দীর্ঘ সংগ্রামমুখর জীবনযাপনের পর অবশেষে ৩০ ডিসেম্বর সকাল ছ’টায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন বাংলাদেশের ‘আপসহীন নেত্রী’, প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। প্রতিকুল পরিস্থিতিতেও তিনি দেশ ছাড়েননি, দেশের মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। করলেনও। এ তাঁর রাজনৈতিক জীবনে অনেক বড় অর্জন।
বছর যায়। বছর আসে। ব্যাপারস্যাপার হরে-দরে একই থাকে। কেমন হত, যদি মানুষের মতোই, দুটো বছর একে-অপরের সঙ্গে কথা বলত? কী বলত তারা? সারা বছরের ভালো-মন্দ থেকে কী বেছে নিত? আগামী বছর কি বিগত বছরকে দোষারোপ করে? নতুন বছরের থেকে কি বিগত বছর আশা করে কিছু? রইল দুই বছরের সংলাপ।
আগামী কেমন ভাবে তাদের জীবনে আসবে, তা কেউই জানে না। সবাই আশা করে। আসলে তো সময় বলে কিছু নেই। আছে এক মুহূর্ত থেকে অন্য আরেক মুহূর্তের ব্যবধান। এই ব্যবধানকে আমরা ভুলে গেলেই আর নতুন কোনও বছর আসবে না ক্যালেন্ডারে।
আজকের ভাষায় ‘সোলো ট্রিপ’। একা নিজের সঙ্গে। তার রস পেতে গেলে একা হতে জানতে হয়। মুদ্রাদোষের মতো একা হওয়া। নইলে যাহা নগর কলিকাতা, তাহাই কনকনে দার্জিলিং। তা জানতেন ‘শীতে উপেক্ষিতা’র লেখক।
এবারের পৌষমেলা। কীরকম গেল? সঙ্গে বহু ছবি। মেলার চরিত্র কি এমনই ছিল? নাকি বদলে গিয়েছে একেবারে? পৌষের অন্য মেলার থেকে এই মেলা কি আলাদা কিছু?
ছোটনাগপুর অঞ্চল থেকে আসা শ্রমিকরা বহন করে এনেছিল তাঁদের আঞ্চলিক ঝুমুর সুরের ঐতিহ্য। সেই সুর আর ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার সুর মিশে সৃষ্টি হয়েছিল এক অন্যরকম লোকসংগীতের ধারা– বাগিচা ঝুমুর। পরম যত্নে কালী দাশগুপ্ত সংগ্রহ করেছিলেন এই নিপীড়িত, বঞ্চিত মানুষদের জীবন সংগ্রামের দলিল।
‘হিম পড়ে গেল’ রাজনৈতিক উপন্যাস নয়। অথচ তার নিগঢ়ে যে লুকিয়ে রয়েছে সেই বোধ। সেই হিংস্র সময়ের আভাস।
জ্যোতিদা চিরদিনই ছিলেন জীবনীশক্তিতে ভরপুর এক নবীন যুবক- বয়স এবং দৃষ্টিহীনতা যাঁকে কোনওভাবে পরাস্ত করতে পারেনি। তাঁর সারা জীবনটাই ছায়াছবির দুর্ধর্ষ দুঃসাহসী নায়কের মতো রোমাঞ্চকর।
দীর্ঘ বিশ বছরের বেশি সময় কেটেছে তাঁর কলকাতায়। কলকাতা তাঁকে সব দিয়েছে। বেতারে গান গাওয়ার সাধ পূর্ণ হয়েছে। কলকাতাতেই তিনি সান্নিধ্য লাভ করেছেন তাঁর প্রধান গীতিকার, সুহৃদ, ফ্রেন্ড-ফিলোজফার-গাইড কাজী নজরুল ইসলামের; পেয়েছেন পল্লীকবি জসীমউদ্দিন ও গোলাম মোস্তফাকে।
কাঠের নৌকো। নাম ‘মণিমেখলা’। তাতে চড়ে সমুদ্রযাত্রার দুঃসাহসিক পরিকল্পনা চেপেছিল জ্যোতিদার মাথায়। ‘কলকাতা’ পত্রিকা যখন নিয়মিত, আমি রোজ যাচ্ছি, হাতে-কলমে কাজ শিখছি– এক মায়াবী অবিশ্বাস্য বিকেলে তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘ডিঙিনৌকা নিয়ে সমুদ্র অভিযানে যাব মায়া, তুমিও আমাদের সঙ্গে যাবে।’
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved