

কলাভবনের বীজ তখনও রোপণ করা হয়নি, রবীন্দ্রনাথ চাইছিলেন অন্ততপক্ষে নন্দলাল তাঁর জাপানযাত্রার সফরসঙ্গী হিসেবে সঙ্গে চলুক– ‘বিচিত্রা’কে যথাযথভাবে গড়ে তুলতেও তাঁর যাওয়া দরকার। কিন্তু অবন ঠাকুর তাঁর প্রিয়তম শিষ্যটিকে ছাড়বেন না, ফলে সে যাত্রায় কবির সঙ্গে রইলেন মুকুল দে।
প্রবল ঝড়বাদলের এক রাতে উমাকে পাওয়া যায় তার স্বামী বৃদ্ধ বটগাছটির সঙ্গে। এক মাথা সিঁদুর, দু’ চোখের পাতা খোলা। প্রতিবন্ধী উমা, সহমরণে যাওয়াই যার জন্য সম্মানের হত বলে ভেবেছিল প্রতিবেশীরা, এই মৃত্যু কি তাদের মানসিক প্রতিবন্ধকতা থেকে মুক্তি দেয়?
উৎসবের আলো নিভে এলে মনখারাপের অভ্যাস আমাদের গ্রাস করে। অপেক্ষার চার বছর তখন অনন্ত মনে হয়। ‘রাজার মুকুট’-এ ছড়িয়ে থাকা বিশ্বকাপের গল্প সেই প্রতীক্ষাকালে যোগ্য সফরসঙ্গী।
কলকাতার ইতিহাসের অলিগলিতে ছিল পূর্ণেন্দুদার স্বচ্ছন্দ যাতায়াত। পাঠকমহলে কলকাতার ইতিহাস নিয়ে সুখপাঠ্য, তথ্যনির্ভর লেখার একটা চাহিদা চিরকালই ছিল আর সে-ধরনের লেখায় শ্রীপান্থ (নিখিল সরকার) আর পূর্ণেন্দুদা ছিলেন সবচেয়ে জনপ্রিয় দুই লেখক।
কাটা গাছের পাশ দিয়ে যেমন মঞ্জরি বের হয়, ভারতের উত্তর-পূর্বের জনজাতি বংচের তেমনই। পাহাড়িয়া নদীর মতো নানা প্রতিকূলতার পাথর ডিঙিয়ে জেগে রয়েছে তাঁদের শিক্ষা-সংস্কৃতির পথচলা। যোমিং থাংগা বংচের, কমল বংচেরের মতো কবিমন তাকে আগলে রেখেছে বরাবর। কারণ কবিতাকে প্রাণ থেকে ভালোবাসেন তাঁরা, ভালোবাসেন নিজের মাতৃভাষাকেও।
বই ধার নেয় বহু লোকে, কিন্তু ফেরত? বইয়ের পলাতক পর্ব নিয়ে বহু কথা হয়েছে। কিন্তু বই ফেরতের বিশ্বজোড়া গপ্পগাছা? এই যে, রইল।
ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং– ক্রিকেটের তিন ভুবনে তিনি ছিলেন সেরার সেরা। ‘অলরাউন্ডার’ শব্দটার জন্মই হয়েছিল তাঁকে কেন্দ্র করে। সদ্য প্রয়াত, সেই গারফিল্ড সোবার্সকে ঘিরে মুগ্ধতার রেশ আজও ভেসে বেড়ায় ২২ গজ থেকে গ্যালারিতে। তাঁকে নিয়ে স্মৃতিচারণ রোববার.ইন-এ।
আয়নার ওধারে যে একটি জগৎ, আমাদের অজ্ঞাতসারে যা বয়ে চলেছে নিঃসাড়ে, সতী ভৈরবী ও তাঁর আশ্রম কি তবে সেই নিত্য ঘটমান, নিত্য স্পন্দমান চলচ্ছবিরই অকিঞ্চিৎকর একটি অংশ? আয়নাতে মুখ রাখো, সেই ঘটনাস্রোতের একটা টুকরো শুধু তুমি দেখতে পাবে।
কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়। প্রথম ভারতীয় মহিলা চিকিৎসক। সেই সময়ে দাঁড়িয়ে, যখন তাঁর পেশা এবং রাতে রোগী দেখাকে ‘বেশ্যা’ বলে কটাক্ষ করে একটি রক্ষণশীল হিন্দু পত্রিকা, তখন তিনি রোগী দেখতে যান ফিটনে চড়ে, এগিয়ে নিয়ে চলেন বাংলার নারীমুক্তি আন্দোলনকে!
নাদিয়া আঞ্জুমান ও ফারোক ফারখজাদ। আফগানিস্থান ও ইরানের দুই নারী-কবি। তারা আসলে লিখতে চেয়েছিল সতত পরাধীন মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামের কবিতা। অথচ সেই কবিতাই খুন করল তাদের!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved