টোনি কোলেটের অভিনয়শিল্পে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ দিক– মাতৃত্ব ও নারীর বিপর্যস্ত মানসিক স্বাস্থ্য। ‘দ্য সিক্সথ সেন্স’-এর পর টোনি কোলেট অভিনয় করেন ‘অ্যাবাউট আ বয়’ (২০০২) ছবিতে। এই ছবিতেও তিনি একক অভিভাবক। যে-চরিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন, তার নাম ফিয়োনা। ফিয়োনার রোগ ডিপ্রেশন। মাঝেমাঝে এই ডিপ্রেশনের প্রকোপ এত বেড়ে যায় যে, সে এমনকী আত্মহননের পথ বেছে নেয়। অথচ মা হিসেবে সে দায়িত্বশীল।
রাস্তায় জ্যাম। সার দিয়ে দাঁড়িয়ে গাড়ির পর গাড়ি। লিন ছেলেকে নিয়ে বসে গাড়িতে। সে-ই স্টিয়ারিং-এ। কী একটা অস্বস্তি যেন মা আর ছেলের মধ্যে প্রাণ পাচ্ছে। এ নতুন কিছু নয়। লিনের ছেলে কোল (হ্যালি জোল ওসমেন্ট) সবার সঙ্গে কথা বলে না। মাত্র ন’ বছর বয়স, কিন্তু কোনও উচ্ছলতা, আনন্দভাব ছেলেটির মধ্যে নেই। সে গম্ভীর থাকে। তার চোখ দু’টি ক্ষণে ক্ষণে জলে ভরে ওঠে। এক রকমের আতঙ্ক যেন তাড়া করে ফেরে এই শিশুটিকে।
রাস্তায় জ্যামের কারণ কী, তা কোল অনায়াসে বলে দিল– সাইকেল চালাচ্ছিল একটি মেয়ে, তাকে একটা বড় গাড়ি ধাক্কা মেরেছে। মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে তাতে। লিন খুব অবাক হল কথাটা শুনে। সে ভাবল কোল বোধহয় দেখতে পেয়েছে ঘটনা। কিন্ত কোল জানাল দূরে কী হচ্ছে সে মোটেই দেখতে পাচ্ছে না। আসলে যে-মেয়েটি একটু আগে দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে, সে-ই বলল! মানে? লিন ছেলের দিকে ফিরে তাকায়। কোল আরও জানায় যে, মেয়েটি তার জানালার বাইরেই দাঁড়িয়ে আছে!

লিনের মুখের অভিব্যক্তি নিমেষে বদলে গেল। একটা অজানা ভয়ের ছায়া নেমে এল তার মুখে। আতঙ্কিত মুখটা সে কোলের জানালার দিকে ফিরিয়ে অবাক হল। ছেলে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথাটা বলল বটে, কিন্তু জানালায় তো কেউ দাঁড়িয়ে নেই! তবে দর্শক দেখল, কোলের কথা ভুল নয়। ওই জানালায় একটি সাইকেল আরোহীর পোশাক-পরা মেয়ে এতক্ষণ সত্যিই দাঁড়িয়ে ছিল। তার মাথা ফেটে রক্ত ঝরে গোটা মুখ ছেয়ে গিয়েছে। মেয়েটি জানালা থেকে সরে গেল।
এতে অবাক হবার বা ভয় পাবার রসদ নেই। কিন্তু মুহূর্ত পরেই কোল যে কথাটা বলল, তাতে লিন শিহরিত না-হয়ে পারল না। কোল জানাল, সে মৃত মানুষদের দেখতে পায়। তারা কেবল দেখা দেয় তাকে তা নয়। অনেক কথাও বলে যায়। বহু ঘটনা জানিয়ে যায়। লিনের মা অর্থাৎ কোলের দিদিমাও মাঝেমাঝে কোলকে দর্শন দেন।

লিনের মুখের অভিব্যক্তি ক্রমশ বিস্ফারিত হতে হতে এক রকম অসহায়তায় পর্যবসিত হয়। কী বলে লিনের মা কোলকে? তিনি বলেন, সেই যেদিন লিনের ছোটবেলার স্কুলে নাচের অনুষ্ঠান ছিল, কিন্তু লিন ভেবেছিল তার মা কাজের চাপে আসেননি– তা ঠিক নয়। তিনি এসেছিলেন এবং লিনের অনুষ্ঠান দেখেছিলেন। কিংবা লিন যে মায়ের কবরের কাছে গিয়ে বলেছিল, সে কি মাকে কখনও গর্বিত করতে পেরেছে, তার উত্তর হল: কেবল একদিন নয়, লিনকে নিয়ে লিনের মা প্রতিদিন গর্বিত হন। লিন ছেলের কথাগুলো শুনে কেঁদে ফেলে।
যা হওয়ার কথা ছিল পাতি ভৌতিক থ্রিলার ছবি, লিন চরিত্রে টোনি কোলেটের এই মুহূর্তের অভিনয়, বিশেষত সেই অনন্যসাধারণ কান্নার দৃশ্য মনোজ নাইট শ্যামলান পরিচালিত ‘দ্য সিক্সথ সেন্স’ (১৯৯৯) ছবিটিকে বানিয়ে দিল মানবিক আবেগের এক অভূতপূর্ব আখ্যান। তখনও অবধি প্রায় অপরিচিত অস্ট্রেলিয়ার অভিনেত্রী টোনি কোলেটকে এই দৃশ্য এক লপ্তে উত্তীর্ণ করল শক্তিশালী অভিনেতাদের সঙ্গে এক পঙ্ক্তিতে। কেউ কেউ ঘোষণা দিল পর্দায় কান্নার দৃশ্যের ইতিহাসে ওই অভিনয় স্বর্ণাক্ষরে লিখিত থাকবে।

সিনেমার দৃশ্যে কান্নার অতি উচ্চ অভিনয় এর আগে এবং পরে ফিল্মের ইতিহাসে নেই তা নয়। আমরা ‘আ স্পেশাল ডে’ (১৯৭৭) ছবিতে সোফিয়া লোরেনের কান্না দেখেছি, ‘সোফিস চয়েস’-এ (১৯৮২) মেরিল স্ট্রিপ কিংবা ‘সিক্রেটস অ্যান্ড লাইজ’ (১৯৯৬) ছবিতে ব্রেন্ডা ব্লিদিনের অনন্যসাধারণ কেঁদে ওঠা, অথবা একদম হাল আমলে ‘সিক্রেট সানসাইন’ (২০০৭) ছবিতে জো দো-ওনের কান্না কিংবা ‘ক্যারল’-এ (২০১৫) রুনি মারা-র ডুকরে উঠে চোখের জল ফেলার দৃশ্য।
কিন্তু ‘দ্য সিক্সথ সেন্স’ ছবিতে টোনি কোলেটের কান্না আলাদা গুরুত্ব বহন করে। ছবিটির বিষয় দুঃখ নয়। একাকিত্ব সে-ছবির খুচরো সাবপ্লট হলেও, তার মূল আধার ভয় ও থ্রিল। আর সেখানে লিন চরিত্রে টোনি কোলেটের কান্না শুধুমাত্র ছবির একটি মুহূর্ত হলেও অভিনয়ের শক্তিতে অনন্য।

টোনি কোলেটের অভিনয়শিল্পে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ দিক– মাতৃত্ব ও নারীর বিপর্যস্ত মানসিক স্বাস্থ্য। ‘দ্য সিক্সথ সেন্স’-এর পর টোনি কোলেট অভিনয় করেন ‘অ্যাবাউট আ বয়’ (২০০২) ছবিতে। এই ছবিতেও তিনি একক অভিভাবক। যে-চরিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন, তার নাম ফিয়োনা। ফিয়োনার রোগ ডিপ্রেশন। মাঝেমাঝে এই ডিপ্রেশনের প্রকোপ এত বেড়ে যায় যে, সে এমনকী আত্মহননের পথ বেছে নেয়। অথচ মা হিসেবে সে দায়িত্বশীল। একদিকে নিজের অবসন্ন মানসিক স্বাস্থ্য আর অন্যদিকে মাতৃত্বের কর্তব্য-ভালোবাসা– এই দোলাচলে কী করে ফিয়োনা? আবারও নিজের অপূর্ব অভিনয়-ক্ষমতার মধ্যে দিয়ে টোনি কোলেট ফিয়োনার মতো একটি ‘সাধারণ’ চরিত্রকে (‘সাধারণ’ এ-কারণে যে, মায়েদের ডিপ্রেশন আগাগোড়া এতই গুরুত্বহীন থেকেছে যে, এমন চরিত্রগুলো যেন জলভাত হয়ে গিয়েছে) অসাধারণত্ব দান করেন।

অসহায় মাতৃত্বের এমন আরেকটি ছবি টোনি ফুটিয়ে তুলেছেন ‘দ্য ওয়ে, ওয়ে ব্যাক’ (২০১৩) ছবিতে। যে-চরিত্রে তিনি অভিনয় করেছেন, সেই প্যাম মেয়েটি জীবনের এক অদ্ভুত বাঁকে এসে পৌঁছয়, যখন সে ভেবে পায় না তার বয়ফ্রেন্ড ট্রেন্ট (স্টিভ কারেল) তার জীবনে গুরুত্বপূর্ণ না কি নিজের সন্তান ডানকান (লিয়াম জেমস)? আগের বিয়ে ভেঙে গিয়েছে। তার বয়স বেশি নয়। ট্রেন্টও ডিভোর্সি। সে ট্রেন্টের মেয়ে স্টেফ (জো লেভিন), নিজের ছেলে ডানকানকে নিয়ে চারজনের একটি সংসার চায়। কিন্তু ট্র্যাজেডি এমনভাবে তার জীবনকে চূর্ণবিচূর্ণ করে যে, সে মদে ডুবে যেতে থাকে। এক বিপর্যস্ত জীবনকে তার মনে হয় আনন্দের আদর্শ যাপন।

এখানেও টোনি অনন্যসাধারণ। কিন্তু যে-ছবি তাঁকে এক নতুন অভিনয়-শিল্পের প্রায় উদ্ভাবকে পরিণত করে– তা হল ‘হেরিডিটারি’ (২০১৮)। পৃথিবীতে যত ভয়ের সিনেমা তৈরি হয়েছে, সেই ইতিহাসের এক মাইলফলক অ্যারি অ্যাস্টরের ‘হেরিডিটারি’। টোনি কোলেট অভিনীত অ্যানি গ্রাহাম এক বহুমাত্রিক চরিত্র। তিনি একজন মিনিয়েচার শিল্পী, যিনি নিজের বাড়ির স্টুডিওটি সাজিয়ে তোলেন তাঁর জীবনের নানা ঘটনার ক্ষুদ্রাকৃতির প্রতিরূপ বা ডায়োরামা দিয়ে। স্মৃতিগুলিকে এভাবে পুনর্নির্মাণ করার মধ্য দিয়ে তিনি আসলে নিজের জীবনের ওপর হারিয়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেন। দুই সন্তানের মা অ্যানির সঙ্গে তাঁর নিজের মায়ের সম্পর্কও বেশ জটিল ও টানাপোড়েনের। অ্যানি নিজে, তাঁর এক সন্তানের প্রতি অতিমাত্রায় দুশ্চিন্তা করেন, অথচ অন্যজনের প্রতি আচরণ শীতল, এমনকী চাপা বিরক্তি ও ক্ষোভে পূর্ণ! জীবনে তাঁর যখন এক অকল্পনীয় বিপর্যয় নেমে আসে, তখন সেই অসহায়ত্বের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেন না অ্যানি। ক্রমশ তাঁর মধ্যে জন্ম নেয় এক অবিরাম আতঙ্ক ও অশুভের আশঙ্কা। আর এই ভেঙে পড়তে থাকা মানসিক জগৎকে কেন্দ্র করে পরিচালক অ্যারি অ্যাস্টার বুনে তোলেন এক দুঃস্বপ্নময়, ভয়াবহ আখ্যান। এক ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় অ্যানির অল্পবয়সী কন্যা চার্লি (মিলি স্যাফিরো)। স্কুল-পাসের উদ্যাপনের একটি পার্টি থেকে ফেরার পথে তার দাদা পিটারের (অ্যালেক্স ওল্ফ) গাড়িতে থাকা অবস্থায় দুর্ঘটনাটি ঘটে এবং চার্লির মাথাটা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আকস্মিক এই বিপর্যয়ে সম্পূর্ণ হতবিহ্বল পিটার– চার্লির নিথর, মুণ্ডহীন দেহটি গাড়ির মধ্যেই রেখে বাড়ি ফিরে আসে। পরদিন সকালে অ্যানি সেই ভয়াবহ দৃশ্য আবিষ্কার করেন। এই আবিষ্কারের মুহূর্তটি পর্দায় সম্পূর্ণভাবে ফুটে ওঠে পিটারের মুখের অভিব্যক্তির মধ্য দিয়ে। আমরা শুনতে পাই, অ্যানি কোনও কাজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। তারপর ধীরে ধীরে পিটারের মুখের অভিব্যক্তি থেকে দর্শক বুঝতে পারেন, আসলে কী ঘটে গিয়েছে! পিটারের নির্বিকার, শূন্য দৃষ্টির উপর ভেসে আসে অ্যানির বুকফাটা আর্তনাদ। টোনি কোলেট পর্দায় নেই অথচ তাঁর সেই তীব্র চিৎকার আমাদের ভয় পাইয়ে দেয়। অভিনয়ের সম্পূর্ণতা কেবল যে দৈহিক উপস্থিতিতে নয়, কণ্ঠস্বরের শক্তিতেও উজ্জ্বল হতে হয়– টোনি কোলেটের এই মুহূর্তের অভিনয় তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। এরপর শুরু হয় শোক ও মানসিক বিপর্যয়ের এমন এক দৃশ্য পরম্পরা, যা দর্শককে গভীরভাবে বিচলিত করে এবং যার অভিঘাত সহজে কাটিয়ে ওঠা যায় না। এরপর থেকেই ‘হেরিডিটারি’ যেন সম্পূর্ণ অন্য এক চলচ্চিত্রে রূপান্তরিত হয়। অ্যানি ক্রমশ তাঁর চারপাশে এক অশুভ শক্তির উপস্থিতির নানা প্রমাণ খুঁজে পেতে শুরু করেন। যদিও চলচ্চিত্রের একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দর্শক তাঁর উপলব্ধি ও আশঙ্কাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারেন না। এই অনিশ্চয়তাই ছবির আতঙ্ককে আরও গভীর ও তীব্র করে তোলে। সেই দৃশ্য যেখানে খাবার-টেবিলে শোকগ্রস্ত পিটারকে অ্যানি প্রচণ্ড পরিমাণ বকে উঠে চোখের জলে-নাকের জলে বলছেন শোক থেকে, ব্যথা থেকে বেরিয়ে আসতে– সেই অভিনয় দেখে মুগ্ধ হতে হয়। কিংবা যখন তাঁর স্বামীর গায়ে অদ্ভুতভাবে আগুন লেগে যাচ্ছে– সেই অসহায়ত্বের অভিনয় আমাদের বিহ্বল করে। তাছাড়া এ-ছবিতে টোনি কোলেটের অভিনয়ের স্বকীয়তার জায়গাটা এখানেই যে, তাঁর ভেঙে-পড়াটা আমাদের বুঝতে দেয় না যে, সেটা অশুভশক্তির আগ্রাসন না কি ধীরে ধীরে অ্যানি চরিত্রের মানসিক ভারসাম্যের সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়ে পড়া।

টোনি কোলেট ক্রমাগত বিপর্যস্ত মানসিক স্বাস্থ্যের নারী চরিত্রগুলি নিজের অভিনয়ের মাধ্যমে বিধৃত করেছেন। গত দশকের একটু আগে থেকে বিশ্বের নানা প্রান্তে অভিনয়ের যত পুরস্কার অভিনেত্রীরা পেয়েছেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে বিধ্বস্ত মানসিক স্বাস্থ্যের চরিত্রে অভিনয় করে পেয়েছেন। ২০০৯ সালে ‘অ্যান্টিক্রাইস্ট’ ছবির জন্য শার্লট গেন্সবুর্গ কান চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পান। চরিত্রটি ছিল সন্তান-মৃত্যুর পর এক মা কীভাবে মানসিক ভারসাম্যহীন হতে হতে হিংস্র হয়ে উঠছেন। কিংবা ২০১৩ সালে ‘স্টিল অ্যালিস’ ছবির জন্য জুলিয়ান ম্যুর শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর অস্কার পান। সে-ছবিতে তিনি ডিমেনশিয়া রোগাক্রান্ত নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। অলিভিয়া কোলম্যান ‘দ্য ফেভারিট’ (২০১৮) ছবির জন্য অস্কার পান শ্রেষ্ঠ অভিনয়ের। গ্রেট ব্রিটেনের রানি অ্যানের চরিত্রে অভিনয় করে অলিভিয়া সেই পুরস্কার জিতে নেন। রানি অ্যান জীবনের যে-সময়টা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ছেন, ‘দ্য ফেভারিট’ সেই সময়টা নিয়ে তৈরি। অর্থাৎ বিশ্বজুড়ে নারীর মানসিক স্বাস্থ্য এখন সিনেমায় অভিনয়-শিল্পের এক গুরুত্বপূর্ণ কোণ হয়ে উঠেছে। সেই প্রেক্ষিতে টোনি কোলেট একটি ভীষণরকম উজ্জ্বল সংযোজন। যদিও আজও তিনি অস্কার পাননি, এমনকী ‘হেরিডিটারি’ ছবির জন্যও নয়। কেন? ভয়ের-ছবিতে অভিনয় কি সেদিন মান হিসেবে অস্কার কর্তৃপক্ষের নিম্ন মনে হয়েছিল? হয়তো সেই পাপস্খালন হেতু এমি ম্যাডিগানকে ২০২৫-এর ভয়ের-ছবি ‘ওয়েপান্স’-এর জন্য শ্রেষ্ঠ সহ-অভিনেত্রীর অস্কার পুরস্কার দেওয়া হয়!

সদ্য পেরিয়ে গেল টোনি কোলেটের জন্মদিন (১ নভেম্বর)। তিনি সবে ৫৪। নিজের অভিনয়-শিল্পকে তিনি যে-উচ্চতায় এতাবধি নিয়ে গিয়েছেন সেই ‘দ্য সিক্সথ সেন্স’ (১৯৯৯) থেকে ‘হেরিডিটারি’ (২০১৮) পর্যন্ত এবং এখনও নতুন নতুন সাফল্যে মণ্ডিত হচ্ছেন, সেই গতি খুব সহজে থামবে না আশা করা যায়।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved