখা যেত।

zoom
দুর্গাপুজোর ভোগ

কোথাও ‘সপ্তমীতে ভাত, কলাইয়ের ডাল, আলুপোস্ত, কচু-কুমড়ো-পুঁইশাকের সঙ্গে মাছের মাথা ও তেল দিয়ে ছ্যাঁচড়া, তেঁতুল দিয়ে মাছের টক এবং বোঁদে’ পরিবেশন করা হয় ভক্তদের মধ্যাহ্ন আহারে। কোথাও আবার ‘পুজোর ভোগে থাকে পোস্তর বড়ি, ধনেপাতার বড়ি, বাদামের বড়ি, আলুবখরার আচার, তেঁতুলের আচার।’ ১৯৬১ সালে স্ত্রী দুর্গা দাসীর অনুরোধে বাড়িতে দুর্গাপুজোর প্রচলন করেন মুক্তারামবাবু স্ট্রিটের রামচন্দ্র ভবনের নির্মাতা রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এই বাড়িতে ‘মায়ের ভোগ রান্না করেন বাড়ির পুরুষ সদস্যরা। মহিলারা এখানে সাহায্যকারিণী মাত্র। খিচুড়ি, নানান রকমের ভাজা, শুক্তনি, চিংড়ি মাছের মালাইকারি, ভেটকি মাছের ঘণ্ট, লাউ-চিংড়ি, চাটনি, পায়েস, রাঙা আলুর পানতুয়া ভোগ রান্না করে বাড়ির মেয়ে মা দুর্গাকে খেতে দেওয়া হয়।’ দশমীর দিন ভোগে থাকে পান্তাভাত, ইলিশমাছের অম্বল, চালতার চাটনি। ভক্তদের এহেন নিবেদনে মা কখনও আপত্তি করেছেন বলে তো শোনা যায়নি।

zoom
নানা পুজো, নানা উপকরণ

সোমব্রত সরকার রচিত এই গ্রন্থ কেবল বর্ণহিন্দু উচ্চবিত্তের বিলাসী প্রসাদ কিংবা বিভিন্ন ধারার সাধকের ভোগের রান্নার তত্ত্বতালাশেই ক্ষান্ত দেয়নি, ভাদু-টুসুর মতো লোকধারার আচার পরবের আহারাদিতেও প্রবেশ করেছে। ‘ভাদু টুসুর আচার পরব’ পর্বের শুরুতে লেখকের বয়ান– ‘কৃষি-কর্ম, আচার অনুষঙ্গ নিয়ে ধর্মশাস্ত্র উপেক্ষা করেই স্থানীয় নারী পুরুষের যৌথ উদ্যোগে গড়ে উঠেছে লোকবাংলার পরবগুলো। এই সমস্ত অনুষ্ঠানে কোনও ব্রাহ্মণ পুরোহিতের দরকার নেই। এর জন্যে কোনও মন্ত্রবিধিও প্রযোজ্য নয়। ব্রতীরাই এর পৌরহিত্য করেন।’ এ যেন শ্রীরামকৃষ্ণের ডাকনাম– ‘প্রাণের ঠাকুর’! ভোগও তেমন– ‘ভাদু পুজোতে ভাদুর প্রতিমা বানিয়ে খাজা, গজা, নানা রকমের লাড্ডু, বিশালাকারের জিলিপি, বালুসাই– এই সব মিষ্টি দিয়ে সারারাত জেগে পুজো করা হয়।’ টুসুর নৈবেদ্যেও গরিব গ্রামের ছোঁয়া। থাকে খই, মুড়ি, চিঁড়ে, তিলের নাড়ু প্রভৃতি।

zoom
ভাদু পুজো

প্রান্তিক লোকধর্মের ভোগের কথা যেমন উঠে আসে মান্দাস প্রকাশিত এই গ্রন্থে, তেমনই মহাগ্রন্থ হয়ে ওঠার পথে শ্মশানে-মশানে, নির্জন অরণ্যের আড়ালে থাকা (সাধনার প্রয়োজনে) গুপ্তচারী সাধকদের কৌতূহলজাগানিয়া নিবেদনের কথাও ধরা দেয়। যেমন দেবতাকে ‘পঞ্চবিষ’ নিবেদন করেন শ্মশানচারী প্রেততান্ত্রিকরা। কপালপাত্রে (মৃতের মাথার খুলি) দিতে হয় এই নিবেদন। শ্মশানচারী প্রেতসাধুরা বলেন, ‘পুজোর জন্য এক কপাল কারণ দিলেই যথেষ্ট, কিন্তু পঞ্চবিষ নিবেদন করা হয় সাধকের মনের মধ্যকার ঘৃণা ও ভয়গুলো দূর করার কারণে।’ কী এই পঞ্চবিষ? ‘সাধকের নিজের শরীরের পাঁচটি পদার্থই পঞ্চবিষ। রক্ত-মল-লালা-মূত্র-রস। দেহের চারটি বর্জ্যপদার্থকে নিজের প্রত্যঙ্গ কেটে একটু রক্তের সঙ্গে মিশিয়ে নিবেদন করা হয় কালভৈরবকে।’

zoom
শ্মশানচারী উপাচারের প্রতীক হাড়িকাঠ

তাহলে যা দাঁড়াল– নিরামিষ থেকে আমিষ, সবজি থেকে ফল, ধান-গম, মাছ-মাংস, এমনকী মানব দেহের রক্ত-মল-লালা-মূত্র-রস, সকলই দেবতাকে নিবেদন করেছে মানুষ। প্রেতসাধকদের এই অংশটি বাদ দিলে দেখা যায়, মানুষ যা নিজে খেতে পেয়েছে, তাই দিয়েছে দেবতার পাদপদ্মে। কেবল পুজোর ঘুরপথে তা ‘ভোগের রান্না’ ‘মহাপ্রসাদ’ হয়ে উঠেছে! সেই অর্থে এ পৃথিবীর সকল খাদ্যবস্তুই তো তাঁর প্রসাদ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষত ভারতের মতো দেশে, যেখানে আজও প্রায় ৮ কোটি মানুষ চরম দারিদ্রে দিন গুজরান করে, ১০ কোটি মানুষ রোজ পেট ভরে খেতে পায় না। হ্যাঁ, সেখানে প্রতিটি ভাতের দানাই প্রাণসঞ্চারকারী মহাপ্রসাদ। এই ভোগ রান্না করেন অলৌকিক প্রকৃতি ওরফে ঈশ্বর। খুব ভুল বলা হল?

_______________________

ভোগের রান্না
সোমব্রত সরকার
মান্দাস
৭০০্

Bageshwar Baba Bhog Chamunda culinary skill Divine Durga Puja JagaKhichuri Jamindar Kalighat Temple Khichuri Luchi Offering Puja Sangbad Pratidin Sangbad Pratidin Robbar Shree Krishna

Share this article on