Robbar

শেষ বলে কিছু নেই…

থিয়েটারে অঞ্জন দত্তের কামব্যাক ও সেরা ‘ফর্মে’ থাকতে থাকতে অবসরগ্রহণ অন্তত মানুষটাকে নতুন ভাবে আবিষ্কারের প্রবণতা জাগিয়ে তুলেছে। সেই জাগরণের মাধ্যম হতে পারে 'থিয়েটার নিয়ে অঞ্জন'। গ্রন্থের আকার বড় নয়, এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলা যায়। কিন্তু মাদকতা থেকে যায়।

→

কাহিনি নয়, ফর্ম আর ফাস্ট পেসিং-ই এ ছবির ইউএসপি

এ ছবি শেষ অবধি কেমন, নির্দেশনা-চিত্রগ্রহণ-সম্পাদনা-অভিনয় কত উৎকৃষ্ট অথবা নিকৃষ্ট, আদৌ তা বাংলা সিনেমার জগতে গেমচেঞ্জার কি না– ইত্যাকার প্রশ্নে না গিয়েও বলা যায় প্রায় পরস্পরবিরোধী দুই ধরনের প্লট ডিভাইসকে এমন মজাদারভাবে ব্যবহার করার জন্য অন্তত ছবিটি আমাদের মনে থেকে যাবে।

→

বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বন্দে মাতরম্‌’ ঘিরে ধর্মীয় সংকীর্ণতার আবাহন দেখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ

‘বন্দে মাতরম্‌’ যেখানে উগ্রজাতীয়তাবাদের সহচর সেখানেই রবীন্দ্রনাথের আপত্তি। বঙ্কিমের প্রতি অশ্রদ্ধা নিয়ে নয়, হিন্দু-মুসলমান-ইংরেজ যেখানে ছোট ও সংকীর্ণ– সেই অংশের প্রতি সচেতনতা থেকেই, এই গানটির অঙ্গচ্ছেদ করে গ্রহণের পক্ষপাতী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ।

→

ব্রিগেডে গরিব মার খেলে কলকাতার এখনও শ্বাসকষ্ট হয়

বিষ-হাওয়ায়, দূষিত হাওয়ায় কলকাতার যত না শ্বাসকষ্ট হয়, তার চেয়ে বেশি শ্বাসরুদ্ধকর লাগে যখন এক গরিব প্যাটিস বিক্রেতা আক্রান্ত হন গীতাপাঠের আসরে। খাস কলকাতার বুকে, আর কোনও শীতে এমন দূষণ হয়েছে কি?

→

বৈদিক যুগের ‘স্থালী’-ই আজকের প্লেট, ‘উখ্য’-ই ফ্রাইং প্যান

যজুর্বেদে ‘স্থালী’ শব্দটির প্রথম প্রয়োগ দেখা যায়। পতঞ্জলিও বড় ডিশ বলতে ‘স্থালী’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। ঋকবেদের ১/১৬২/১৩ ঋকে উখার কথা আছে। এটি যখন যজ্ঞকর্মে ব্যবহৃত হত, তখন এর গায়ে হুক লাগিয়ে যজ্ঞস্থলে ঝোলানো হত। বৌদ্ধসাহিত্য ঘটিকারসূত্র লিখেছে, ‘কুম্ভি’ নামে কুকিং-পটের কথা।

→

‘বোধহয়’ এক অপ্রাসঙ্গিক অভিনেতা

একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া কোনও ছবির পোস্টারেই স্থান মেলেনি কল্যাণদার। অর্থাৎ, প্রধান বা মুখ্য চরিত্র তো নয়ই, পার্শ্বচরিত্রেও চিরকাল ব্রাত্য থেকে গিয়েছেন। তারপর সেই সুপারহিট গান ‘আমি কলকাতার রসগোল্লা’-র ব্যাকগ্রাউন্ডে নৃত্যরত কনস্টেবল; অতঃপর ধীরে ধীরে কিছু সময়ের জন্য আড়ালে চলে যাওয়া... বোধহয়।

→

তুমি একা, সবার চেয়ে আলাদা

রজঃস্বলা নারী বরাবরই একলা। উপচে পড়া ভিড়েও নিঃসঙ্গ সে। জন-সমাগম তার স্পর্শ বাঁচিয়ে পিছলে-পিছলে যায়।

→

দার্জিলিং আমার শীতের বাড়ি

সেই সময়ের কথা মনে পড়ে, যে সময়ে হিমশীতল দার্জিলিং থেকে কুয়াশার পর্দা সরিয়ে ঢুকে যেতাম কেক আর প্যাটিস আর কফি আর মদের গন্ধে মম করা শব্দহীন মগ্ন পানশালায়, যেখানে যে যার নিঃসঙ্গ নিলয় পেত টেবিলে একা কিংবা মুখোমুখি।

→

ডলার-রুপির টানাপোড়েনে ‘অচ্ছে দিন’ ঢাকা পড়ছে মূল্যবৃদ্ধির কুয়াশায়

কাগজে-কলমে উন্নত প্রবৃদ্ধির খাড়া দেওয়াল বেয়ে সবেগে গড়িয়ে নামছে টাকার দর। শক্তিধর ডলার ক্রমেই হয়ে উঠছে বহু-‘রুপি’!

→

প্রচ্ছদ থেকে শিক্ষা নিলে তো মিশনের বই দেখেই মানুষ সন্ন্যাসী হয়ে যেত

শার্লক হোমস কিংবা কিরীটী, এমনকী ব্যোমকেশের প্রচ্ছদেও পাইপ কিংবা সিগারেট এসেছে বারবার। যে বয়সের পাঠক এই বইগুলো পড়ে, তাদের শিক্ষার কথা ভাবলে তো এই প্রচ্ছদগুলো রাখাই যাবে না। এ-ও যেমন হয় না, তেমন দেওয়ালে দেওয়ালে ‘মদের নেশা ছাড়ান’ পোস্টার মারলেই কেউ নেশা ছেড়ে দেয় না।

→