Robbar

যেখানে কবিরা দত্তক নেন একটি করে গাছ

মাথা-বোঝাই ধান নিয়ে বাড়ি চলেছে চাষি। কাজ থেকে ফেরার পথে বানি-গরান-ঝাউয়ের জঙ্গলে, গাছের ছায়ায় মেয়েরা আজকাল জিরিয়ে নিতে পারে একটু। ওরা মনে মনে কুর্নিশ করে সেই মানুষকে, যিনি কবিতা লিখতে লিখতে ছায়াটুকুও আনিয়ে দিয়েছেন নোনা জলের মাটিতে। মেরু দেশের বরফ গলছে। পায়ের নিচে মাটি কতক্ষণ? স্মৃতি শুধু বলে যাবে– চেষ্টা চলেছিল সৃজনের।

→

রসবোধে রামকৃষ্ণের যোগ্য শিষ্য ছিলেন বিবেকানন্দ

একটা পাত্রে অনেকগুলো গোটা গোটা লঙ্কা ছিল। সাহেব সেগুলো কী জিজ্ঞেস করতেই স্বামীজি বললেন, ‘এগুলো ভারতীয় কুল’– বলেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে রোববার.ইন-এ বিশেষ নিবন্ধ।

→

মণীন্দ্রই হয়ে উঠেছিলেন দেবারতির জীবনের কবি শ্রীরামকৃষ্ণ

মণীন্দ্র গুপ্তের মৃত্যুশোক সহ্য করতে করতে দেবারতি এই বিশ্বাসে চিরকাল স্থির থেকেছেন, তিনি আছেন। কেননা, দেবারতি আছেন বলেই মণীন্দ্র আছেন। সারদা আছেন বলেই রামকৃষ্ণ আছেন। পার্বতী আছেন বলেই শিব আছেন। সবাই অখণ্ড। সবই অখণ্ড। শিব-পার্বতীর যুগলকে মেনে রামকৃষ্ণ-সারদার বিবাহ তাই দেবারতির কাছে কবিতা।

→

আইসক্রিম ডল

মা এখন আমাকে বিষ দেওয়ার চেষ্টা করে। খাবারে। রোজ। একটু একটু করে। আমি জানি। বুঝি। ক্লাস সিক্সের শেষ থেকেই শুরু হয় এই খেলা। শুধু আমার সঙ্গে নয়। আমার আগের পাঁচ জন ভাইবোনের সঙ্গেও এই একই খেলা খেলেছে মা। সবাই হেরেছে। আমি এখনও হার মানিনি।

→

গৌরদা বিশ্বাস করতেন, কলমের স্বাধীনতা হরণ মাতৃবিয়োগের চেয়ে কম কিছু নয়

১৯৭৫ সালে দেশে জাতীয় জরুরি অবস্থার সময় গৌরকিশোর ঘোষের লেখার অংশ বাদ দেওয়া, লেখা বাতিল হওয়া শুরু হয়। এই রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গৌরদা মাথা ন্যাড়া করেছিলেন। সেইসঙ্গে এটাও জানিয়ে রেখেছিলেন, এতে কাজ না হলে তিনি গলায় কুকুরের বকলস পরে ঘুরবেন!

→

নব্যবঙ্গীয় হয়েও ব্যতিক্রমী নরেন্দ্র দে সরকারের ছবি

সম্প্রতি অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে হয়ে গেল নরেন্দ্রচন্দ্র দে সরকারের ছবির প্রদর্শনী। সরকারি চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। আজ ৯৪ বছরেও তাঁর তুলি সমানভাবে সচল। বয়সের ভারে ন্যুব্জ, চোখের দৃষ্টি ক্ষীণ– একটি চোখে প্রায় দেখতে পান না বললেই চলে। তবুও ছবি আঁকায় বিরতি নেই।

→

ভারতের মতো গরমের দেশে ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে রাতের পর্যটন

এ দেশের নকট্যুরিজম নতুন-পুরনো মিলিয়ে রয়েছে। হেরিটেজ ভ্রমণের মধ্যে জয়পুরের আমের দুর্গ, গোলকোন্ডা ফোর্ট, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, সোমনাথ মন্দিরের মতো অসংখ্য টুরিস্ট স্পটের লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো। রয়েছে বেনারস, অযোধ্যা ও হরিদ্বার ঘাটের সন্ধ্যা-আরতি। রয়েছে রনথম্বোরের নাইট সাফারি, পেরিয়ার লেকে বোট সাফারিও।

→

এত বছরেও সলিল চৌধুরীর কোনও নির্ভরযোগ্য জীবনী নেই

আজও তাঁর জীবনকে জানার জন্য আমাদের সম্বল ইতিউতি কিছু উপাদান। কিছু মানুষের স্মৃতিকথা, খানকতক দায়সারা বা দাঁতভাঙা প্রবন্ধ, আর বেশ কিছু গান। সত্যিই কি সলিলের মতো একজন কৃতী বাঙালির আরও একটু মনোযোগ প্রাপ্য ছিল না?

→

মাধব গাডগিলই প্রথম কম্পিউটার সায়েন্সের সঙ্গে মিলিয়ে দিয়েছিলেন জীববিদ্যাকে

তাঁর জীবৎকালের শেষদিন পর্যন্ত মাধব গাডগিল সোচ্চার ছিলেন ভারতের প্রতিটি অংশের পরিবেশ, জীববৈচিত্র ও তার ওপর স্থানীয় প্রান্তিক মানুষের অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করতে। মুনাফালোভীদের উন্মত্ত ধ্বংসলীলায় আজ বিপন্ন এ সময়ে মাধব গাডগিলের নির্ভীক কণ্ঠ বয়সোচিত কারণে স্তব্ধ হল। এবার তাঁর পতাকা তুলে নেওয়ার দায়িত্ব বয়ঃকনিষ্ঠ অনুগামীদের।

→

বেলা অবেলা কালবেলা

বেলা তারের ‘দ্য তুরিন হর্স’-এর প্রথম ৭ মিনিট ৪০ সেকেন্ডেই ধরা পড়ে তাঁর সমগ্র সিনেমার দর্শন। নিৎসের ঘোড়ার কিংবদন্তি থেকে শুরু হয়ে ক্যামেরা, শব্দ ও নৈঃশব্দ্যের মধ্য দিয়ে খুলে যায় এক নির্দয় বাস্তবের দরজা। আন্দ্রেই তারকোভস্কির স্বপ্নদৃশ্য থেকে বেলা তারের শেষ সিনেমা– দু’টি ছবির মধ্যে যেন রয়েছে এক অমোঘ আলোকসেতু।

→