

‘রাত করে বাড়ি ফেরা’ আর ‘একজন মেয়ের রাত করে বাড়ি ফেরা’র মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত রয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে একজন মেয়ের কাছে ঘরের প্রোটেক্টিভ পেট্রিয়ার্কির চেয়ে পথই হয়ে উঠতে পারে বেশি নিরাপদ। ফেরার শান্তি কি তখন আর একরকম থাকে?
বাস্তব জীবনে দেখেছি, কিছু ঘটনা সরাসরি ফিরে আসে, কিছু ঘটনা নব নব রূপে ফিরে আসে। চলে যায় চুরি, ফিরে আসে পুকুর চুরি। চলে যায় গুন্ডা, ফিরে আসে গুন্ডাদমন আইনের ভীতি। চলে যায় তোলা, ফিরে আসে খাটের তলার টাকার ঝোলা।
গাজায় নতুন করে শুরু হয়েছে মৌ-পালন। ধ্বংসের মধ্য দিয়ে যাত্রা। মৌমাছি উড়ছে। কিছু ফুল এখনও অবশিষ্ট আছে। ফুলেরা একবার মৌমাছিকে অথবা মৌমাছিরা ফুলকে একবার খুঁজে পেলে বানচাল হয়ে যাবে তামাম এই যুদ্ধের দলিল। মাটি ফাটিয়ে সমস্ত সীমানা ঘুচিয়ে তারা আবার ফিরিয়ে আনবে সবুজ। আবার প্রাণ। আবার সেই এক জীবনীশক্তি, যার অধীনে ক্ষুদ্র মানুষের জন্ম।
জীবনে সুখেদুঃখে একাধিক প্রকৃত বন্ধুকে পেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। বয়সে খানিক অগ্রজ প্রিয়নাথ সেন ছিলেন তাঁদের অন্যতম। লেখালিখির প্রথম সমালোচক, পারিবারিক বন্ধু প্রিয়নাথকে নিয়ে জীবনস্মৃতিতে একটি গোটা অধ্যায় লিখেছেন তিনি। গতকাল ৩০ জুলাই ছিল আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস। সেই উপলক্ষে রবীন্দ্র-প্রিয়নাথ বন্ধুত্ব নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ।
যে-নদীর সঙ্গে আমার বিগত নিশীথে দেখা হয়েছিল, যার সঙ্গে মন দেওয়া-নেওয়া হয়েছিল, কত কথা হয়েছিল, সে এক চিন্ময়ী সত্তা। তার সম্পর্কে এসব ভৌগোলিক ও পৌরাণিক তথ্য জেনে আমার কী-ই বা লাভ? সে তো তথ্যের নদী নয়, সে চেতনার নদী।
ট্যাক্সি ড্রাইভারের ট্রাভিস আমাদের নিজেদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। কোনও এক গভীর রাতে, শহরের আলো পেরিয়ে কোনও ট্যাক্সির রিয়ার-ভিউ মিররে তাকালে সেখানে আমরা শুধু ট্রাভিস বিকলকে দেখি না– নিজেদেরও দেখি। দেখি নাগরিক জীবনের একাকিত্বকে।
যতই ‘কার্পে ডিয়েম’ বলা হোক, বর্তমানকে আসলে নির্মাণ করে মানুষের অতীত অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা। মোদিয়ানোর সারা জীবনের সাহিত্য যেন তাঁর এই বক্তব্যকেই বাস্তবায়িত করতে করতে এগিয়েছে। উপন্যাসের পর উপন্যাসে তিনি হাতড়ে গিয়েছেন পূর্বস্মৃতি, অতীতের গর্ভ থেকে তুলে আনতে চেয়েছেন জীবনের অর্থ।
মির তকি মির। আমার কাছে তিনি ফিরে আসেন তাঁর কবিতার মাধ্যমে করা স্বীকারোক্তির কায়দার জন্য। আজকের পৃথিবীতে মার্কিন কনফেশনাল কবিতা বা স্বীকারোক্তিমূলক অন্যান্য রচনার যে পরিসর তৈরি হয়েছে– তার যেন এক বীজতলা এই মির প্রদেশ।
নকুড়বাবুকে তাড়া করে আসছে চার-পাঁচটি দল। এই দলগুলির নানা পরিচয়। সেই পরিচয় তাদের মনুষ্য পরিচয়ের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে। একদলের ঝান্ডায় ত্রিশূল। আরেক দলের ঝান্ডায় চাঁদ। একদলের ঝান্ডায় এক ফুল তো আরেক দলের ঝান্ডায় আরেক ফুল। একদলের ঝান্ডা লাল, তো আরেক দলের ঝান্ডা কমলা। তাদের রাজনৈতিক দলত্ব, ধর্মীয় দলত্ব নানারকম। তবে একটা উদ্দেশ্য এক। তারা নকুড়বাবুর দৃষ্টি চায়, মুন্ডু চায়, মন চায়। কেন?
১৮৭৫-১৯২৫ সময়কালের মধ্যে কেবল আনন্দের জন্য ভারতে প্রায় ৪০ হাজার বাঘ শিকার করা হয়েছিল। মৃত বাঘের মাথার উপর পা রেখে আলোকচিত্র তুলেছিলেন বহু রাজা, যুবরাজ, জমিদাররা। ফল– বাঘের সংখ্যায় ভয়ংকর হ্রাস। আজ ২৯ জুলাই। আন্তর্জাতিক বাঘ দিবস। সেই কলঙ্কিত ইতিহাস ফিরে দেখার দিন, সংরক্ষণের শপথ নেওয়ার দিন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved