Robbar

অন্তহীন অর্থহীন শূন্যতা

‘ব্যাকরুমস’ আদতে আমাদের ব্রেন। এবং এর ভিতরে থরে থরে ছড়িয়ে থাকা আসবাবগুলো অবহেলায় পড়ে থাকা আমাদের স্মৃতিচিহ্ন।

→

ভিটের ভাস্কর্য

বাংলাবাড়ি থেকে ইউরোপীয় বাংলো আসেনি। সেটি কুঁড়েঘর বা দোচালার আইডিয়া থেকে কপি করা। আসলে বাংলাবাড়ি থেকেই আটচালা যুক্ত মাটির দেবালয় চণ্ডীমণ্ডপ গড়ে উঠেছিল। গড়ে উঠেছিল ইসলামিক মৃৎস্থাপত্য দেহলিজ বা দলিজখানা।

→

ছবির আলো জীবনের ছায়া

গণেশ পাইনকে আমি একবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম: মৃত্যুচিন্তা কি আপনাকে ভাবায়? তিনি বলেছিলেন, মৃত্যুর প্রয়োজন আছে জীবনের। একটা বাক্যের শেষে যেমন দাঁড়ির প্রয়োজন আছে, তেমনই জীবনের শেষে মৃত্যুর ওই অন্তিম উপস্থিতিটা খুব জরুরি!

→

আমাকে আমার মতো থাকতে দাও

পৃথিবীটা যে স্রেফ মানুষ জাতটার নয়, পৃথিবীটাকে একঘেয়ে তিতকুটে করে দেওয়ার কোনও অধিকারই যে নেই, ‘প্রাইভেসি’ শব্দটা স্রেফ মানুষের নয়, প্রাণীকূলেরও রয়েছে– এই বিষয়টা আন্তরিকভাবে শরীরে-মনে গ্রহণ করা প্রয়োজন।

→

তবু, মনে রেখো…

যে অপরিণত সময়ের কাছে আর ফেরা যাবে না কোনওদিন, সেই সময়টাকে নিয়ে চলে গেলেন ঝগড়ুটে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। আমাদের বড় হওয়ার বৃত্ত সম্পূর্ণ হল শেষমেশ।

→

ডার্ক ফ্যান্টাসি

‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’-র একচেটিয়া উপহার হিসেবেই হোক, কিংবা দেহসুগন্ধি হিসেবে চকোলেটের গন্ধ বিক্রি করার প্রবণতায়, অথবা যৌনক্রীড়ার বিবিধ উপকরণে চকোলেট ফ্লেভারের পরিচিত ব্যবহারে– চকোলেটকে বারবার ‘অ্যাফ্রোডিসিয়াক’ হিসেবে পেশ করার ধরনটি পরিচিত।

→

আলোকস্তনী রাধিকা

বিদ্যাপতি লিখছেন: পীন পয়োধর রোচি উজোরি। ‘রোচি’ শব্দটি একাধিক অনুষঙ্গের বাহক। ‘রোচি’ আলো বা দীপ্তির অনুষঙ্গ। এবং রুচিযোগ্যতার অনুষঙ্গ। অর্থাৎ, রাধার উন্মুক্ত স্তন কখনও অশালীন নয়। সব থেকে অব্যর্থ এবং তারল্যের ইঙ্গিতবাহী শব্দটা হল ‘উজোরি’, অর্থাৎ রাধার স্তনে আলোর জোয়ার।

→

বিশ্রুত তম্বুরা

আগে পাণ্ডবানী অভিনয় করত শুধু ছেলেরা। সেখানে স্বচ্ছন্দে ঢুকে পড়েছিলেন তীজন বাই। বেছে নিয়েছিলেন ‘কাপালিক’ জাতের পাণ্ডবানী, যেখানে স্মৃতিনির্ভর পুরো পারফরম্যান্সটি দাঁড়িয়ে, হেঁটে-চলে, নেচে-গেয়ে করতে হয়। একই গাথা, কিন্তু প্রতি অভিনয়ে আলাদা আলাদা হত তাঁর উপস্থাপনা।

→

প্রশ্ন নিয়ে কিছু প্রতিপ্রশ্ন

প্রশ্নপত্রের ছাই ঘেঁটে কেউ কেউ যেন খুঁজে পায় ভাষার আগুন। যে আগুন, তারা ছড়িয়ে দিতে পারে উত্তরপত্রে। ভাইরাল জগৎ পারাবার থেকে দূরে, ওই গোপন উত্তরপত্রগুলি যেন ভবিষ্যতের পাণ্ডুলিপির বীজ হয়ে ওঠে, এইটুকু আশা।

→

এই ধর্ষণ উপত্যকা আমার দেশ না

কেউ ধর্ষক হয়ে জন্মায় না। সমাজ, রাষ্ট্র, পরিবার ধর্ষক তৈরি করে। একজন ধর্ষককে পিটিয়ে মারলে বা ফাঁসি দিলেও ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যায় না, যাবে না, যতদিন না ধর্ষক তৈরি হওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটাকে আমরা পালটাতে পারি।

→