

ফরসা নয় কালো। ‘দ্য ওডিসি’-তে এভাবেই হেলেন এবং এবং ক্লিটেমনেস্ট্রাকে ভেবেছেন পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান। চরিত্রের সেই ভার বহনের জন্য তিনি বেছে নিয়েছেন অভিনেত্রী লুপিটা নিয়ং’ও-কে। সেই ছকভাঙা ভাবনার নেপথ্যে কোন ভূমিকা পালন করেছে নোলানের লেখার টেবিল?
বিক্ষোভ-বিদ্রোহের কোনও শীর্ষচূড়া হয় না, যেখানে পৌঁছে গেলেই লিখে ফেলা যায় ‘We won’। জয়ের জন্য এই পৃথিবীতে কোনও বিদ্রোহ বোধহয় আয়োজিত হয়ও না। বিরুদ্ধাচরণ এক ধরনের যাত্রা, যা শুধু দাঁড়িয়ে থাকে শাসককে প্রশ্ন করার মধ্যে দিয়েই। সেই ইতিহাস যতখানি লিখিত নথি, ঠিক ততখানিই জরুরি সেই ইতিহাসের ছবি।
‘গ্লোব স্কিমার’। হলদে বা কমলা রঙের এই বিশেষ ফড়িং বাংলায় দেখা যায় মূলত বর্ষাকালেই। তাদের এই আর্বিভাবের নেপথ্যে থাকে এক সুদীর্ঘ পথযাত্রা। ভারত থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে আফ্রিকা– গ্লোব স্কিমারদের এই পরিযাণ-চক্রের পরিসীমা প্রায় ১৮,০০০ কিলিমিটারের। বিস্ময় বটে, কিন্তু ঘোর বাস্তব!
‘Palermo Shooting’ এবং ‘Blow-Up’ চলচ্চিত্র– দুই নিরাসক্ত আলোকচিত্রীর জীবন নিয়ে। ফটোগ্রাফির যান্ত্রিকতা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য উভয়েই মরিয়া। দিনের পর দিন, একই রকমের ছবির ভিড়ে, তারা আর নিজেদের অস্তিত্ব খুঁজে পাচ্ছে না। আমাদের সকলের মতো: তাদেরও কাঙ্ক্ষিত: মুক্তি।
পূর্ণেন্দুদা বইয়ের ছাপাছাপি নিয়ে খুঁতখুঁতে ছিলেন। তবু নিজের লেখা বা বইয়ের নাম ভুল ছাপা হওয়ায় তাঁকেই সবচেয়ে বেশি বিড়ম্বিত হতে হয়েছে বলে শুনেছি। প্রথম উপন্যাসের বিজ্ঞাপনে না কি ‘দাঁড়ের ময়না’ ছাপাখানার ভূতের কারসাজিতে ‘দাঁতের ময়লা’ ছাপা হয়েছিল।
রবীন্দ্রনাথের বন্ধু হওয়া তো সোজা ব্যাপার নয়! জগদীশচন্দ্র হয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ স্বীকার করেছেন যে, ঠাকুরবাড়ির বাইরে জগদীশচন্দ্র বসুই তাঁর প্রথম বন্ধু। স্বীকার করেছেন, তাঁর নিঃসঙ্গ জীবনের কোণ থেকে জগদীশচন্দ্র তাঁকে টেনে বের করেছিলেন।
গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্যের জীবনকাহিনি আজ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, বড় কিছু করার জন্য সবসময় প্রাচুর্য বা বড় ডিগ্রির প্রয়োজন হয় না, যা প্রয়োজন তা হল একাগ্রতা, নিষ্ঠা এবং চারপাশের প্রকৃতিকে ভালোবাসার এক সত্যান্বেষী মন।
জে কে রাউলিং কিংবা তাঁর সৃষ্ট শুভশক্তির মশালধারী শিশু হ্যারি– বড় হয়ে উঠতে উঠতে বারবার দেখায় জীবনে ভালোবাসার থেকে বড় জাদু আর কিছু হতে পারে না। মনে করিয়ে দেয়, যুদ্ধ যদি করতেই হয় তবে শুধুমাত্র তা ভালোবাসার জন্য করা যেতে পারে।
রাতের যে-ট্রেন যাত্রী বমি করতে-করতে শেষ স্টেশনের দিকে এগিয়ে চলে, সে-ই তো পরের ভোরে সরীসৃপের মতো যাত্রী খেতে-খেতে শহরগামী হয়। সপ্তাশ্ব ঘোড়ায় চেপে টহল দেওয়া সূর্যের আলো কি তখন তার রাতপোশাক ও রাতসিঁদুর মুছে দিতে চায়?
প্ল্যানচেটের দীর্ঘ ইতিহাস জড়িয়ে আছে আমার পরিবারের সঙ্গে। বাবা তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় প্ল্যনচেটে কথা বলতে চেয়েছিলেন বিভূতিভূষণের সঙ্গে। এসেছিলেন তিনি। স্পষ্ট সই করেছিলেন নিজের নাম। মা জানতে চেয়েছিলেন ইউনিভার্সিটি পরীক্ষায় পাস করবেন কি না, কিন্তু লজ্জায় সেই প্রশ্ন করে উঠতে পারেননি।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved