বাঙালির একটা ইতিহাস রয়েছে, উত্তম-সুচিত্রা রয়েছে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় রয়েছে, আর রয়েছে কৃশানু দে। কৃশানু দে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। চিরকাল।
প্রেমের সঙ্গে গণিত আর বিজ্ঞানের যে এক গভীর যোগাযোগ আছে সেটা হক কথা। সে আপনি ‘X = প্রেম’ ধরে অঙ্ক কষুন, বা দাবি করুন ‘আমি তুমি তুমি আমি’-র বিচিত্র বিটকেল কম্বিনেশন আর পারমিউটেশনই প্রেম। কিন্তু গভীর প্রেমের বাঁধনে পড়ে, যাঁরা একইসঙ্গে ডাকসাইটে বিজ্ঞানচর্চা করেছেন, কেমন ছিল তাঁদের প্রেম?
এত স্থান, অঞ্চল, পরিসরের পরে যে জ্বলজ্বল করে কিংবা ধুকপুক– তা হল হৃদয়। প্রেমের শ্রেষ্ঠ উপত্যকা। হৃদয়ে স্থান জুটলেই, প্রেম তবে সত্য।
প্রেমের দৃশ্যায়নে দেখলাম ‘চুম্বন’-এর আধিক্য। চুম্বন দীর্ঘদিন ধরেই ভালোবাসা, আবেগ এবং ঘনিষ্ঠতার প্রতীক। ইতিহাস জুড়ে শিল্পীরা তাঁদের কাজে এই মুহূর্তগুলিকে ধারণ করেছেন। কোমল আলিঙ্গন থেকে শুরু করে আবেগপূর্ণ অধরে চুম্বন।
আদিম সেই গুহাজীবন ছাড়িয়ে হালের আইনি-বেআইনি প্লটে ঘাড় গোঁজার ঠাঁই ইস্তক, প্রেমের খোদকারি বিবর্তিত হয়েছে নিখাদ আখরে– শিকার সঙ্গী থেকে কাব্যাকাঙ্ক্ষা, অধিকার থেকে অংশীদারে, চিরন্তন থেকে চিরউচাটনে, রিলেশনশিপ থেকে সিচুয়েশনশিপে– বদলায়নি কেবল একটাই– মানুষের দাগ রেখে যাওয়ার চাহিদা।
সত্যিই যদি প্রেমে বশ করা যেত বা যায় তাহলে কি তা আদৌ প্রেম? কারণ প্রেমের আসল ক্ষীরটাই তো মতের অমিলে। সম্পর্কে টারবুলেন্স না থাকলে প্রেম মরে যায়। ঝঞ্ঝা-পরবর্তী প্রেমের তাই বিশেষত্ব আলাদা। তা কেবল সুন্দর না, বাটারস্কচীয় সুন্দর!
নারী-পুরুষের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে এই লেখা, প্যারিস থেকে কলকাতা পর্যন্ত বিস্তৃত। ১৪ ফেব্রুয়ারির কথা মনে রেখে চলুন আমরা বরং যাই, এক বাঙালি প্রেমে, ১০০ বছর আগে।
এইচআইভি-এইডস কীভাবে ছড়ায় আমরা জানি। কিন্তু এ রোগের চিকিৎসাও এখন ভীষণভাবে উন্নত হয়েছে। এইচআইভি আর যাতে এইডসে পরিণত না হতে পারে, ভারতে তেমন চিকিৎসা প্রায় বিনামূল্যে বিতরিত সেই প্রথম দিন থেকে, এতগুলো বছর। সঠিক চিকিৎসায় এইচআইভি না নিরাময় হলেও একজন রোগী প্রায় বাকি জীবন স্বাভাবিক ভাবে, সুস্থ ভাবে কাটাতে পারে।
সাহিত্য, ইতিহাস, শিল্পকলা, এমনকী, ধর্মীয় পুঁথিতেও যেভাবে যৌনতা, প্রেম বা অন্তরঙ্গতা নিয়ে নানা খোলামেলা আলোচনা পাওয়া যায়, তার সঙ্গে আজকের হিন্দুত্ব মবদের মতামত মেলে না।
নিপুণ রাজনৈতিক কৌশলে বাঙালি আর বাংলাদেশী, পরিযায়ী শ্রমিক আর উদ্বাস্তু, বাংলাদেশী আর অনুপ্রবেশকারী, এসআইআর আর নাগরিকত্ব– প্রত্যেকটা বিষয়কে একেবারে ঘুলিয়ে-ঝালিয়ে একসা করে দেওয়া হল, যার নিট ফল– মানুষ দিশেহারা, বিভ্রান্ত, আতঙ্কিত। এই ‘আতঙ্ক’-ই ভোটের বাক্সে কেরামতি দেখাবে বলে বিজেপির বিশ্বাস?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved