Robbar

ছাইফুল

৯ আগস্ট, ১৯৪৫। সভ্যতার সংকটের এক নতুন অধ্যায়ের সাক্ষী ছিল তামাম বিশ্ব। জাপানের হিরোশিমার পর নাগাসাকিতে আছড়ে পড়েছিল পরমাণু বোমা। প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছিল মানবতার অস্তিত্বকেই। ১৯৪৫-এর ৯ আগস্ট। সকাল ১১টা বেজে ২ মিনিট। হতে পারত অন্য সকাল। সে সকাল হতে চেয়েছিল মিজুকাগে পাহাড়ে এক সাত বছরের বালক ইউতোর আশ্চর্য সেই লাল ফুলের নাম জানতে চাওয়ার দিন। বদলে তাকে কী উপহার দিয়েছিল যুদ্ধের পৃথিবী?

→

আমার বন্ধু জয়

১৯ বছর পর কলকাতায় ফিরে যখন জয়কে দেখলাম, চেয়েছিলাম, তিনি কিছু বলুন। কিন্তু দর্শকদের আপত্তিতে জয় মঞ্চে উঠেও কথা না বলে নেমে গেলেন। আমি গভীরভাবে ব্যথিত। জয়কে অপমান করা শুধু জয়কে অপমান করা নয়; তাঁকে যিনি মঞ্চে ডেকেছেন, সেই আমাকেও অপমান করা। কবিতাকে অপমান করা। মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে অপমান করা।

→

আমার বন্ধু তসলিমা

সাহিত্যের জন্য নিজেকে কতদূর সমর্পণ করা যায়, নিজের সংকল্পে স্থির থাকা যায়– তার মস্ত উদাহরণ হয়ে থাকবেন তসলিমা। কিন্তু প্রশ্ন: তসলিমা নাসরিনের লড়াই, সাহিত্য, জীবনের দার্শনিকতা– আত্মজীবনী, উপন্যাস ও কবিতার মধ্য দিয়ে যেখানে পৌঁছল, সেই স্বাধীন পৃথিবীর নাগরিক এখন কারা?

→

এ যেন অজানা এক পথ

কথাগুলো নিয়ে আমি এত গভীরভাবে ভাবছিলাম যে, চুপ করে গিয়েছিলাম বহুক্ষণ। কিছুক্ষণ আর কোনও শব্দ নেই। সামনে শুধু অন্তহীন জলস্রোত মৃদু শব্দ তুলে বয়ে যাচ্ছে। কৈলাশহর থেকে ফিরে এলাম। ফিরে এলাম আমতলির মুকুরটিলার সেই নিভৃত ঘরটিতে।

→

চেনা বাস্তবতার বাইরে

১০০ বছর পরেও আঁদ্রে ব্রেতোঁর সেই পরাবাস্তববাদী আন্দোলনের প্রাসঙ্গিকতা শেষ হয়ে যায়নি। আজও আমাদের তা শিখিয়ে চলেছে যে, চেনা বাস্তবতার বাইরেও মানুষের মনের ভিতরে আরেকটি বিশাল জগৎ আছে।

→

তুঁহু মম শ্যাম সমান?

রবীন্দ্রনাথ মানেই কি মৃত্যুকে এক অদ্ভুত আধ্যাত্মিক চোখে দেখা? একটা ভীষণ রোমান্টিক, শান্ত, স্নিগ্ধ ব্যাপার? যেন মৃত্যু কোনও শোকের জিনিস নয়, স্রেফ পরমাত্মার সঙ্গে মিলনের একটা রাস্তা। কিন্তু ব্যাপারটা কি এতটাই সোজা? ২২ শ্রাবণ উপলক্ষে রবীন্দ্র-নাটকে মৃত্যুর নানা প্রেক্ষিত নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ।

→

পোষ্য না সদস্য?

ভূমিকম্প শুরু হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শেল্টারে পৌঁছতে হয় জাপানে। কিন্তু পোষ্য শিরো আর কু-কে ফেলে রেখে একা শেল্টারে যেতে পারেনি মেয়েটি। তাদের নিয়ে সারারাত গাড়িতে কাটিয়েছে। কেন? কারণ পোষ্য হল পরিবার। সত্যিই কি পোষ্য কখনও পরিবার হয়ে উঠতে পারে?

→

নাসিরুদ্দিন ও প্রত্যাখ্যানের পৃথিবী

নাসিরুদ্দিন শাহ জীবনকৃতি সম্মান পুরস্কার গ্রহণে অসম্মতি জানিয়েছেন। কেন? উত্তর সহজ, একজন অভিনেতার সফর কখনও ফুরয় না। সেই কাজ আমৃত্যু করে যেতে হয়। এমনই নিয়তি। তাই নাসিরুদ্দিন বিশ্বাস করেন, তাঁর কেরিয়ার এখনও শেষ হয়নি।

→

অসমের বন্যা: বিপর্যয় নয়, বাস্তব

অসমের বন্যার কারণ অনুসন্ধান করতে গেলে শেষপর্যন্ত আমাদের ব্রহ্মপুত্রকে বুঝতে হয় শুধু একটি নদী হিসেবে নয়, বরং হিমালয় থেকে বঙ্গীয় বদ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত একটি জীবন্ত, পরিবর্তনশীল ভূ-প্রাকৃতিক ব্যবস্থা হিসেবে। নদীকে আটকানোর চেয়ে নদীকে বোঝা, তাকে প্রয়োজনীয় স্থান দেওয়া এবং তার পরিবর্তনশীলতার সঙ্গে মানুষের জীবনকে অভিযোজিত করাই অসমের দীর্ঘমেয়াদি বন্যা মোকাবিলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথ।

→

পরিক্রমায় ফয়েজ: একটি খোলা চিঠি

ফয়েজ-এর এত মরমি, প্রাঞ্জল বাংলায় ভাষান্তর আগে দেখিনি। এর আগে করা কমলেশ সেনের তর্জমাকে অলোকরঞ্জন ‘ক্রান্তিসঞ্চারী’ বলে মনে করেছিলেন। পরবর্তীকালে ভিক্টর কিয়েনার্ন থেকে শুরু করে আগা শহিদ আলি বা বারান ফারুকির– তাকে ছাপিয়ে গিয়েছে নীলাঞ্জনের পরিক্রমণ।

→