Robbar

শ্রমজীবী মেয়েদের নিরাশ্রয় বিপন্নতা

স্থির প্রজ্ঞা আর জীবন-অভিজ্ঞতার মহতী সঞ্চয় লেখাগুলিকে গভীরভাবে প্রোথিত রেখেছে মাটির সঙ্গে। উচ্চকিত বিদ্রোহ নেই বটে, কিন্তু এ লেখায় নিরপেক্ষতার ভানও নেই কোথাও। শ্রম সমাজ ও সাহিত্যের লেখাগুলি একত্রে সমাজের সম্মিলিত মানসে, অবচেতনে, সাহিত্যে এবং রাষ্ট্রের কাঠামোর মধ্যে নিহিত পিতৃতন্ত্রের মূল স্বরকে চিনিয়ে দেবে।

→

অপ্রকাশিত প্রতিমা ঘোষ

প্রকাশক এলেন এক রাত্রে, বইটি নিতে। জানা গেল, কল্যাণ রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি ওরা, যিনি অনুবাদক। শঙ্খ-র কথা হল যে এ বই তো কল্যাণের। ওকে তো জানাতেই হবে। শঙ্খকে করতে হল যোগাযোগ অপর্ণা সেনের সহায়তায়, কল্যাণ এত অল্প সময়ে আর কি করবে এতদূর থেকে, অন্তত ‘নতুন’ সংস্করণের ভূমিকা লিখবে।

→

উদাসী স্মৃতির পথে পথে

আজ মনে হয়, বড় ভাগ্যবান ছিলাম আমরা, এঁদের কাছে পেয়েছি। কিন্তু সময়টা যেন ঝড়ের বেগে পেরিয়ে এসেছি। হুশ করে কোথায় চলে গেলেন সবাই! এই বিধ্বস্ত সময়ে দাঁড়িয়ে মনে হয়– এইসব উদাসী স্মৃতিরাই একক অবলম্বন।

→

মছলিবাবা, ভেরি ফিসি!

সত্যজিৎ আসল মছলিবাবাকে পর্দায় নিয়ে এসেছেন দর্শকদের মনে একটা কৌতূহল তৈরি করে দিয়ে, মছলিবাবার সম্বন্ধে মোটামুটি তথ্য জানার পর। সেই দৃশ্যে, মছলিবাবাকে দেখানোর আগে আমরা দেখেছিলাম মছলিবাবার অনুষঙ্গ, কানা-উঁচু থালায় রাখা মাছের আঁশ।

→

প্রতিমাদির প্রথম বই

বইটা প্রথম ২-৩ দিনে তেমন কিছু বিক্রি হল না। সম্ভবত মলাটের কারণে নেড়চেড়ে অনেকেই দেখলেন। একটু মনখারাপ হয়নি বললে মিথ্যে বলা হবে। তবে গুরুদেব প্রদ্যুম্ন ভট্টাচার্য বলে দিয়েছেন, শুধু সেই বই করবে যাতে তুমি বিশ্বাস করো। বিক্রি হলে ভালো, না-হলে তুমি তো বিশ্বাস করো।

→

বাঙালির সব বঁটিই আঁশবঁটি

বাঙালি মুসলিমের পাকঘরে, আর দুলে-বাগদিদের মতো উচ্চবর্ণের হিন্দুয়ানি দ্বারা চিরকালের অপমানিত মানুষের হেঁশেলে আমিষ-নিরামিষের অত ভেদ নেই, সেই অসংখ্য কিন্তু অদম্য বাঙালির সব বঁটিই আঁশবঁটি।

→

শূন্য মঞ্চের ভিতরে এত ঢেউ

খালেদ চৌধুরী জানতেন, একটা শহরের রূপ বোঝানোর জন্য গোটা শহরটাকে মঞ্চে তুলে আনার দরকার নেই, শুধু একটা ভাঙা ল্যাম্পপোস্ট আর একটা শূন্যে হারানো বাঁকানো সিঁড়িই যথেষ্ট। তাঁর তৈরি করা সেটগুলো যেন নিজেরাই এক একটা নীরব অভিনেতা, যারা সংলাপ না বলেও দর্শকদের সঙ্গে অনবরত কথা বলে যায়।

→

বাঙালির বাড়ির মৎস্যেন্দ্রিয়

মাছ ছাড়া ভাত রোচে না, কিন্তু মাছের বাজারে ঢুকলে নাকে চাপা দেন– এমন মানুষ নিশ্চয়ই দেখেছেন। আবার মাছ নিয়ে যাঁদের কাজকারবার, মানে জেলে বা মাছ বিক্রেতা, তাঁদের কাছে নাকি ওই কটু গন্ধই সুগন্ধি-সমান।

→

মৎস্য দেবতা মৎস্য ভোগ

লৌকিক প্রবাদে ‘মাছের মায়ের পুতের শোক’ বলে যতই বিদ্রুপ করা হোক না কেন, মাছ প্রজননের প্রতীক। সেই কারণে বিয়েতে মাছ দেওয়ার রীতি আজও বঙ্গ জীবনের অঙ্গ। এছাড়া মৎস্যমিথুনের আলাদা তাৎপর্যও দেখা যায় বিবিধ ধর্মীয় সংস্কৃতিতে।

→

আমার প্রতিমা দর্শন

গদ্যভাষা স্বতন্ত্র, প্রকাশ এবং পরিবেশনায় প্রতিমাদি একেবারেই ভিন্নধর্মী। শঙ্খ ঘোষ চরিত্র হিসেবে বারবার উপস্থিত আছেন বটে, তবে রচনাকল্পে নেই! বিশেষত কবিদের নিয়ে আলোচনায়। নির্ভার কিন্তু গভীর, অনুভবে ভাবুক অথচ বিশ্লেষণে প্রখর।

→