Robbar

যে লেখে, সে আমি নয়

মিয়া ব্যালার্ড নতুন লেখিকা। তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস ‘সাই গার্ল’ প্রকাশ করেছেন হ্যাচেটে। সমাজমাধ্যমে পাঠকরা ইতিমধ্যে অভিযোগ করেছেন যে, ব্যালার্ডের উপন্যাস আদৌ তাঁর নিজের লেখা নয়। বরং, এআই-এর লেখায় যতগুলো ফিঙ্গারপ্রিন্ট থাকতে পারে, সেসব এই উপন্যাসের ছত্রে ছত্রে। এত অভিযোগ সত্ত্বেও প্রশ্ন একটাই– এভাবে কি এড়ানো যাবে এআই-এর সৃজনশীলতাকে?

→

আমার ছেলে হাত পুড়িয়ে খাবে?

‘ইউ আর নট ম্যারিইং আ মেইড, ইউ আর ম্যারিইং আ লাইফ পার্টনার।’ অতি সম্প্রতি একটি ডিভোর্সের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই মন্তব্য এক লহমায় টান মেরেছে ভারতীয় পরিবারের একেবারে অন্দরে– ‘বিবাহ’ নামক প্রতিষ্ঠানটির আসল চেহারা নিয়ে।

→

আমাদের থিয়েটার হাজার বছরের পুরনো যৌথতা

গত ১৫ বছরে তো বটেই, বিশ্ব নাট্য দিবসের এই ৬৪ বছরের ইতিহাসে, আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে গোটা বিশ্বকে বার্তা দেওয়ার জন্য একজনও বাঙালি নাট্যব্যক্তিত্বেরও ডাক পড়ল না! কেন মশাই? আমাদের কি বলার মতো কোনও কথা ছিল না? আমাদের শম্ভু মিত্র, উৎপল দত্ত, বাদল সরকার বা তৃপ্তি মিত্ররা কি আন্তর্জাতিক মানের ভাবুক ছিলেন না?

→

হারিয়ে যাওয়া অন্নপূর্ণা ঘাটের কথা

অন্নপূর্ণা মন্দিরটি আজকের বাগবাজার ঘাটের একেবারেই পার্শ্ববর্তী ছিল। তাই মন্দিরের নাম থেকেই ঘাটের নামকরণ হয় ‘অন্নপূর্ণা ঘাট’।

→

মল্লিকার মল্লিকা নির্মাণ

মল্লিকা সেনগুপ্ত সেই ১৯৮০-র দশকের কবি, যে দশককে রাজনীতিকদের মতো জন্মবৃদ্ধ বাংলা কবিতার পুরুষেরা অগ্রাহ্য করতে চেয়েছিলেন। আধুনিকতার দাগিয়ে দেওয়া আগমার্কা মার্কসবাদীদের শ্রেণীশত্রুর রক্ত নয়। মল্লিকা আরও আগে মার্কসকেই প্রশ্ন করেছিলেন– ‘শ্রেণীহীন রাষ্ট্রহীন আলো-পৃথিবীর সেই দেশে/ আপনি বলুন মার্কস, মেয়েরা কি বিপ্লবের সেবাদাসী হবে?’

→

যুদ্ধবাজ নয়, বাঙালির রাম করুণরসের

বাংলায় রামচন্দ্রের যোদ্ধা রূপের চেয়ে তাঁকে করুণ রসের নায়ক রূপে বন্দনা করেছেন দ্বাদশ শতাব্দীর বাঙালি কবি জয়দেব। ‘ধৃত রামশরীর জয় জগদীশ হরে’। এখান থেকেই শুরু হয়েছে রামের প্রকৃত বাঙালিয়ানা। কৃত্তিবাসের কাব্যে এই করুণ রসের সঙ্গে ভক্তিরস গাঢ় হয়ে উঠেছে।

→

তবুও মানব থেকে যায়

নিজেদের জীবনও যেখানে অনিশ্চয়তার ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে, সেই কাশ্মীরী মানুষরাই হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন বহু দূরের ইরানের যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের দিকে। বুদগাম, বারামুল্লা– এইসব অঞ্চলে চলছে স্বতঃস্ফূর্ত তহবিল সংগ্রহ। কেউ দিচ্ছেন নগদ অর্থ, কেউ গয়না, কেউ-বা বহুদিনের সঞ্চয়। এমনকী, ছোট ছোট শিশুও তাদের পিগি ব্যাঙ্ক ভেঙে তুলে দিচ্ছে সব কিছু।

→

স্মৃতির প্রোজেক্টরে হারানো সময়ের ঢেউ

স্বপ্না দেব ছিলেন খ্যাতনামা সাংবাদিক। বামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী সত্যনিষ্ঠ এক মানুষ। সারা জীবনে এসেছেন অসংখ্য মানুষের সংস্পর্শে। তাঁদের মধ্যে বহু মানুষই কৃতী। সেই সব অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনবোধকে আরও পরিপুষ্ট করেছে। এই বইয়ে লিখিত নানা ঘটনার ভিতর দিয়ে আমরা তা বুঝতে পারি।

→

বাঙালের কলোনি জীবন, বাঙালির ‘আনস্মার্ট’ স্মৃতি

আজকে যে বিশ্বব্যাপী নৈকট্য, তার থেকে অনেক আলাদা ছিল তখনকার বিজয়গড়, তখনকার উদ্বাস্তু কলোনি, তখনকার ভারত। ১০টি পর্বে সেই কাহিনির মালা গেঁথেছেন লেখক রংগন চক্রবর্তী।

→

সত্যজিৎ রায়ের ছবি তোলা ছিল বাবার কাছে অক্সিজেন

বাবার তোলা মানিকজেঠুর ছবি আজও দেখলে মনে হয়, নতুনভাবে সত্যজিৎ রায়কে দেখছি। একটা ফ্রেশ দেখার চোখ আছে তাতে। অন্য অনেকেই তো সত্যজিতের ছবি তুলেছেন। কিন্তু এতটা জনপ্রিয় হয়েছে কি সেইসব? আলোকচিত্রী নিমাই ঘোষের মৃত্যুদিনে বিশেষ নিবন্ধ।

→