Robbar

নাট্যকার অরবিন্দ: আলোর পথযাত্রী

অরবিন্দ কিন্তু কখনও-ই জীবন বা সংসার থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনও বৈরাগী ছিলেন না। সংসারবিমুখ আধ্যাত্মিকতা নয়, বরং আধ্যাত্মিকতার মধ্যে রাজনৈতিক চেতনার অন্বেষণ করেছেন। তাঁর এই ‘সবকিছুই আধ্যাত্মিক জীবনের অন্তর্ভুক্ত’– এই বিশ্বজনীন দর্শনেরই সবচেয়ে বড় এবং বর্ণময় ক্যানভাস ছিল তাঁর নাটকগুলো।

→

আজও কেন পড়ব সুকান্ত?

কবিতা রাজনৈতিক ইশতেহার হয়ে ওঠে। লাতিন আমেরিকার প্রতিবাদী কবিতার সঙ্গে সেই সূত্র ধরেই সমগোত্রে অবস্থান করে সুকান্তের কবিতা। পূর্ণ আয়ু নিয়ে বাঁচলে সুকান্তের কবিতা কোন পথে এগত বলা সম্ভব নয়, তবে এই চেহারা প্রকরণ বা অন্তর্বস্তুতে স্থিত থাকত না, তা বলাই যায়।

→

১৭ নম্বর কয়েদি

৩১ জন বিপ্লবীর সঙ্গে বসে আছেন ১৭ নম্বর কয়েদি। একেবারে শেষ বেঞ্চে। তিনিই নায়ক এই মামলার, কিন্তু তিনি নির্লিপ্ত। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার কোনও চেষ্টাই নেই আসামির। অরবিন্দ ঘোষের জন্মদিনে বিশেষ নিবন্ধ।

→

সে ডাকে আমারে

একটা রহস্য চোখের সামনে পেয়ে হাত নিশপিশ নিশপিশ করতে লাগল আমার। হরিবাবা ও তাঁর আশ্রমের চেয়েও আমাকে বেশি আকর্ষণ করতে লাগল কুহুডাঙার ওই বিপদাকীর্ণ পথ।

→

অগ্নিবীণা

কলেজের অনুষ্ঠানে স্ট্যানলি জ্যাকসনকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে জেলে গিয়েছিলেন বীণা দাস। পরবর্তীকালে সুভাষচন্দ্রের সঙ্গে পরিচয়, কংগ্রেসে যোগ দেওয়া; এমনকী স্বাধীনতার পরেও দাঙ্গা কিংবা মরিচঝাঁপির ঘটনায় সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া স্বাধীনতা সংগ্রামী বীণা দাসকে আমরা কি শুধুই কারাকাহিনি লেখিকা হিসেবেই মনে রাখব?

→

দেশের নামে দ্বেষ নয়

১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছিল ঠিকই, কিন্তু দেশের সর্বত্র ১৫ আগস্ট তা উদযাপিত হয়নি। হয়নি, তার কারণ এক বিদেশির কলমের খোঁচা! তিনি সিরিল র‍্যাডক্লিফ। তাঁর নির্ধারিত রূপরেখায় ভারতবাসী লাভ করেছিল দেশভাগ। গুলিয়ে গিয়েছিল ভারতবর্ষের ইতিহাস, ভূগোল আর সংস্কৃতি।

→

দূরত্ব বাড়ে-কমে, যোগাযোগ নিভে যায়

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম কিংবা ভার্চুয়াল জগৎ কি পারে নাড়ির টানের বিকল্প হতে? বিশেষ করে যে নাড়ির যোগের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রয়েছে বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক।

→

স্রষ্টাদের শতবর্ষে উজ্জ্বল অ্যাসটেরিক্স

যখনই খুদে অ্যাসটেরিক্স বা সরল-সোজা ওবেলিক্স তাদের অলৌকিক পানীয় খেয়ে মহাশক্তিশালী রোমান লিজিয়নদের কচুকাটা করেছে, তখনই পাঠক এক অদ্ভুত মানসিক তৃপ্তির স্বাদ পেয়েছেন। দুই স্রষ্টা গোসিনি ও ইউদেরজোর জন্মের ১০০ বছর পরেও তাঁদের তৈরি চরিত্রগুলো একইভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে রয়েছে।

→

এখনও অভিভাবকরা বলবেন, রাজনীতিতে জড়িও না?

বাংলার মধ্যবিত্ত পরিবারও দশকের পর দশক ধরে একই মন্ত্র আউড়েছে– রাজনীতিতে জড়িও না, পড়াশোনায় মন দাও। আজ যখন সেই সরকারি চাকরির দরজাটাই দুর্নীতিতে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তখন এই প্রজন্মের সামনে বাবা-মায়ের শেখানো পথটাই অচল হয়ে পড়ছে। তখনই রাস্তায় নামাটা অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়েছে, আর নেহারা সেই কারণেই রাস্তায় নামছেন।

→

শতবর্ষে বিস্মৃত দেশপ্রেমিক পার্বতী গিরি

মাত্র ১১ বছর বয়সে গান্ধীজির আহ্বানে ঘর ছেড়ে যে মেয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, ঘরের মোহ তাঁকে কোনওদিনই সংসারী করতে পারেনি। স্বাধীনতা-উত্তর রাজনীতিও তাঁকে আকর্ষণ করেনি কোনও দিন।

→