আমি ছাড়া কোথাও কোনও ভাঁড় ছিল না, ছিল না কোনও জোকার। আমিই জোকার– the joker is me আর আজ থেকে নেই কোনও জোকার, কারণ আমি অস্বীকার করছি আপনাদের আমোদ আর রক্ত উপহার দিতে।
চোখে-দেখার বাইরের দর্শনে তো বাংলা সাহিত্য ভরে আছে, তবে সাধারণ মানুষকে সাধারণ চোখে দেখার এই সহজ চোখটুকু যে জীবনের আঘ্রাণ দেয়, তা-ই বা কম কী!
মৃণাল সেনের জন্মশতবর্ষেই অকাল প্রয়াণ হল দেবরাজ রায়ের।
অল্পস্বল্প না-দেখার ভিতরই বুঝি এই শহরটার কুহক। চাইলে সে চোখের সামনেই কাউকে ফুঁসলে নিয়ে যেতে পারে। একটা সন্ধেই তখন আত্মগোপনের চিরকুট, যেমন মেস আমাদের।
কমরেড লক্ষ্মী সেহগাল ছিলেন একজন ছকভাঙা জীবনের সংগ্রামী মানুষ। তৎকালীন সমাজের মেয়েদের জন্য নির্ধারিত জীবনের ছক তিনি মানেননি। লক্ষ্ণী সেহগালের জন্মবার্ষিকীতে বিশেষ নিবন্ধ।
সাহিত্যের মধ্যে অকারণ ছবি এনে চোখ ভোলানো ছেলেমানুষি পছন্দ করতেন না রবিঠাকুর।
একের সঙ্গে অন্যের মিলেমিশে থাকা, এবং অপর একজনকে ছাড়া নিজেকে প্রকাশের কোনও উপায় নেই, সেই বোধটাই নাটকে সব সময় অনুভব করেছি।
এই স্মৃতিচিত্রকথাকে কি তাহলে উপন্যাস বলব? চেনা ধারণায় হয়তো সেভাবে আঁটানো যাবে না। কেউ মানতে না-চাইলে আপত্তি নেই, জোরাজুরিও নেই।
এত তাড়াতাড়ি যে উত্তমকুমার চলে যাবেন, কেউ ভাবেনি, দূরদর্শন কর্তৃপক্ষও নয়। তাই তাঁর কোনও সাক্ষাৎকার গৃহীত হয়নি, হয়তো তিনি সময় দিতে পারেননি, সে ক্ষতি আমাদের।
এই নিজস্বতাহীন একটা ঋতু, একটা সময় আমাদের জীবনের কিছু মানুষের মতো, আড়ম্বরহীন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved