এলোমেলো অবিন্যস্ত খসড়ার ধরনই লেওনার্দোর নোট্সের নান্দনিক ভিত্তি। আর ঐতিহাসিক ভিত্তিটি অবশ্যই রেনেসাঁসের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তা খানিকটা সমসাময়িককে অতিক্রম করে যাওয়ায়– শিল্প, বিজ্ঞান, দর্শন– প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই; খানিকটা মানুষ ও প্রকৃতির আন্তঃসম্পর্ককে দেখার প্রেক্ষিত বদলে; আর খানিকটা ‘শিল্পী’-কে ‘কারিগর’ থেকে ‘দার্শনিক’-এ উন্নীত করায়।
এই ডকুমেন্টারিতে নাটকীয়তা আছে, কিন্তু সেটা মোটেও অতিপ্রাকৃতিক নয়। বরং সেটা যেন দৈনন্দিন ঘেশকুটে জীবন থেকে উঠে আসা খুব ব্যক্তিগত, মানসিক বিষয়; যা আমরা চাপা দিয়ে রাখি, দেখতে বা দেখাতে চাই না।
টবি জগ আসলে মানুষের অবয়বে তৈরি এক বিশেষ ধরনের সিরামিক পাত্র, যা মূলত পানীয় পরিবেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। কেবল ‘মগ’ বললে এ শিল্পবস্তুটির শৈল্পিক অমর্যাদা হয়; বরং বলা ভালো ‘টবি জগ’ একটি জলজ্যান্ত ভাস্কর্য।
নিজের জীবন ছেঁচে লেখক চোখের সামনে মেলে ধরেন রোদে ঝিকোনো মুক্তোবিন্দু। বিন্দু বিন্দু উচ্চারণেই যাদের সিদ্ধিলাভ।
শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীদের নিরন্তর আসা-যাওয়া পাঠগ্রহণ দুই বাংলার মধ্যে সেতু রচনা করে আসছে নিরন্তর। ছায়ানটের সঙ্গে প্রতিনিয়তই সেই বিনিময় ও বন্ধন অটুট রয়েছে। কারণ, আমরা রবীন্দ্রনাথকে আমাদের ভাষা সাহিত্য সংস্কৃতি ও মানবতার বটবৃক্ষ রূপে জানি।
১৯৭০ বা ’৭১ সালে। নকশাল আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়া ছেলেমেয়েদের মুখ, হত্যা-প্রতিহত্যা, বামপন্থার নানাখানা চেহারা আর নকশাল দমনের ভয়াবহতার প্রতিবেশে মারি ফারার কলকাতায় হাজির হয়েছিল। কেয়া আর অজিতেশ-এর অনুবাদ খরখরে গদ্যে সেদিন মারি-কে হাজির করেছিল।
তখন পাড়ার বেকার যুবকরাই সপ্তাহে একদিন করে লাইব্রেরি খোলার দায়িত্ব নিতেন। মফস্সলে একটি-দু’টি সরকারি লাইব্রেরির পাশাপাশি এমন ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি স্থানীয় অনেক বেসরকারি লাইব্রেরি ছিল। খুব বৈচিত্র না থাকলেও, বইমেলার নতুন বই না-থাকলেও, সেইসব লাইব্রেরি পাঠক তৈরিতে কোনও কার্পণ্য করেনি।
শিকাগো, লস এঞ্জেলেস, ডেট্রয়েট, ফিলাডেলফিয়া, নিউ ইয়র্ক। এক দেশের মধ্যে এই ‘গ্রেট মাইগ্রেশান’-এ এক হার্লেমে তিন বর্গ মাইল এলাকায় এসে বসতি তৈরি করেন প্রায় ১,৭৫,০০০ জন। নন-স্কিলড শ্রমিক থেকে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সকলেই। এইখানে কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের বসতি তাবৎ পৃথিবীতে সবচেয়ে ঘন।
সমরেশদা ‘স্বীকারোক্তি’ নামে ছোটগল্পটি লেখেন– সেই সময় থেকেই তাঁকে নিয়ে বিপুল বিতর্ক তৈরি হয়। ‘স্বীকারোক্তি’ গল্পটি কলকাতার কোনও পত্রিকায় ছাপা হয়নি। কী ঘটেছিল ‘স্বীকারোক্তি’ নিয়ে?
মেসির কলকাতা আগমনে ‘রিফান্ড’। ডার্বি বাতিল হলে ‘রিফান্ড’। ইন্ডিগো ফ্লাইট ক্যানসেল হলে ‘রিফান্ড’। রিফান্ড আর কত কিছুতেই! হবে না-ই বা কেন? পুঁজিপতিরা সবসময় গিলে খাবে মধ্যবিত্তর উজ্জ্বল স্বপ্নের দলা? কিন্তু শেষত আমরা যা রিফান্ড চাই, তা টাকাপয়সার নয়। লেনদেনের নয়। তবে কীসের?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved