মিলানের টুরিস্ট গ্র্যান্ড নাভিলির ধার এখনও বেড়াতে আশা মধ্যবিত্ত সাধারণের জন্য অনেক কিছু।
‘ধুলোমাটি’, ‘ধানকানা’র লেখককে সেদিন চোখের সামনে দেখেছিলাম ট্র্যাজিক উপন্যাসের নায়ক হয়ে প্রবাসে অন্তিম দিন গুনতে।
বাঙালির খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে পাঠাভ্যাস সবকিছুতেই রয়েছে জাপান।
মাছ ছাড়া বাঙালিদের যে একদিনও চলে না, সেই ভাবনাকে নিজ শিল্প-সাধনায় ফুটিয়ে তুলেছেন শিল্পীরা।
ভাস্কর্য সুন্দরের প্রতীক, শিল্পকলার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। সেটা ভাঙা দরকার হয় কেন?
এতকিছুর পরেও আঙুল ওঠে সেই মেয়েদের দিকেই। প্রশ্ন ওঠে, রাতবিরেতে একা মেয়ে কেন বিশ্রাম নিতে যাবে নিভৃতকক্ষে?
একটা গানের মধ্য দিয়েই প্রকাশিত হয় সে আন্দোলনের চেতনা।
অফিস করে আসুন, কাজ সেরে আসুন। আসুন রাত হাঁটি। রাত দেখি। রাত বাঁচি। দুয়েকদিন আপনার পুরুষসঙ্গী পড়াক সন্তানকে। রাঁধুক বাড়ুক। আপনি সংঘবদ্ধ হোন ও রাতের অধিকার নিন। টেক ব্যাক দ্য নাইট।
বঙ্গীয় চলচ্চিত্র-মানসে যে ছবি রীতিমতো ‘কালচারাল শক’-এর কারণ হয়ে উঠল, সেই ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ (অন্তর্ঘাত শুরু হয়েছিল বানান থেকেই)– তাও কিন্তু দিনের শেষে বাংলাদেশের মাল।
‘ব্ল্যাক-আউট’ বা ভিক্টোরিয়া কালো রং করে শহরবাসীকে আশ্বস্ত করা সম্ভব হয়নি। জাপানি আক্রমণের আশঙ্কা থাকলেও কলকাতা শহর তখন ধুঁকছে দুর্ভিক্ষ-পীড়িত হতদরিদ্র মানুষগুলোকে নিয়ে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved