

প্রতিটি উনিশে এপ্রিল আমাদের ঋতুপর্ণ ঘোষ এবং তাঁর সিনেমাশিল্পকে মনে করিয়ে দিয়ে যায়। আমরা সেই স্মৃতিতে অনেক প্রহর থেকে যেতে চাই। তাঁর শিল্পের প্রভাব বাঙালি জীবনে নেভার নয়। ঋতুপর্ণ এরপরেও বহু ছবি করেছেন, কিন্তু তাঁর অননুকরণীয় কথাবিশ্ব তৈরি হয়েছিল ‘১৯শে এপ্রিল’ থেকে, এমন বললে অত্যুক্তি হয় না।
‘জাম্প স্কেয়ার’-এর অনুপস্থিতি এবং তেমন কোনও পুরনো ফর্মুলা ব্যবহার না-করে উৎকৃষ্ট ভয়ের-ছবির নির্মাণের নতুন ঝোঁকে পরপর অনেকগুলি ছবি তৈরি হয়েছে আমেরিকায়। ‘ওয়েপন্স’ এই নতুন ঘরানার ভয়ের-ছবি।
নারীকণ্ঠ মানেই স্বর হবে মিহি-মোলায়েম আর পুরুষকণ্ঠ জলদগম্ভীর হতে হবে– এমন বৈষম্য অনেক শিল্পীকেই সহ্য করতে হয়েছে। সেই স্টিরিওটাইপকে বদলে দিয়েছিলেন গাঙ্গুবাই হাঙ্গেল। টনসিল অপারেশনের জেরে তাঁর কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছিল পুরুষালি।
এইচআইভি-এইডস কীভাবে ছড়ায় আমরা জানি। কিন্তু এ রোগের চিকিৎসাও এখন ভীষণভাবে উন্নত হয়েছে। এইচআইভি আর যাতে এইডসে পরিণত না হতে পারে, ভারতে তেমন চিকিৎসা প্রায় বিনামূল্যে বিতরিত সেই প্রথম দিন থেকে, এতগুলো বছর। সঠিক চিকিৎসায় এইচআইভি না নিরাময় হলেও একজন রোগী প্রায় বাকি জীবন স্বাভাবিক ভাবে, সুস্থ ভাবে কাটাতে পারে।
আজ নৃত্যশিল্পী, গুরু কেলুচরণ মহাপাত্রর শতবর্ষ। একজীবনে বহুবার নৃত্যের প্রকরণ গড়েছেন, ভেঙেছেনও। বিশ্বাস করেননি নেপোটিজমে। তাঁর শিল্পের হকদার শুধু পুত্র, পুত্রবধূতে আটকে নেই। ওডিসি নৃত্যকে এত জনপ্রিয় করে তোলার নেপথ্যে তো তিনিই!
‘ভাইরাল’ হতে পারা ইনফ্লুয়েন্সারদের সর্বতো আকাঙ্ক্ষা, আমরা জানি, কিন্তু একটি দুর্বল গোষ্ঠীর মানুষদের যতরকম ভাবে পারা যায় অনলাইন-হেনস্তা করে সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা তো আদতে একটা অপরাধ। ‘থ্যাইল্যান্ড’ দেশটার যে কেবল রূপান্তরকামী মানুষদের দেহব্যবসা দিয়ে পরিচয় তা এরা না-থাকলে জানা হত না।
সংখ্যালঘুর মধ্যেও সংখ্যালঘু যাঁরা তাঁদের কথা না ভাবলে বা বৃহত্তর আলোচনায় তাঁদের অন্তর্ভুক্ত না করলে আন্দোলনের প্রকৃত উদ্দেশ্য কখনওই সফল হবে না। আমাদের সব রকম যৌনশিক্ষা থেকে, লিঙ্গযৌনতা বিষয়ক আলোচনা থেকে প্রতিবন্ধী মানুষদের, বিশেষত যাঁরা একাধারে যৌনসংখ্যালঘু এবং প্রতিবন্ধী, তাঁদের কথা যেন বাদ না পড়ে।
জেসি আইসেনবার্গের ‘আ রিয়াল পেইন’ আমাদের শিখিয়ে দিয়ে যায় যে আমাদের প্রত্যেকের বাড়ির দরজার বাইরে একটা নুড়ি পড়ে আছে। যখনই কষ্ট পাব আমাদের ভাবতে হবে আমাদের পূর্বসূরিরা এর থেকেও বেশি ব্যথা নিয়ে পৃথিবীতে টিকেছিলেন। জীবনের রণে ভঙ্গ দিয়ে আমাদের সরে গেলে চলবে না।
আজ অটিজম অ্যাওয়ারনেস ডে। জাতিসংঘ ২০০৭ সাল থেকে ২ এপ্রিল দিনটিকে সমাজে অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির দিবস হিসেবে চিহ্নিত করেছে। অটিজম স্পেকট্রাম ডিসর্ডারে আক্রান্তদের নিয়ে সচেতনতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের সমাজ কি এখনও পিছিয়ে থাকবে?
আইচআইভি নিয়ে ঔদাসীন্য যখন ভারতের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভয়ঙ্কর ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, তখন ড. নির্মলা সেলাপ্পানের গবেষণা প্রমাণ করল এদেশের মানুষের রক্তেও এই মারণ ভাইরাস উপস্থিত। শুরু হল ভারতের বুকে এইচআইভি গবেষণার প্রথম ধাপ।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved