Robbar

ডাগআউটের ফেলু মিত্তির

তিনি লিওনেল স্কালোনি। আর্জেন্টিনার আরেক লিও। আলবিসিলেস্তেদের ফেলু মিত্তির। ডাগআউটের ভেতরে বসে মগজাস্ত্রের জোরে ঘুঁটি সাজান। মোক্ষম সময়ে মোক্ষম চালে কিস্তিমাত করেন।

→

সমাজসচেতন না হলে, অভিনেতা মঞ্চের পুতুল

এমনটাই মনে করতেন বিজন ভট্টাচার্য। বিশ্বাস করতেন, ‘মানুষের কল্যাণে রুটির লড়াই-এর সঙ্গে প্রাণের লড়াইকে এক সূত্রে বেঁধে নাট্য আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই গণনাট্যের মর্মকথা।’ তিনি চিরকালই জনমুখী, বিজন পথের মানুষ নন।

→

একটি উপবাসের নাম ভারত

সোনাম ওয়াংচুক। আজ তাঁর অনশনের ২০তম দিন। তিনি ক্ষুধার্ত নন, ক্ষুব্ধ। তাঁর শরীরের ক্ষয়, আসলে রাষ্ট্রের পরীক্ষা।

→

স্বপ্নের অফসাইড

একটা স্টারডম, একজন মাচো অ্যাথলিট আর অনন্ত প্রচারের চূড়ামণি আর ফোটোগ্রাফারের বাইরে থাকে– একটা আড়াল। জেডেন অ্যাডামস সেই আড়াল থেকে আর ফিরলেন না।

→

শিল্পতীর্থ জগন্নাথ

বিশাল তিনটি রথ থেকে শুরু করে শ্রীজগন্নাথের অনসরকালের পটচিত্র, রথের অলংকরণ, কাঠের বিগ্রহ, মুখোশ, খেলনা, তালপাতার সূক্ষ্ম খোদাই এবং পাথরের ভাস্কর্য– পুরীর শিল্প একটি সাংস্কৃতিক পরম্পরা। এর গভীরে রয়েছে শ্রীজগন্নাথ সংস্কৃতির ধর্মীয় দর্শন, মন্দির-কেন্দ্রিক সেবাপরম্পরা, তীর্থযাত্রার ইতিহাস এবং বংশপরম্পরায় শিল্পচর্চার এক দীর্ঘ ঐতিহ্য।

→

সমুদ্রের মতো, সবই গ্রহণীয়

অভিজ্ঞতার একত্রে, নির্দিষ্ট কোনও অর্থ আছে কি? কেবল তাদের, এক সমগ্রতায় উগড়ে দিতে পারেন কেউ কেউ। যেমন পারতেন, উৎপলকুমার বসু।

→

পুরীর পেটপুজো

সজনে ডাঁটার মুচমুচে প্যান-ফ্রাই হোক, বা পুরভরা কচুপাতা মুড়ে ভাপিয়ে সারুপত্র তরকারি, পাখালা হোক বা বেসর– কলিঙ্গ আহারের স্বাদমাহাত্ম্য অতুলনীয়। তবে জানেন কি, বাঙালি রসনায় ডাল ও বড়ি, এমনকী, সরষের ব্যবহারের সূত্রপাতও করেছিলেন উৎকলবাসী রাঁধুনেরাই?

→

বিখ্যাত বাঙালিদের পুরীস্কোপ

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ১৩১২ বঙ্গাব্দে অর্থাৎ ১৯০৫-এ ‘মুকুল’ পত্রিকার কয়েকটি সংখ্যা জুড়ে পুরী ভ্রমণের বর্ণনা লিখেছিলেন। সেই বর্ণনার শুরুতেই উপেন্দ্রকিশোরকে বলতে শোনা যায়: ‘আজকাল রেল হইয়া পুরী যাইবার বেশ সুবিধা হইয়াছে, তাই এখন অনেকেই শখ করিয়া সেখানে গিয়া থাকেন।’

→

সাহেব, সমুদ্র, জগন্নাথ

পুরীর রথযাত্রার ইতিহাস বলতে গেলে ব্রিটিশ আমলের কলেরা মহামারির প্রসঙ্গ উত্থাপিত হবেই। ঐতিহাসিক ডেভিড আর্নল্ড বলছেন যে, ১৮৬৬ সালে কনস্ট্যানটিনোপলে সংঘটিত একটি সভায় পুরীর তীর্থ সমাগমকে দায়ী করা হয় বিশ্বে বিবিধ স্থানে কলেরা ছড়ানোর জন্য। ইতিপূর্বে মক্কাকেও দায়ী করা হয়েছিল এই রোগ সংক্রমণের হেতু হিসেবে।

→

আবার বছর চব্বিশ পরে

র‍্যামসের ঘৃণা, তারুণ্যের প্রতিশোধ, যুদ্ধের হিসেব, মারাদোনার স্মৃতি, রেড কার্ড, হার্স্ট, শিল্টন, রেফারি, দৃষ্টিনন্দন গোল। ২০২৬-এ দাঁড়িয়ে এ সবই বহু দূরের স্মৃতি। ২৪ বছর পরের খেলায় কি তবে ইতিহাসের কোনও যোগসূত্রই নেই?

→