সুপ্রিম কোর্টে ৩৩ জনের মধ্যে ১ জন মহিলা জাজ, এই পরিসংখ্যান নিতান্ত হাস্যকর এবং লজ্জাজনক। সারা বিশ্বে সবথেকে বেশি মহিলা বিচারপতি দেখা যায় পূর্ব ইউরোপের দেশগুলিতে; হাঙ্গেরি, স্লোভানিয়া, লাটভিয়া বা গ্রিসে মহিলা জাজরা ৭০% সিট অধিগ্রহণ করে থাকে। আমেরিকায় সেখানে ৫১ শতাংশ এবং ভারতে মাত্র ১১ শতাংশ।
বাংলার মাটিতে ‘বিপ্লব’ কোনও আকাশ থেকে পড়া বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণ নয়। শ্রীচৈতন্যদেব যে সাম্য ও মুক্তির বীজ এই পলিমাটিতে রোপণ করেছিলেন, বাদল সরকার তাকেই আধুনিক রাজনৈতিক মনন ও মার্কসীয় দ্বান্দ্বিকতার জলসিঞ্চনে এক মহীরুহে পরিণত করেছেন।
২০২৬-এর ৯ মার্চ প্রায় ৯০ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন পানিক্কার। ব্যক্তির মৃত্যু তো অনিবার্য। তবে তাঁর কাজ থেকে যায়। তাঁর লেখাপত্রে যে ‘কণ্ঠ ছাড়ো জোরে’র কথা বলে গিয়েছেন পানিক্কার, ইতিহাসকে সেই গুরু দায়িত্ব পালনের করানোর ভার তাঁর উত্তরসূরিদের।
প্রিয়ম্বদা এসেছেন সুরেন্দ্রর নৈশপার্টিতে দুরুদুরু বক্ষে। কেননা সেই পার্টিতে আসছেন ওকাকুরা। যাঁর তিনটি বিখ্যাত বই-ই পড়েছেন তিনি। যাঁর সম্বন্ধে শুনেছেন অনেক গল্প। বিশেষ করে ওকাকুরার নারীপ্রীতির রূপকথা।
জমির ফসল বাঁচানোর জন্য চাষিরা এখনও মরা কাক অনেক সময় জমিতে দড়ি বেঁধে ঝুলিয়ে দেয়। এর ফলে অন্যান্য পাখি সেই মরা কাক দেখে খুব ভয় পায়। সেই কারণেই এর নাম ‘কাকতাড়ুয়া’ হয়েছে বলে মনে হয়। এভাবে ভাবলে বিষয়টা সহজ হলেও গলায় বেঁধা কাঁটার মতো প্রশ্নটা অনেকের মনে খচখচ করবে: কাকের প্রতিকৃতি না-করে মানবাকৃতি করা হল কেন?
আজ ইরান যে মুক্তি চায়, তার আলো তেহ্রানের হাইরাইজে কার্পেটে-মোড়া লিভিং রুমে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তার স্বাদ ও সম্ভাবনা পৌঁছে দেবে সেই প্রত্যন্তবাসিনীদের অবগুণ্ঠনের অন্তঃপুরেও– কবিগুরুর কলম ধার করা বাংলার সেই ‘সাধারণ মেয়ে’র মতোই যারা ‘ফরাসী জর্মান জানে না, কাঁদতে জানে’।
ট্রফির সঙ্গে বিদ্বেষের এই পৃথিবীকেও জিতে নিয়েছেন গম্ভীর। এমন সাফল্যবানকে ধোনির মতো ব্যক্তিত্ব কুর্নিশ জানাবেন, সেটাই কাম্য। যুদ্ধের বিষবাষ্পে দুই হাস্যোজ্জ্বল মহারথীর ‘দোস্তি’ রক্তকরবী হয়ে ফুটলে ক্ষতি কি!
২০২৩ সালে দলিত মহিলাদের অবস্থান ও পরিস্থিতি নিয়ে তথ্যচিত্র নির্মাণ করার জন্য ভারতে আসেন তরুণ ফরাসি চলচ্চিত্রকার ভ্যালন্তাইনো। গোরখপুরে তথ্যচিত্রের কাজ চলাকালীন দলিত রমণীদের একটি প্রতিবাদ মিছিলে যোগদানের অভিযোগে স্থানীয় পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। দু’ বছর জেলে থেকে ভারত সম্পর্কে এখন তাঁর কী ধারণা হল?
কিছু কিছু ‘ভিড়’ হয়ে ওঠে রাজনৈতিক আগ্রাসনের আরেক চতুর মুখচ্ছবি। ভিড়ের মধ্যে সেই মিশে থাকা ভিড় আনন্দজল-ভরা চোখের চিৎকৃত ‘ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়া’ বা ‘জনগণমন’র মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চায় ‘ভারতমাতা কি জয়’ কিংবা ‘জয় শ্রীরাম’। ভিড় থেকে আলাদা হয়ে ওঠে আরেক ভিড়।
আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে সবাইকে তাজ্জব করে দিয়ে হাজির হয়েছিলেন ‘অগ্রন্থিত’ এক ‘শক্তি চট্টোপাধ্যায়’! কবিতা নয়, কবি স্বয়ং। কারণ তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন তাঁর ‘আমি’র আর কোনও অস্তিত্ব নেই, বিবরণ নেই, সত্তাভেদ নেই, একমাত্র তাঁর কবিতা ছাড়া। তিনি নিজেই দীর্ঘ এক কবিতা। অগ্রন্থিত।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved