বিলায়েত খান আজন্ম সংগীতের ছাত্র হয়েই জীবন কাটিয়েছেন। পুরস্কারের মোহ তাঁর মতো শিল্পীকে আবিষ্ট করেনি কখনওই– ১৯৬৪ এবং ’৬৮-তে যথাক্রমে ‘পদ্মশ্রী’ এবং ‘পদ্মভূষণ’ ফিরিয়ে দিয়েছেন, ২০০০ সালে ‘পদ্মবিভূষণ’-ও গ্রহণ করেননি। ১৯৯৫-তে ‘সংগীত নাটক অকাদেমি’ পুরস্কারও নিতে অস্বীকার করেছেন।
ইডেনে রাহুল-লক্ষ্মণ জুটির সেই সম্মোহক ব্যাটিং-এর ২৫ বছর পূর্ণ। রইল বিশেষ নিবন্ধ।
নারীকণ্ঠ মানেই স্বর হবে মিহি-মোলায়েম আর পুরুষকণ্ঠ জলদগম্ভীর হতে হবে– এমন বৈষম্য অনেক শিল্পীকেই সহ্য করতে হয়েছে। সেই স্টিরিওটাইপকে বদলে দিয়েছিলেন গাঙ্গুবাই হাঙ্গেল। টনসিল অপারেশনের জেরে তাঁর কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছিল পুরুষালি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর পেয়ারের লোকেদের ডেকে ডেকে জুতো উপহার দিচ্ছেন! ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ (মাগা) টিমের হর্তাকর্তাদের প্রেসিডেন্টের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনের চিহ্নই হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন ওই ‘ট্রাম্প শ্যু’।
সুপ্রিম কোর্টে ৩৩ জনের মধ্যে ১ জন মহিলা জাজ, এই পরিসংখ্যান নিতান্ত হাস্যকর এবং লজ্জাজনক। সারা বিশ্বে সবথেকে বেশি মহিলা বিচারপতি দেখা যায় পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিতে; হাঙ্গেরি, স্লোভানিয়া, লাটভিয়া বা গ্রিসে মহিলা জাজরা ৭০% সিট অধিগ্রহণ করে থাকে। আমেরিকায় সেখানে ৫১ শতাংশ এবং ভারতে মাত্র ১১ শতাংশ।
বাংলার মাটিতে ‘বিপ্লব’ কোনও আকাশ থেকে পড়া বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণ নয়। শ্রীচৈতন্যদেব যে সাম্য ও মুক্তির বীজ এই পলিমাটিতে রোপণ করেছিলেন, বাদল সরকার তাকেই আধুনিক রাজনৈতিক মনন ও মার্কসীয় দ্বান্দ্বিকতার জলসিঞ্চনে এক মহীরুহে পরিণত করেছেন।
২০২৬-এর ৯ মার্চ প্রায় ৯০ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন পানিক্কার। ব্যক্তির মৃত্যু তো অনিবার্য। তবে তাঁর কাজ থেকে যায়। তাঁর লেখাপত্রে যে ‘কণ্ঠ ছাড়ো জোরে’র কথা বলে গিয়েছেন পানিক্কার, ইতিহাসকে সেই গুরু দায়িত্ব পালনের করানোর ভার তাঁর উত্তরসূরিদের।
প্রিয়ম্বদা এসেছেন সুরেন্দ্রর নৈশপার্টিতে দুরুদুরু বক্ষে। কেননা সেই পার্টিতে আসছেন ওকাকুরা। যাঁর তিনটি বিখ্যাত বই-ই পড়েছেন তিনি। যাঁর সম্বন্ধে শুনেছেন অনেক গল্প। বিশেষ করে ওকাকুরার নারীপ্রীতির রূপকথা।
জমির ফসল বাঁচানোর জন্য চাষিরা এখনও মরা কাক অনেক সময় জমিতে দড়ি বেঁধে ঝুলিয়ে দেয়। এর ফলে অন্যান্য পাখি সেই মরা কাক দেখে খুব ভয় পায়। সেই কারণেই এর নাম ‘কাকতাড়ুয়া’ হয়েছে বলে মনে হয়। এভাবে ভাবলে বিষয়টা সহজ হলেও গলায় বেঁধা কাঁটার মতো প্রশ্নটা অনেকের মনে খচখচ করবে: কাকের প্রতিকৃতি না-করে মানবাকৃতি করা হল কেন?
আজ ইরান যে মুক্তি চায়, তার আলো তেহ্রানের হাইরাইজে কার্পেটে-মোড়া লিভিং রুমে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তার স্বাদ ও সম্ভাবনা পৌঁছে দেবে সেই প্রত্যন্তবাসিনীদের অবগুণ্ঠনের অন্তঃপুরেও– কবিগুরুর কলম ধার করা বাংলার সেই ‘সাধারণ মেয়ে’র মতোই যারা ‘ফরাসী জর্মান জানে না, কাঁদতে জানে’।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved