কিন্তু যেই জীবনে দ্বিতীয় দশক এল, কানে গেল শক্তির স্বকণ্ঠে কবিতা পাঠ। ‘দুঃখ কি সহজে যায়? তাকে ধুতে নদী-ভরা জল/ লাগে ও বাতাস লাগে সেই ভেজা অঞ্চল শুকাতে।’ এইচএমভি-র লাল মলাটের ক্যাসেট। ব্যাস হয়ে গেল নেশা!
মার্চের শেষে ক্যামেরুনে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ১৪-তম মন্ত্রী-পর্যায়ের সম্মেলন। উন্নত দেশগুলো যখন বাণিজ্যিক স্বার্থে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে, তখন গ্লোবাল সাউথের কোটি কোটি কৃষকের স্বার্থ এবং খাদ্য নিরাপত্তা কি আমাদের কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে?
আজকের প্রজন্ম, যারা সামাজিক মাধ্যমের পরিসরে নির্বিচারে অপরকে ‘ছাপরি’ বলে সম্বোধন করছে, তাদের কাছে এটি মূলত একটি শ্রেণি-নির্দেশক ট্যাগ। এই শব্দ ব্যবহারের সময় অধিকাংশই নিজেদের নৈতিক দায় স্বীকার করে না; বরং নিজেদের উচ্চরুচির মনে করে। কিন্তু এই রুচি কার রুচি? কে ঠিক করে রুচির মানদণ্ড?
গত দেড় বছর ধরে নির্মাণ করা এইসব চিত্রকলার প্রদর্শনী শুরু হয়েছে রিজেন্ট এস্টেটের বিসিএএফ গ্যালারিতে, ১৩ মার্চ থেকে। চলবে ৩১ মার্চ অবধি! শিল্পী হিসেবে সমীর আইচের এই ‘নবজন্ম’ বা ‘রেজারেকশান’-এর অবশ্যই সাক্ষী থাকা প্রয়োজন শিল্প-পিপাসু দর্শকবৃন্দদের!
পূর্ণেন্দু পত্রীর প্রচ্ছদ দেখলেই সহজেই অনুধাবন করা যায় যে, কেবল টেকনিক-প্রধান একজন শিল্পী হলে এসব প্রচ্ছদ করা যায় না। বরং পূর্ণেন্দুর মধ্যে এক অখণ্ড কবিসত্তা আছে বলেই তাঁর শিল্পীমানস জন্ম দিতে পেরেছে একের পর এক স্মরণীয় প্রচ্ছদের। আর এখানেই তাঁর কবিসত্তা ও শিল্পীসত্তা হাত ধরাধরি করে হেঁটেছে দীর্ঘতম পথ।
‘চরক সংহিতা’য় চিকিৎসায় আরোগ্য অসম্ভব এমন রোগীদের ক্ষেত্রে ‘প্যাসিভ ইউথেনাসিয়া’-র পক্ষে সমর্থন খুঁজে পাওয়া যায়। প্রাচীন গ্রিসের হিপোক্রেটিসের মতোই প্রাচীন ভারতের চিকিৎসকরাও হাজার চিকিৎসাতেও ‘সম্মানজনকভাবে বেঁচে থাকা অসম্ভব’– এমন রোগীর ক্ষেত্রে পরোক্ষ স্বেচ্ছামৃত্যুকে সমর্থন করতেন।
অতীতের স্বদেশি আন্দোলন থেকে আজকের উত্তপ্ত রাজনৈতিক বাস্তবতা– সব ক্ষেত্রেই রবীন্দ্রনাথের গান আমাদের শিখিয়ে দেয়, সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো, মানুষকে ভালোবাসা এবং বিবেককে জাগ্রত রাখাই প্রকৃত সাহস। তাই রবীন্দ্রসংগীত আজ শুধু সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নয়, আমাদের সামাজিক ও নৈতিক পুনর্জাগরণের এক অনির্বাণ শক্তি।
রোজা বা উপবাস কেবল কোনও নির্দিষ্ট ধর্মের একক সম্পদ নয়, এটি আসলে মানব ইতিহাসের এক সুদীর্ঘ এবং অবিচ্ছিন্ন আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য। যা যুগের পর যুগ মানুষকে বস্তুগত মোহত্যাগ করে নৈতিক ও আত্মিক উন্নতির শিক্ষা দিয়ে আসছে।
যুদ্ধের প্রভাব থেকে জাত শিল্পের ভাষা প্রতিমার মুখের মতো নির্মল নয়। তা বক্র; তির্যক; জটিল। কারণ সত্য প্রকাশের ভাষা নিটোল হয় না। এই truth of art-এর কথাটা মনে রাখাটা আমাদের আশু কর্তব্য। না হলে সত্যনিষ্ঠ শিল্প প্রান্তিক হয়ে পড়ে। তার জায়গা নেয় falsity of art।
এই রকম প্রেমপত্র কতদিন পড়েননি বলুন তো? জীবনে একবারও কি পেয়েছেন এমন চিঠি? এমন প্রেমের চিঠি পড়ার থ্রিল ও পরম-লগ্ন কি এসেছে জীবনে?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved