Robbar

তবুও মানব থেকে যায়

নিজেদের জীবনও যেখানে অনিশ্চয়তার ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে, সেই কাশ্মীরী মানুষরাই হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন বহু দূরের ইরানের যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের দিকে। বুদগাম, বারামুল্লা– এইসব অঞ্চলে চলছে স্বতঃস্ফূর্ত তহবিল সংগ্রহ। কেউ দিচ্ছেন নগদ অর্থ, কেউ গয়না, কেউ-বা বহুদিনের সঞ্চয়। এমনকী, ছোট ছোট শিশুও তাদের পিগি ব্যাঙ্ক ভেঙে তুলে দিচ্ছে সব কিছু।

→

স্মৃতির প্রোজেক্টরে হারানো সময়ের ঢেউ

স্বপ্না দেব ছিলেন খ্যাতনামা সাংবাদিক। বামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী সত্যনিষ্ঠ এক মানুষ। সারা জীবনে এসেছেন অসংখ্য মানুষের সংস্পর্শে। তাঁদের মধ্যে বহু মানুষই কৃতী। সেই সব অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনবোধকে আরও পরিপুষ্ট করেছে। এই বইয়ে লিখিত নানা ঘটনার ভিতর দিয়ে আমরা তা বুঝতে পারি।

→

বাঙালের কলোনি জীবন, বাঙালির ‘আনস্মার্ট’ স্মৃতি

আজকে যে বিশ্বব্যাপী নৈকট্য, তার থেকে অনেক আলাদা ছিল তখনকার বিজয়গড়, তখনকার উদ্বাস্তু কলোনি, তখনকার ভারত। ১০টি পর্বে সেই কাহিনির মালা গেঁথেছেন লেখক রংগন চক্রবর্তী।

→

সত্যজিৎ রায়ের ছবি তোলা ছিল বাবার কাছে অক্সিজেন

বাবার তোলা মানিকজেঠুর ছবি আজও দেখলে মনে হয়, নতুনভাবে সত্যজিৎ রায়কে দেখছি। একটা ফ্রেশ দেখার চোখ আছে তাতে। অন্য অনেকেই তো সত্যজিতের ছবি তুলেছেন। কিন্তু এতটা জনপ্রিয় হয়েছে কি সেইসব? আলোকচিত্রী নিমাই ঘোষের মৃত্যুদিনে বিশেষ নিবন্ধ।

→

আয় ঘুম যায় ঘুম

বিশ্বে এবং ভারতে বেশ কিছু জনপ্রিয় ‘ঘুমের প্রতিযোগিতা’ অনুষ্ঠিত হয়। তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন ভিন্ন। ‘ওয়েকফিট স্লিপ ইন্টার্নশিপ’ এমন একটি জনপ্রিয় প্রতিযোগিতা। এখানে নির্বাচিত ইন্টার্নদের ১০০ দিন ধরে দিনে ৯ ঘণ্টা করে ঘুমনোর জন্য মোটা অঙ্কের টাকা (কখনও ১ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত) দেওয়া হয়।

→

সাধারণের জীবন রাজনীতির বিষয়, শিখিয়েছে মনুর সংহিতা

মনুর মতে, শাসককে বাতাসের মতো অদৃশ্য হয়ে সর্বত্র উপস্থিত থাকতে হবে। কোনও কিছুই গোপন থাকবে না। অথচ সাধারণ মানুষ বুঝতেও পারবে না, শাসক সব দেখছে।

→

শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতার ক্লাস

এযাবৎ শুনে এসেছি, তিনি না কি বোহেমিয়ানের চরম, নিয়মের বাঁধ ভাঙার মানুষ, অতএব– আশায় আশায় থাকি, দু’কান ভরে কবিতা শুনব আর দিন যাবে আড্ডার গতে। যথাকালে দেখা গেল সে গুড়ে বড় বড় পাথর! কবিমানুষটি যেমনই হোন, মাস্টারমশাই শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ক্লাসে দেরি করার জো নেই, তিনি বেশ একটু বকুনিও দিয়ে থাকেন।

→

বাবার সঙ্গে শেষদিন

আজ শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুদিন। এই শহরের রাখালের মৃত্যুদিন। যে রাখাল, কলকাতায় নয়, প্রয়াত হয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে। স্মৃতিশক্তি-র এই লেখাটি সেই শেষদিনের শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে। বসন্তের সমস্ত রং নিয়ে যিনি চলে গিয়েছিলেন ১৯৯৫ সালের, ২৩ মার্চ। শেষদিনের সে অভিজ্ঞতা, লিখেছেন তাঁর কন্যা।

→

ডাবের মধ্যে সুরা, শক্তিদার ম্যাজিক কিংবা রিয়েলিটি

বিয়ের ১০ বছরের মধ্যে, আদালতের যাচিত নির্দেশে, আমাদের বিয়ের আলো যখন নিভে গেল, তার ক’দিনের মধ্যে শক্তিদার সঙ্গে আমার দেখা। চৌরঙ্গীর কোনও পানঘরে। আমার বিচ্ছেদের ব্যথা ফুটে উঠল শক্তিদার চোখে। ঈশ্বরকে আজও বুঝিনি। কত মানুষকে কত কষ্ট দিচ্ছেন বিশ্ব জুড়ে। অথচ আমার ঠুনকো কষ্টে তাঁর চোখে জল!

→

দ্বিধাই শহীদুল জহিরের আখ্যানের কেন্দ্র

শহীদুল জহিরের গল্পে কোনও চূড়ান্ত উচ্চারণ নেই। অর্থ বারবার সরে যায়, ঘটনা ফিরে আসে, পরিসমাপ্তি স্থগিত থাকে। এই স্থগিত করে রাখা, না-বলা, দ্বিধাই– শহীদুল জহিরের আখ্যানের কেন্দ্র, তাঁর গভীরতম রাজনৈতিক অবস্থান।

→