Robbar

‘দীপক কুমার’কে যে কারণে ‘মহম্মদ দীপক’ হতে হল!

যখন চারিদিকে এই ঘৃণার পরিবেশ, যখন আমাদের চেনা শহরেও চিকেন প্যাটিস বিক্রি করার অপরাধে হেনস্তা হতে হচ্ছে, যখন একটি কলকাতার বিখ্যাত রেস্তরাঁতে একজন মুসলমান বেয়ারাকে, একটি অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য তাঁর ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ শুনতে হচ্ছে তখন উত্তরাখণ্ডের ‘মহম্মদ দীপক’ যেন রূপকথার চরিত্র হিসেবে সামনে আসছেন।

→

এঁদো এলাকাকে আকর্ষণীয় দিঘায় পরিণত করেছিলেন এক সাহেব

যতদিন দিঘা থাকবে, ততদিন দিঘার সমুদ্রতটে প্রতিটি ঢেউয়ের ছোঁয়ায় লেখা হবে জন স্নেইথের নাম। দিঘার স্থপতি থেকে যাবেন তাঁর প্রাণপ্রিয় সমুদ্র-সৈকতে।

→

সলিল চৌধুরীর সুর বাতিল করতে চেয়েছিলেন রাজ কাপুর!

একটা প্রাইভেট স্ক্রিনিংয়ে ডাকা হয়েছিল ইন্ডাস্ট্রির সমস্ত তাবড় তাবড় মানুষজনকে। ‘মধুমতী’ ছবি সবাই দেখলেন। দেখার পরে সবাই সবার ভালোলাগা তাঁদের মতো করে বলছিলেন। হঠাৎ বিমল রায়কে ডেকে রাজ কাপুর বললেন, ‘এই গানগুলো চলবে না।’

→

ইফেল টাওয়ারে পুরুষদের পাশাপাশি জায়গা পেলেন মহিলারা

শেষপর্যন্ত তাঁদের চার বছরের লড়াইটা জিতেই গেল লাসোসিয়াসিও ফাম এ সিয়ঁস (উইমেন অ্যান্ড সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন)। এবারে প্যারিসের ইফেল টাওয়ারে খোদিত ৭২ জন নামী পুরুষের নামের পাশে থাকবে ৭২ জন বিশিষ্ট নারীর নামও।

→

সুরানিলয়ের টেবিল থেকেই জন্ম নিয়েছিল উপন্যাসের ভাবনা

উত্তর-আধুনিক ইউরোপিয়ান উপন্যাসের ইতিহাসে এই উপন্যাস নিঃসন্দেহে একটা সরণিফলক। জগৎ-বিখ্যাত উপন্যাস। যার লেখক এক বর্ণময় ভাবমূর্তির এবং বিশ্বব্যাপী প্রসিদ্ধির নির্বাসিত নিঃসঙ্গ মানুষ। আরও একটু বলি, তার লেখার টেবিলের রং ছিল কালো। আর তিনি ছিলেন প্যারিসবাসী। ভালোবেসে ছিলেন এই পরবাসের নিজবাস! তাঁর ভাবনার টেবিল ছিল বাড়ির কাছেই এক সুরানিলয়ে।

→

চিরশত্রু থেকে শ্রেষ্ঠ জুটি

স্ত্রী ডেনিসে ডি অলিভিয়েরার গর্ভে তৃতীয় সন্তান ম্যাথিউস দু’দিন আগেই জন্মেছে। পিতা বেবেতো। দু’ হাতের কল্পিত দোলনা। ডানদিকে ঠিক একই ভঙ্গিতে সঙ্গীর অনুকরণ করলেন মাজিনহা। এবং বাঁদিকে রোমারিও। বেবেতো আনন্দে পাগল হয়ে জড়িয়ে ধরলেন রোমারিওকে। দীর্ঘ মনকষাকষি, রাইভ্যালরি একটি দৃশ্যেই উধাও।

→

ছিল নেই, মাত্র এই

শেষমেশ রাত ৯টার ঘণ্টাধ্বনি। একযোগে হাততালি। স্টল থেকে রাস্তায় নেমে আসা। চারপাশ দেখে নেওয়া, চারপাশের মধ্যে আকাশের পতনোন্মুখ চাঁদটিও পড়ে। চোখ ছলছল। হাতে হাত, জড়িয়ে ধরা। বন্ধুবান্ধব, অর্ধপরিচিত-অপরিচিতর দিকেও কয়েক পলক বাড়তি দৃষ্টি। মলিন হাসি। বারেবারে আর আসা হবে না। ওই যে অলীক বন্ধুত্ব দিয়ে শুরু হয়েছিল বইপত্রিকা, প্রকাশন– হয়তো প্রকাশন আর নেই, বন্ধুত্বও– তবুও আলিঙ্গন, তবু কিছু মায়া রয়ে গেছে।

→

বাঙালিকে ‘লাক্সারি’ ফেলে ‘নেসেসারি’ রান্না শিখিয়েছেন সাধনা মুখোপাধ্যায়

রেসিপি বুকের তো অভাব নেই। কিন্তু সেসব বই বেশিরভাগ রেঁস্তোরার রান্না শেখায়। প্রতিদিন সেসব লাক্সারি তো চলে না, নেসিসিটি তো ভাতে-ভাত! মাছের কোন অংশটা বাজার থেকে আনব, ভেজালের চলচ্চিত্তচঞ্চরীর মাঝে ঘরেই মশলা বানিয়ে নেব ঝটপট কীভাবে এইগুলো কে জানায়?

→

জয় এখন শেষজীবনের বুদ্ধদেব বসুর মতোই প্রশ্নাতুর

কবি হিসেবে জয়ের প্রতিষ্ঠা বাইরের দিক থেকে যতটা বিস্ময়কর, ততটাই বিস্ময়কর তাঁর কবিতা নিয়ে অনবরত সংশয়ী প্রশ্ন করে চলা। তিরবিদ্ধ হরিণ যেমন বাঁচার পথ খোঁজে, কবিতাবিদ্ধ শরীরেরও তেমনই রক্তাক্ত পথ-সন্ধান জরুরি। তা কবির জন্য যেমন সত্য, কবিতা পাঠকের জন্যও তা-ই।

→

বইমেলায় ভূতের কেত্তন

বইমেলার আনাচেকানাচে পেত্নী, ব্রহ্মদৈত্য, ভূত-মুখোশ পরে উদ্দাম নাচ– ভয়াল, ভয়ংকর, আতঙ্ক, অঘোরী, পিশাচ, বই, বাণিজ্য, বিপণনে মিলে মেলার মাঠে এক্কেবারে কুম্ভীপাক! অজানার উদ্দেশে বাঙালির দুর্মর আকর্ষণ বরাবরই। আবার মোচ্ছবেও বাঙালির বেজায় আগ্রহ। সেই পথ ধরেই বীভৎস রস ক্রমে আসিতেছে।

→