এ জগতে পলাশই একমাত্র পুরুষ ফুল! বাকিরা ‘পুষ্প’ বা ‘পুষ্পা’, মানে নারী। হেঁটে বেড়াচ্ছি বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের অনন্ত ল্যান্ডস্কেপে। মাঠা থেকে হাতিপাথার অবধি ছড়ানো এই কিংশুক উপত্যকা যেন ভারত-পাকিস্তান, ইউক্রেন-রাশিয়া, ইজরায়েল-প্যালেস্টাইন দ্বন্দ্বের নামে লাশের রাজনীতির প্রতিবাদ, ওরফে পলাশ!
একটি তথ্য পেলাম। সত্যতা যাচাই করতে ভয় হয়। কারেন্ট অ্যাফেয়ার্সের একটি ওয়েবসাইট বলছে, ৩০ অক্টোবর ২০২৫ বাতাসের গুণমান অনুসারে বিশ্বের দূষিততম ৪০টি শহরের মধ্যে সবক’টিই ভারতের। রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগর নামক একটি শহরের ক্ষেত্রে এই সূচক ছিল ৮৩০। এই পরিসংখ্যান ভৌতিক হলে সুখ পাব।
বাংলা লেখক হিসেবে আমি অনেক বেশি ‘আমি’। বহু চেষ্টা করে শেখা ইংরেজি এখন আর বলতে বা লিখতে ইচ্ছে করে না। বাংলা ভাষা অনেক বেশি নিজের। সেখানে আমার চলাচলের স্বাধীনতা অনেক বেশি। আর ওই হিন্দি উপত্যকা তো আমার দেশই নয়!
অলকানন্দা সেনগুপ্তের এই একক প্রদর্শনী আমাদের সময়ের এক দর্পণ। এখানে ক্ষমতার বর্বরতা যেমন উন্মোচিত, তেমনি মানুষের আর্তি ও প্রতিবাদও স্পষ্ট। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় দাঁড়িয়ে অলকানন্দার শিল্পভাষা একদিকে উত্তরাধিকার বহন করে, অন্যদিকে সমকালীনতার এক স্বতন্ত্র ও প্রাসঙ্গিক অধ্যায় নির্মাণ করে।
লা নিনার ঠান্ডা অবস্থার ক্ষীণ হয়ে পড়া, ভারত মহাসাগরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে বেড়ে যাওয়া অতিরিক্ত তাপমাত্রার ফলে, যদি বর্তমান অবস্থা বজায় থাকে তাহলে এপ্রিল-মে ২০২৬ গত এক দশকের অন্যতম উষ্ণ প্রাক-বর্ষা মৌসুমী হতে পারে। তাহলে বৃষ্টির আগে কি প্রবল গরম পড়বে?
সন্তানকে ঘুমপাড়ানি গান শোনাই মারাঠি আর বাংলায়, অফিসে হিন্দি, ওড়িয়া, ইংরেজি, বাড়িতে মারাঠি আর ইংরেজি; নানা ভাষার তির সঞ্চালনায় আমার চিত্তাকাশ আলো-অন্ধকার। এদিকে কবিতার পাশাপাশি যেসব আখ্যান-কাহিনি হয়ে গড়ে উঠছে আমার মনের মধ্যে, তাদের কোন ভাষায় লেখা যায়, বাংলা ছাড়া?
যে সম্পর্ক প্রেমের, প্যাশনের, প্রতীক্ষার, তার তো বৈবাহিক স্ট্যাম্প লাগে না; তা সদাই নিত্য, নিত্যই সত্য। তাই এই যৌথ সম্পর্কের পোশাকি নাম যাই হোক না কেন, এদেশের যুগলদের ভালোবাসার, ভালো-থাকার সুখানুভূতির ঘাটতি যে হচ্ছে, সেটাই বড় কথা।
চলতি এআই সামিটে ওপেনএআই-এর কর্ণধার স্যাম অল্টম্যান বলেছেন, এই মুহূর্তে ভারতে চ্যাটজিপিটি সমেত এআই টুল ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১০ কোটি। আমেরিকার পরেই...। তিনি চান, ভারতের মতো বিরাট জনসংখ্যার দেশে কোনও মানুষ যেন এআইয়ের সংস্পর্শ থেকে রেহাই না পায়! তবেই সারা পৃথিবীকে এনে ফেলা যাবে হাতের মুঠোয়।
‘আমরা কোথায় যাচ্ছি কে তা জানে’, তবুও প্রশ্ন আমরা কি ঘুরে ঘুরে আবার পুরনো জায়গায় ফিরে আসি? গোটা পৃথিবীটাই তার আহ্নিক গতিতে নিজ অক্ষে এবং বার্ষিক গতিতে সূর্যের চারপাশে ঘুরতে ঘুরতে আগের জায়গায় ফিরে আসে বলেই তো শুনি। এই ঘূর্ণি দুর্নিবার, এক অনন্ত ঘূর্ণিপাক।
ভাষার জন্যেই তো এত কিছু। কত কিছু? ভাষার কাজ তাকে তার মৃত্যুর পর কতদিন বাঁচিয়ে রাখবে? তা নিয়ে তার বিন্দুমাত্র দুশ্চিন্তা নেই। বাংলা ভাষার প্রতি, তার সংখ্যাহীন শ্রোতা আর পাঠকদের (যাঁদের মধ্যে তার ছাত্রছাত্রীরাও আছে) প্রতি গভীর ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতা নিয়ে, এ ভাষা বলা আর লেখার সঙ্গে জুড়ে থেকেই সে জীবন সমাপ্ত করতে চলেছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved